সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘দুর্নীতির সঙ্গে কোনও আপোস নয়’, অবস্থান আগেই স্পষ্ট করেছিল তৃণমূলের (TMC) শীর্ষ নেতৃত্ব। সেটা যে স্রেফ কথার কথা নয়, তা বোঝাতে আগেই দলের মহাসচিবকে সাসপেন্ড করেছিল শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি। দুর্নীতিতে নাম জড়ানোয় বহিষ্কৃত হয়েছেন আরও দুই যুব নেতা। এবার এলাকা থেকে লাগাতার টাকা তোলার অভিযোগে পানিহাটির ১০ নম্বর ওয়ার্ডের যুব তৃণমূল সভাপতিকে বহিষ্কার করল দল। পানিহাটি পুরসভার চাকরি থেকেও তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে খবর।
স্থানীয় সূত্রে খবর, বেশ কিছুদিন ধরেই ১০ নম্বর ওয়ার্ডের যুব তৃণমূল সভাপতি সোমনাথ ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে অনৈতিক কাজকর্মের অভিযোগ উঠছিল। পুর এলাকায় সরকারি প্রকল্পের ঘর পাইয়ে দেওয়ার নাম করে লক্ষ-লক্ষ টাকা তোলা ও হাতানোর অভিযোগও ছিল সোমনাথের বিরুদ্ধে। দলের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব এবার তাঁকে ছেঁটে ফেলার পথে হাঁটল বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। অভিযোগ তৃণমূল নেতা পানিহাটি পুরসভার কর্মী বলেও খবর। সূত্রের দাবি, চাকরি থেকেও তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
[আরও পড়ুন: বাম আমলেই চাকরি পেয়েছে স্ত্রী! উন্নয়নের প্রচারেও ‘সাফাই’ কাউন্সিলর শিক্ষিকার স্বামীর]
এ প্রসঙ্গে উত্তর পানিহাটি যুব তৃণমূলের সভাপতি পার্থ চৌধুরী বলেন, “দলের উচ্চনেতৃত্বের কাছে ওঁর নামে অনেক অভিযোগ ছিল। ওঁর নামে অনেক টাকা নেওয়ারও অভিযোগ ছিল। এর আগে বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় তাঁকে দপ্তর থেকে সরিয়ে দেন। লাগাতার অভিযোগের জেরেই ওঁকে দল থেকে বহিষ্কার করা হল।” সবমিলিয়ে পঞ্চায়েত ও লোকসভা ভোটের আগে দলের স্বচ্ছ ভাবমূর্তি তৈরিতে মরিয়া তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব।
[আরও পড়ুন: হু হু করে বেড়ে মুরগি ৩০০ টাকার দোরগোড়ায়, ছুটির দিনে পাতে মাংস থাকবে তো?]
সর্বশেষ খবর
-
বিলুপ্তপ্রায় লার গিবন পোষ্য! রিলস পোস্ট করতেই বিতর্কে বিক্রম, পড়তে পারেন আইনি জটিলতায়
-
একাই বড় করেছিলেন ৪ সন্তানকে, বাবাকে শেষ দেখার সময় হল না কারও, ফোনেই চাইলেন ডেথ সার্টিফিকেট!
-
সৌরভের পর এবার নয়া রিয়ালিটি শো রোহিতের, অবসর-জল্পনার মধ্যে কী বলতে চান হিটম্যান?
-
প্রধান বিচারপতির ‘ককরোচ’ শব্দের অপব্যবহার! কেন্দ্র, সিবিআইকে নোটিস শীর্ষ আদালতের
-
পরপর ট্রান্সফরমার বিকল! লিফট বন্ধ-জলের আকাল, বিদ্যুৎ বিভ্রাটে জেরবার দক্ষিণ কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকা