প্রেমে বাধা হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন স্বামী! প্রেমিকের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে স্বামীকে খুন! দেহ উদ্ধার ক্যানেল থেকে। গ্রেপ্তার স্ত্রী ও তাঁর প্রেমিক। রবিবার রাতে হাড়হিম ঘটনাটি ঘটেছে বর্ধমানের (Bardhaman) দেওয়ানদিঘি এলাকায়। তদন্তে পুলিশ।
মৃত যুবকের নাম সফিকুল ইসলাম আনসারি ওরফে আরিফ। তিনি ভিন রাজ্যে সোনার কারিগরের কাজ করতেন। মাসখানেক আগে বাড়ি ফেরেন। ফের কর্মস্থলে যাওয়ার টিকিটও কেটেছিলেন। কয়েক বছর আগে তাঁর সঙ্গে বিয়ে হয় রাজিয়া সুলতানার। দম্পতির এক কন্যাসন্তানও রয়েছে।
আরও পড়ুন:
রবিবার সপরিবারে সফিকুলকে নিজের বাড়িতে নিমন্ত্রণ করেছিলেন রাজিয়ার প্রেমিক মমতাজউদ্দিন ওরফে উজ্জ্বল শেখের। রবিবার সকালে স্ত্রী ও কন্যাকে নিয়ে মিলিকপাড়ায় উজ্জ্বলের বাড়িতে গিয়েছিলেন সফিকুল। সন্ধ্যা নাগাদ বাইকে সফিকুলকে সঙ্গে নিয়ে বেরোন মমতাজউদ্দিন। তারপরই নিখোঁজ হয়ে যান সফিকুল। সন্ধ্যার পর তাঁর দেহ উদ্ধার হয় স্থানীয় সেচ ক্যানেল থেকে। প্রাথমিক অনুমান, ভারী কোনও বস্তুর আঘাতে সফিকুলকে খুন করা হয়। পরে দেহ ভাসিয়ে দেওয়া হয়।

দেহ উদ্ধারের পর আরিফের পরিবারের সদস্যরা স্ত্রী রেজিনা ও উজ্জ্বলের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ তোলে। তদন্তকারী আধিকারিকরা অভিযুক্ত স্ত্রী রাজিয়া সুলতানা ও তাঁর প্রেমিক মমতাজউদ্দিন ওরফে উজ্জ্বলের কথাবার্তায় অসঙ্গতি পায়। তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশি তদন্তে উঠে আসে, মমতাজউদ্দিন রাতে যুবককে খুন করে গ্রামে গিয়ে বলেছিলেন, বাইকে যাওয়ার সময় কয়েকজন সফিকুলকে নামিয়ে নিয়ে চলে যায়। পরে থানাতে গিয়েও একই কথা বলে। পুলিশের দাবি, অভিযুক্তরা জেরায় খুনের কথা স্বীকার করেছে। পূর্ব বর্ধমানের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) অর্ক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের জেরে খুনের ঘটনায় মৃতের স্ত্রী ও তাঁর প্রেমিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনায় আর কেউ জড়িত কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
পাঁশকুড়া ব্লাড ব্যাঙ্ক থেকে রক্ত পাচার! দুর্নীতিদমন শাখার হাতে গ্রেপ্তার দালাল, কতদূর ছড়িয়ে জাল?
-
জেরায় একাধিক অসঙ্গতি, তারাপীঠ অগ্নিকাণ্ডে গ্রেপ্তার হোটেল মালিকের ছেলে
-
মুসলিমদের জন্য কেন আলাদা বেসিন! মার্কিন বিমানবন্দরের প্রস্তাব পত্রপাঠ খারিজ টেক্সসের গভর্নরের
-
আশিসের মৃত্যুর তদন্তে ফরেনসিক টিম-তৎপর সিআইডি, নজরে টিআরডিএ-র পুরনো দুর্নীতির অভিযোগও
-
‘হাম দো হামারে দো’, এবার দু’য়ের বেশি সন্তান ঠেকাতে আইন আনছে স্বাস্থ্যদপ্তর!