BREAKING NEWS

৭ মাঘ  ১৪২৮  শুক্রবার ২১ জানুয়ারি ২০২২ 

READ IN APP

Advertisement

রানু মণ্ডল একা নন, দুনিয়াকে অবাক করে এই বছর ভাইরাল হয়েছেন এঁরাও

Published by: Sulaya Singha |    Posted: December 25, 2019 11:24 am|    Updated: December 25, 2019 11:34 am

2019 in hindsight: People who dominated the internet

এক ক্লিকেই বাজিমাত। মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়ে সাড়া ফেলে দিয়েছিল কিছু ঘটনা। ভালবাসা থেকে সাফল্য। একটু হতাশা অনেক আনন্দ। নানা ঘটনা চর্চায় ছিল নেটদুনিয়ার। মুহূর্তে ভাইরাল হয়ে শোরগোল ফেলা সেসব কিস্সারই সালতামামিতে সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল।

প্যারাগ্লাইডিংয়ের প্যাঁচে: দিনের বেশিরভাগ সময়টা যাঁরা ভারচুয়াল দুনিয়ায় কাটান, তাঁদের কাছে এই ভিডিওটি অত্যন্ত পরিচিত। খোলা আকাশে মুক্ত বিহঙ্গের মতো উড়তে গিয়ে কী কাণ্ডই না হয়েছিল উত্তরপ্রদেশের বিপিন সাহুর। প্যারাগ্লাইডিংয়ের সময় ভয় পেয়ে যা যা বলেছিলেন, তা দেখে হেসে খুন নেটিজেনরা। কখনও নিজেকেই গালমন্দ করলেন তো কখনও ইনস্ট্রাকটরকে বললেন, “লাগলে দু’-পাঁচশো টাকা বেশি দেব, আমাকে নামিয়ে দে। আমি মরে যাব।” বছর শেষে ভিডিওটি দেখে আরও একবার হাসতেই পারেন।

Vipin

পাক সমর্থকদের হাহাকার: বিশ্বকাপে এবারও ইতিহাস বদলাতে পারেনি পাকিস্তান। ম্যাঞ্চেস্টারে সরফরাজদের লজ্জার হার উপহার দেয় কোহলি অ্যান্ড কোং। তারপরই পাক অধিনায়ক সরফরাজ ও দলের অন্যান্য ক্রিকেটারদের ফিটনেস নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। ভারতের কাছে ফের পরাস্ত হয়ে হতাশা আর ক্ষোভের মিশেলে দিশেহারা অবস্থা হয় সমর্থকদের। ক্রিকেটারদের ফিটনেস নিয়ে এক সমর্থক সংবাদমাধ্যমকে যা যা বলেছিলেন, তা মুহূর্তে ভাইরাল হয়ে গিয়েছিল।

pak-fan

সাহসী অভিনন্দন: ‘I’m not suppose to tell you this.’ প্রত্যেক ভারতীয়র স্মৃতিতে এখনও টাটকা এই বাক্য। সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রেন্ডিংয়ের শীর্ষে পৌঁছে গিয়েছিল হ্যাশট্যাগটি। বন্দি অবস্থাতেও পাকিস্তান সেনার চোখরাঙানি, কিংবা পাক আর্মি জেনারেলদের রক্তচক্ষু কাবু করতে পারেনি ভারতীয় বায়ুসেনার উইং কমান্ডার অভিনন্দন বর্তমানকে। পাক সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওই তার প্রমাণ দিয়েছিল। বন্দি অভিনন্দনের থেকে কোনও তথ্য বের করতে পারেনি পাকিস্তান। প্রত্যেক প্রশ্নের উত্তরে ওই একই বাক্য আওড়েছিলেন। বিদেশের মাটিতেও দেশকে গর্বিত করেছিলেন তিনি।

Abhinandan

শেরিং নামগিয়াল: ৫ আগস্ট নতুন আইন এনে জম্মু ও কাশ্মীরকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়া ৩৭০ ধারা ও সংবিধানের ৩৫-এ অনুচ্ছেদ বাতিল করে কেন্দ্র। ৩৭০ ধারা খারিজ নিয়ে সংসদে জোরদার ভাষণ দিয়ে নজর কেড়েছিলেন লাদাখের বিজেপি সাংসদ জামিয়াং শেরিং নামগিয়াল। লাদাখ আলাদা কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলে পরিণত হওয়ায় কী কী সুবিধা হবে সেখানকার বাসিন্দাদের, তা সুন্দরভাবে তুলে ধরেন তরুণ সাংসদ। এমনকী বিরোধী নেত্রী সোনিয়া গান্ধীকেও মন দিয়ে শুনতে দেখা গিয়েছিল এই বিজেপি সাংসদের ভাষণ।

shering

রানু মণ্ডল: ২০১৯ সালের সবচেয়ে বড় সেনসেশন রানাঘাটের রানু মণ্ডল। লতা কণ্ঠীর গান রাতারাতি ভাইরাল হয়ে গিয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়। সুরকার হিমেশ রেশমিয়ার হাত ধরে বলিউড ছবিতে প্লে-ব্যাকও করে ফেলেন তিনি। তাঁর ইংরাজি বলা থেকে ফ্যাশন থুড়ি, ফ্যাশন ডিজাসস্টার, সবই এবার চূড়ান্ত ভাইরাল।

ranu

কোহলির ‘সুপারফ্যান’: তণ্বী নন, তবে মোহময়ী। ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে গোটা দুনিয়ার নজর কেড়েছিলেন ৮৭ বছরের চারুলতা প্যাটেল। মন ভরিয়ে দেওয়ার মতো তাঁর এনার্জি। এজবাস্টনের গ্যালারিতে বসে টিম ইন্ডিয়াকে চিয়ার করার পুরস্কারও পেয়েছিলেন এই ‘যুবতী’। ম্যাচ শেষে ক্যাপ্টেন কোহলি এবং রোহিত শর্মা তাঁর সঙ্গে দেখা করেন। সুপারফ্যানের আশীর্বাদ নেন দুই তারকা। স্বপ্নপূরণ হয় চারুলতা প্যাটেলের। কোহলির পাঠানো টিকিটে পরের ম্যাচেও মাঠে হাজির হয়েছিলেন তিনি।

Charulata

কলকাতার খুদে চ্যাম্পিয়ন্স: ভাইরালের শীর্ষে এবার কলকাতার তিন খুদে। দু’জন ভল্টে তাক লাগিয়েছিল তো একজন নিখুঁত ক্রিকেটীয় শট নিয়ে। স্কুলের পোশাক পরে পিঠে স্কুলের ব্যাগ চাপিয়ে পিচের রাস্তায় দুই খুদে জিমন্যাস্টের ক্যারিশমা অবাক করেছিল নেটিজেনদের। ১৫ সেকেন্ডের ভিডিও নিয়ে তোলপাড় হয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়া। ভাই-বোনের অবিশ্বাস্য কীর্তি দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেছিলেন বিশ্বখ্যাত জিমন্যাস্ট নাদিয়া কোমানিচিও। এদিকে আবার বিরাট কোহলি-কেভিন পিটারসেনদের হতভম্ব করেছিল তিন বছর তিন মাসের শেখ শাহিদ। তার অনবদ্য স্টান্ট আর মাপা কভার ড্রাইভ ভাইরাল হতে বেশি সময় লাগেনি।

champs

তওবা তওবা: ‘তওবা তওবা’। এ কেমন সাংবাদিক! চাঁদ নবাবের মতো ২০১৯-এর অবাক করা পাক সাংবাদিক কাইসার খোখাম। খবরের মাঝে যেভাবে ‘তওবা তওবা’ করে উঠেছিলেন, তাতেই হাসির খোরাকে পরিণত হন তিনি। ভাইরাল হয়ে যায় তাঁর ভিডিও।

journalist

মহুয়ায় মজল সংসদ: সংসদে প্রথমবার পা রেখেই নজর কেড়েছিলেন মহুয়া মৈত্র। লোকসভায় প্রথম বক্তব্য রাখতে গিয়ে বেনজির আক্রমণ করেন বিজেপিকে। দেশে ফ্যাসিবাদের প্রাথমিক উপসর্গের কথা উল্লেখ করেন। তৃণমূল সাংসদের জ্বালাময়ী বক্তব্য ভাইরাল হয়ে যায়। এমনই একজন সাংসদ চাই, মহুয়ার বক্তব্যের ভিডিও শেয়ার করে লেখেন নেটিজেনরা।

mohua-moitra

সেনার গান: দেশের জন্য আত্মত্যাগের ধর্মেই দীক্ষিত তাঁরা। দেশমাতৃকার সেবায় নিমজ্জিত তাঁদের জীবন। আর দেশের প্রতি সেই ভালবাসা থেকেই ‘অ্যা মেরি জমি…’ গান গেয়েছিলেন ভারতীয় সেনা জওয়ান অর্জুন খেরিয়াল। যা প্রত্যেক ভারতীয়র মন ছুঁয়ে গিয়েছিল। বছরটা শেষে হোক সেই দেশাত্মবোধক গান দিয়েই।

arjun

[আরও পড়ুন: ২০১৯-এ বিশ্বে দেশের নাম উজ্জ্বল করেছেন যে ভারতীয়রা]

দেখুন স্পেশ্যাল ভিডিওটি:

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে