Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

‘রক্ত দিন, প্রাণ বাঁচান’ – জীবনের মহান বার্তা নিয়ে ভ্রমণে নদিয়ার যুবক

সাইকেলে দক্ষিণ থেকে উত্তরবঙ্গ গিয়ে প্রচার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩১, ২০২২, ১৫:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩১, ২০২২, ১৫:১৭

options
link
‘রক্ত দিন, প্রাণ বাঁচান’ – জীবনের মহান বার্তা নিয়ে ভ্রমণে নদিয়ার যুবক zoom

পলাশ পাত্র, তেহট্ট: জীবনই সবচেয়ে বড় শিক্ষক। নানা অভিজ্ঞতা থেকে যা উপলব্ধি হয়, ভবিষ্যতে তা অবলম্বন করেই এগিয়ে চলেন দায়িত্বশীল মানুষ। যেমন নদিয়ার যুবক রকি মণ্ডল।সাড়ে ৪ বছর আগে কিডনির সমস্যায় ভুগতে থাকা দাদাকে দেখেছিলেন, একটু রক্তের  জন্য ছটফট করতে করতে মৃত্যুবরণ করেছিল। রক্তের গুরুত্ব যে ঠিক কতটা, তা তখন থেকেই বুঝতে শুরু করেছিলেন তেহট্টের বক্সিপুরের রকি। তাই আর দেরি না করে বেরিয়ে পড়েছেন রক্তদানের মহান সংকল্প নিয়ে। নিজের জন্মদিন সহ বছরে দু’বার বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে রক্তদান করেন রকি।

ফাঁসই যেন রুটিন! মাধ্যমিকের চতুর্থ দিনে ভূগোল প্রশ্নও হোয়াটসঅ্যাপে

সঙ্গী একটি সাইকেল। তাতে সওয়ার হয়েই রক্তদানের প্রচার চালাচ্ছেন রকি মণ্ডল। কিন্তু বৃহত্তর পরিসরে  মানুষের কাছে পৌঁছে প্রচারের জন্য ৫০০ কিলোমিটার সাইকেল চালিয়ে এবার টাইগার হিল জয় করলেন এই যুবক। সাইকেলের সামনে ঝোলানো একটি বোর্ড। তাতে লেখা – ‘এগিয়ে আসুন রক্তদানে/ফুটুক হাসি নতুন প্রাণে।’ ৮ ফেব্রুয়ারি সাইকেলে চড়ে রওনা দেয় রকি। মুর্শিদাবাদ জেলার আমতলা, বহরমপুর হয়ে পরের দিন মালদা পৌঁছায়। ১০ ফেব্রুয়ারি ডালখোলা পৌঁছন। সেখান থেকে শিলিগুড়ি হয়ে ১২ ফেব্রুয়ারি কার্শিয়াংয়ে পুলিশের ব্যারাকে রাত কাটান রকি। ১৩ ফেব্রুয়ারি ভোরবেলায় সাইকেল নিয়ে বেরিয়ে পড়েন। খাড়াই পথে ৫ কিলোমিটার হেঁটে এবং ১৮ কিলোমিটার সাইকেল চালিয়ে টাইগাল হিলে পৌঁছান সাড়ে ৫ ঘন্টার মধ্যে। অদম্য সাহস ও ইচ্ছাশক্তিকে সম্বল করে ছ’ দিনে টাইগার হিল জয় করে নিজের জায়গা কৃষ্ণনগরে পৌঁছায়।

Advertisement

nda-blood donate

পুরুলিয়ায় মাওবাদী হামলা রুখতে মহড়া সিআরপিএফের

গত বছর নভেম্বর মাসে রক্তদানের প্রচার করার জন্য রকি ৩৯০ কিলোমিটার পথ সাইকেলে চড়ে দিঘা পৌঁছান রকি। ফের একই পথ সাইকেলে করেই বাড়ি ফেরেন। তাঁর এই দুটি যাত্রাপথে প্রচুর মানুষ এগিয়ে এসেছেন। পথে জল,  খাবার দিয়ে সাহায্য করেছেন বহু ক্লাব সদস্য। মিলেছে  সংবর্ধনাও। ফের ক্লান্ত শরীরে অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য সাইকেলের প্যাডেলে চাপ দিয়ে এগিয়ে গিয়েছেন রকি।তাঁর কথায়, ‘রক্ত যে কোনও সময় মানুষের দরকার হতে পারে। ভবিষ্যতের কথা মনে করে আমারও রক্ত প্রয়োজন হতে পারে। সেজন্যও রক্ত দান করা দরকার। এমনকি সংকটজনক রোগীর কথা ভেবেও রক্তদান করা জরুরি।’ রকি আরও বলেন, ‘এই দানের কোনও রিটার্ন হয় না। তাই কোনও উপহার দিতে হলে একটি গাছ দিন। এগিয়ে আসুন পৃথিবীর সবুজায়নে।’ তাতে বিশ্ব উষ্ণায়নের হাত থেকে পরিবেশ বাঁচাতে পারি। রকি বুধবার রাতে বাসে চেপে শুক্রবার কৃষ্ণনগর পৌঁছায়। সেখান থেকে ফের সাইকেল নিয়ে বাড়ির পথে। হয়ত আবারও কিছুদিনের মধ্যে রক্তদানের মহান বার্তা নিয়ে ফের বেরিয়ে পড়বেন রকি।  

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.