Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

মুশকিল আসান যোগাভ্যাস, প্রাক্তন কর্মীদের সাহসিকতায় বন্ধ চুরি-চামারি     

যোগেই সারল সামাজিক ব্যাধি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২২, ২০১৮, ১১:৪১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২২, ২০১৮, ১১:৪১

options
link
মুশকিল আসান যোগাভ্যাস, প্রাক্তন কর্মীদের সাহসিকতায় বন্ধ চুরি-চামারি      zoom

চন্দ্রশেখর চট্টোপাধ্যায়, আসানসোল: দৈনিক যোগাভ্যাসে শুধু শরীরই সুস্থ থাকে না, এলাকার অপরাধও আটকানো যায়। এমনটাই প্রমাণ করল রূপনারায়ণপুর। দৈনিক যোগাভ্যাসের ফলে ওই এলাকায় বন্ধ হয়ে গিয়েছে চুরি। সমাজবিরোধীদের উপদ্রব কমেছে। এলাকায় ফিরেছে শান্তি ও নিরাপত্তা।

তা কীভাবে এমনটা হল?

Advertisement

এলাকায় অপরাধ কমার নেপথ্যে রয়েছে যোগাভ্যাস ও হিন্দুস্তান কেবলসের প্রাক্তন শ্রমিকদের প্রয়াস। দৈনিক যোগব্যায়ামের ফলে এলাকায় হালে পানি পাচ্ছে না চোরেরা। অনেকদিন ধরেই বন্ধ হিন্দুস্তান কেবলস। ফলে কারখানার খালি আবাসন থেকে চুরি হয়ে যাচ্ছে দরজা, জানালা, লোহার বিম এমনকি দেওয়ালের ইঁটও। বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন এলাকাটিতে বেড়ে যায় দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্য। এত কিছুর পরও বিশালাকার মুক্তমঞ্চ এখনও অক্ষত রয়েছে। সেখানে থাবা বসাতে পারেনি দুষ্কৃতীরা। কারণ, সেখানে যোগগুরু যোগিন্দর সিংয়ের উদ্যোগে প্রাক্তন শ্রমিকরা দৈনিক যোগাভ্যাস করেন। ভোর থেকে বেলা পর্যন্ত চলে যোগব্যায়াম। বিকেলেও কেউ কেউ আসেন এই অডিটোরিয়ামে। যোগচর্চারত বাসিন্দাদের জন্য এখানে থাবা বসাতে পারেনি দুষ্কৃতীরা।

[পুরোহিত ডেকে জীবিত ছেলের শ্রাদ্ধ করলেন বাবা! রায়গঞ্জে শোরগোল]

কারখানার প্রাক্তন শ্রমিক নেতা চরণজিত সিং বলেন, “দুষ্কৃতীরা চুরির চেষ্টা চালিয়েছিল। জানালা ভেঙে দিয়েছিল এপ্রিল মাসে। আমরা সম্মিলিত ভাবে রাত পাহারা দেওয়া শুরু করি। যাঁরা নিয়মিত যোগচর্চা করেন তাঁরাই দল তৈরি করে নাইট ডিউটি দিয়েছিলেন। সশস্ত্র দুষ্কৃতীরা গ্যাস কাটার যন্ত্রপাতি নিয়ে এসেও বিফল হয়। বেশ কয়েকবার অপারেশন চালাতে গিয়েও ব্যর্থ হয়ে ফিরে যেতে হয় তাদের। তারপর থেকে সুরক্ষিত রয়েছে মুক্তমঞ্চ।”  একসময় এই মুক্তমঞ্চেই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ইন্ডোর গেমের আয়োজন হত। সারাবছর ভিড়ে গমগম করত ভবনটি। কিন্তু কারখানা বন্ধের পর শুধু ভবনটিই অক্ষত রয়েছে। যোগচর্চার সঙ্গে যুক্ত প্রাক্তন কর্মীরাই অপরাধ মুক্ত রেখেছে মুক্তমঞ্চকে।

উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক যোগদিবস পালনে দেশের আনাচে কানাচে একদিনের যোগা শিবির আয়োজন করা হয়েছে। কিন্তু হিন্দুস্তান কেবলসের প্রাক্তন শ্রমিকরা দৈনিক যোগাভ্যাস করছেন গত দশ বছরের বেশি সময় ধরে। শুধু যোগাভ্যাসের কারণেই অপরাধ মুক্ত রয়েছে যোগাভ্যাসের কেন্দ্রটি। একই সঙ্গে এলাকাটিকে অপরাধমুক্ত করে নয়া নজির গড়েছেন তাঁরা। তাঁদের এই উদ্যোগের প্রশংসায় পঞ্চমুখ স্থানীয়রাও।

[জঙ্গি নিকেশে এবার কি পাকিস্তানে ঢুকতে চলেছে মার্কিন সেনা?]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.