১৬ ফাল্গুন  ১৪২৬  শনিবার ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 

ফের ছেলেধরা সন্দেহে গণপিটুনি, অন্ডালে পুলিশের তৎপরতায় উদ্ধার যুবক

Published by: Tiyasha Sarkar |    Posted: September 12, 2019 1:14 pm|    Updated: September 12, 2019 1:16 pm

An Images

সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, দুর্গাপুর: ফের ছেলেধরা সন্দেহে গণপিটুনির ঘটনা ঘটল রাজ্যে। এবার ঘটনাস্থল পশ্চিম বর্ধমানের অন্ডালের শংকরপুর এলাকা। জানা গিয়েছে, এলাকায় ইস্ততস্ত ঘোরাফেরা করতে দেখেই ওই যুবককে আটকে মারধর করে স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই যুবককে উদ্ধার করে। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওই যুবক।

[আরও পড়ুন: অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে স্টোনচিপসের স্তূপে উলটে পড়ল অটো, মৃত মহিলা]

ছেলেধরা সন্দেহে গণপিটুনি যেন নিত্য নৈমিত্যিক বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রশাসনের তরফে প্রচারও করা হচ্ছে। কিন্তু তারপরেও এরূপ ঘটনা ঘটেই চলেছে দেশের নানা প্রান্তে। এমনকী বিল পাশের পরও এতটুকুও বদলায়নি ছবি। এবার পশ্চিম বর্ধমানের অন্ডালের শংকরপুরে ছেলেধরা সন্দেহে গণপিটুনির শিকার এক যুবক। জানা গিয়েছে, বুধবার সন্ধে ৭ নাগাদ অন্ডালের ছোড়া পঞ্চায়েতের শংকরপুর এলাকায় এক অপরিচিত যুবক ঘোরাফেরা করছিলেন। তাঁকে দেখে সন্দেহ হয় গ্রামবাসীদের। এরপরই যুবককে আটকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে স্থানীয়রা। অভিযোগ, সেই সময় অসংলগ্ন কথাবার্তা বলেন ওই যুবক।

lynching-2
আক্রান্ত যুবক

এরপরই গ্রামবাসীরা চড়াও হয় ওই যুবকের উপর। অভিযোগ, স্থানীয় একটি ক্লাবে আটকে বেধড়ক মারধর করা হয় তাঁকে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে গুরুতর জখম অবস্থায় ওই যুবককে উদ্ধার করে উখড়া ফাঁড়ির পুলিশ।  চিকিৎসার জন্য পুলিশের তরফে প্রথমে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় খান্দ্রা গ্রামীণ হাসাতালে। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। বর্তমানে সেখানেই চিকিৎসাধীন ওই যুবক। ঘটনার পর বৃহস্পতিবার সকালেও আতঙ্কের ছাপ স্পষ্ট এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে। স্থানীয় শিশু শিক্ষাকেন্দ্রের শিক্ষিকা শাকিলা খাতুন জানান, ছেলেধরার আতঙ্কে গত কয়েকদিন ধরেই এলাকার স্কুলে পুড়ুয়ার সংখ্যা কমে গিয়েছে। সন্তানকে কাছ ছাড়া করতে ভয় পাচ্ছেন গ্রামবাসীরা। কিন্তু কেন এই পরিস্থিতি? প্রচার সত্বেও কেনও হুঁশ ফিরছে না মানুষের? কেন বারবার আক্রান্ত হচ্ছেন মানুষ? উঠছে প্রশ্ন।

[আরও পড়ুন: দার্জিলিং মেলে শ্লীলতাহানির অভিযোগ জিআরপির বিরুদ্ধে, বিক্ষোভে সহযাত্রীরা]

ছবি: উদয়ন গুহরায়

An Images
An Images
An Images An Images