Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
MAAC Manifest 2026

ভিএফএক্স দুনিয়ায় কর্মসংস্থানের নয়া দিশা, শহর কলকাতায় ‘ম্যাক ম্যানিফেস্ট ২০২৬’

বর্তমান যুগে বিনোদন এবং প্রযুক্তির মেলবন্ধনে কর্মসংস্থানের এক বিশাল দিগন্ত খুলে দিয়েছে এনিমেটিক্স এবং ভিএফএক্স শিল্প। সেই আধুনিক প্রযুক্তির দুনিয়ায় বাংলার তরুণ প্রজন্মকে দিশা দেখাতে কলকাতায় সফলভাবে সম্পন্ন হল ‘ম্যাক ম্যানিফেস্ট ২০২৬’।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৪, ২০২৬, ১৮:০৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৪, ২০২৬, ১৮:০৩

options
link
ভিএফএক্স দুনিয়ায় কর্মসংস্থানের নয়া দিশা, শহর কলকাতায় ‘ম্যাক ম্যানিফেস্ট ২০২৬’ zoom
প্রযুক্তির দুনিয়ায় বাংলার তরুণ প্রজন্মকে দিশা দেখাতে কলকাতায় সফলভাবে সম্পন্ন হল ‘ম্যাক ম্যানিফেস্ট ২০২৬’। নিজস্ব ছবি।
Advertisement

বর্তমান যুগে বিনোদন এবং প্রযুক্তির মেলবন্ধনে কর্মসংস্থানের এক বিশাল দিগন্ত খুলে দিয়েছে এনিমেটিক্স এবং ভিএফএক্স শিল্প। সেই আধুনিক প্রযুক্তির দুনিয়ায় বাংলার তরুণ প্রজন্মকে দিশা দেখাতে কলকাতায় সফলভাবে সম্পন্ন হল ‘ম্যাক ম্যানিফেস্ট ২০২৬’। গত ১১ এপ্রিল শহরের ঐতিহ্যবাহী মহাজাতি সদনে মায়া একাডেমি অফ অ্যাডভান্সড ক্রিয়েটিভিটি (MAAC)-র এই বার্ষিক সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলেন সাতশোর বেশি পড়ুয়া। উপস্থিত ছিলেন দেশবরেণ্য বিশেষজ্ঞরা।

মূলত শিল্প জগত এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় বাড়াতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সম্মেলনে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে ভারত তথা বিশ্বের দ্রুত পরিবর্তনশীল এনিমেটিক্স, গেমিং এবং কমিকস (AVGC) সেক্টর। এই নতুন প্রযুক্তির দুনিয়ায় কেবল পুঁথিগত বিদ্যা যে যথেষ্ট নয়, তা এই মঞ্চ থেকে বারবার মনে করিয়ে দিয়েছেন অভিজ্ঞরা। অনুষ্ঠানে ‘কেরিয়ার এক্স’ এবং ‘ক্রিয়েটর এক্স’ নামে দুটি নতুন কোর্সের আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয়। যা পড়ুয়াদের পেশাদার জগতের জন্য আরও নিপুণভাবে গড়ে তুলবে।

Advertisement

সম্মেলনের অন্যতম আকর্ষণ ছিল বিশেষজ্ঞ অধিবেশন। ‘ফিল্ম সিজিআই’-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর আনন্দ ভানুশালী জানান, আধুনিক চলচ্চিত্রে দৃশ্যমান এবং অদৃশ্যমান ভিএফএক্সের গুরুত্ব কতটা বৃদ্ধি পেয়েছে। সিনেমার গল্প বলার ধরন বদলে দিচ্ছে প্রযুক্তি। অন্যদিকে ক্যানন ইন্ডিয়ার গৌরব মরকান তুলে ধরেন বড় বড় ব্র্যান্ডগুলি ঠিক কী ধরনের প্রতিভা খুঁজছে। সৃজনশীলতার পাশাপাশি রণকৌশলগত চিন্তাভাবনা এবং মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা যে সাফল্যের চাবিকাঠি, সেই বার্তাই তিনি দেন।

ম্যাক-এর চিফ বিজনেস অফিসার সন্দীপ উইলিং বলেন, “বর্তমানে ডিজিটাল কন্টেন্টের চাহিদা তুঙ্গে। আমাদের লক্ষ্য শুধু প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ দেওয়া নয়, বরং পড়ুয়াদের মধ্যে মৌলিক চিন্তাভাবনা এবং সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা তৈরি করা।” এই অনুষ্ঠানেই ১০০ জনেরও বেশি কৃতি প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীকে সম্মানিত করা হয়। তাঁরা বর্তমানে দেশ-বিদেশের নামী স্টুডিওতে কর্মরত।

কলকাতার এই অনুষ্ঠান বুঝিয়ে দিল, আগামী দিনে এনিমেটিক্স এবং মাল্টিমিডিয়ার জগতে কর্মসংস্থানের বড় ক্ষেত্র হয়ে উঠছে পশ্চিমবঙ্গ। তরুণ শিল্পীদের সামনে এখন কেবল স্বপ্ন নয়, তাকে বাস্তবায়িত করার আধুনিক হাতিয়ারও মজুত। প্রযুক্তির সঙ্গে সৃজনশীলতার এই যুগলবন্দী বাংলার মেধার সামনে এক নতুন আকাশ খুলে দিয়েছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.