Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
Youth trapped in online fraud

অনলাইন পরিষেবা চালুর দাবিতে ব্যাংকের হেল্পলাইনে ফোন, নিমেষে সাফ অ্যাকাউন্ট

হ্যাকারের পাল্লায় নিঃস্ব কুলটির যুবক।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৮, ২০২১, ২২:২২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৮, ২০২১, ২২:২২

options
link
অনলাইন পরিষেবা চালুর দাবিতে ব্যাংকের হেল্পলাইনে ফোন, নিমেষে সাফ অ্যাকাউন্ট zoom
ছবি: প্রতীকী
Advertisement

চন্দ্রশেখর চট্টোপাধ্যায়, আসানসোল: বন্ধ হয়ে গিয়েছিল গ্রাহকের ইউপিআই পরিষেবা। ব্যাংকে লিখিত অভিযোগ করেও অনলাইন পরিষেবা চালু হয়নি। বাধ্য হয়ে গ্রাহক নিজেই গুগল (Google) থেকে হেল্পলাইন নম্বর জোগাড় করেন। ফোন করতেই সাফ হয়ে গেল অ্যাকাউন্ট। এক ধাক্কায় লুঠ হয়ে গেল ১ লক্ষ ৯ হাজার টাকা। হ্যাকারের পাল্লায় নিঃস্ব কুলটির যুবক মানস মাজি।

পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংকের গ্রাহক মানস মাজি। তিনি আসানসোলের (Asansol) এক প্যাথোলজি ল্যাবে কাজ করেন। বাড়ি কুলটির মিঠানি গ্রামে। অনলাইন পরিষেবা পাচ্ছিলেন না। সেজন্য ব্যাংকে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। ব্যাংক জানিয়েছিল ২৪ ঘন্টায় সমস্যার সমাধান হবে। কিন্তু সমাধান না হওয়ায় তিনি অভিযোগ করতে চেয়ে গুগল থেকে ওই ব্যাংকের হেল্পলাইন নম্বর জোগাড় করেন। মানস বলেন, “বৃহস্পতিবার রাতে +৯১-১৮০০ নম্বর দিযে শুরু ওই নম্বরে ফোন করলে শুধু রিং হয়। পরে আমার কাছে কল আসে পিএনবি হেল্পডেস্কের নাম করে। আমি আমার সমস্যার কথা জানাই। হেল্পডেস্ক থেকে আমার হোয়াটসঅ্যাপে একটি লিংক দিয়ে ক্লিক করতে বলা হয়। ক্লিক করার পর ওটিপি আসে। ওটিপি নম্বর ওদের দিতেই সমস্ত টাকা অ্যাকাউন্ট থেকে লুঠ হয়ে যায়।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: বাংলায় রক্তচক্ষু দেখাচ্ছে করোনা, ফের বাড়ল দৈনিক আক্রান্ত এবং মৃতের সংখ্যা]

প্রতারিত যুবক আরও বলেন, “মোট ১১ বারে ১০ হাজার টাকা করে অন্য অ্যাকাউন্টে সরিয়ে নেওয়া হয়। অ্যাকাউন্টে থাকা মোট ১ লক্ষ ৯ হাজার ২৯ টাকা ৪৮ পয়সা সমস্তটাই হ্যাকাররা লুঠ করে। আমার কষ্টার্জিত টাকা এভাবে লুঠ হয়ে যাবে ভাবতে পারিনি।” শুক্রবার তিনি আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশের সাইবার সেলে অভিযোগ দায়ের করেন। আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশের ডিডি ও সাইবার এসিপি মানস সিংলা বলেন, “অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত শুরু হয়েছে। আমরা গ্রাহকদের বারবার সচেতন করছি ওটিপি (OTP) যেন কোনওমতেই শেয়ার না করা হয়। তবু গ্রাহকরা হ্যাকারদের পাল্লায় পড়ছেন।” 

[আরও পড়ুন: বঙ্গ সফরে কৃষকের বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ সারবেন নাড্ডা, কী থাকছে মেনুতে?]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.