সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এক ধাক্কায় অনেকটা কমল বাংলার দৈনিক করোনা (Coronavirus) গ্রাফ। গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় সংক্রমিত হয়েছেন ৩, ০৫৩ জন। যা শেষ কিছুদিনের তুলনায় অনেকটাই কম। সেই সঙ্গে একদিনে সুস্থ হয়েছেন রাজ্যের প্রায় সাড়ে চার হাজার মানুষ। যা স্বাভাবিকভাবেই অনেকটাই স্বস্তি দিয়েছে রাজ্যবাসীকে।
[আরও পড়ুন: প্রেমিকের সঙ্গে ঘুরতে দেখে ফেলেন বাবা-মা, ভয়ে চরম সিদ্ধান্ত নিল চন্দননগরের কিশোরী ]
স্বাস্থ্যদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এদিনের করোনা আক্রান্তদের মধ্যে ৭১৩ জন কলকাতার। অর্থাৎ সংক্রমণের নিরিখে প্রথম স্থানে তিলোত্তমা। দ্বিতীয় স্থানে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে নতুন করে সংক্রমিত ৭০১ জন। তৃতীয় স্থানে হুগলি। সেখানে একদিনে আক্রান্ত ২৪৩ জন। এছাড়াও রাজ্যের প্রায় সব জেলায় এদিন নতুন আক্রান্তের হদিশ মিলেছে। ফলে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪, ৩১, ৫৫১। যদিও অন্যান্যদিনের তুলনায় এদিনের সংক্রমণের হার অনেকটাই কম। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার বলি হয়েছেন বাংলার ৫১ জন। তাঁদের মধ্যে ১৮ জনই কলকাতার। অর্থাৎ সংক্রমণের পাশাপাশি মৃত্যুর নিরিখেও প্রথম স্থানে এই জেলা। দ্বিতীয়ে উত্তর ২৪ পরগনা, একদিনে করোনা প্রাণ কেড়েছে সেখানকার ১১ জনের। ফলে মোট করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৭, ৬৬১। তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাকে হারিয়ে হাসিমুখে ঘরে ফিরেছেন বাংলার ৪, ৪৮০ জন। এদের মধ্যে ৮৭২ জনই কলকাতার (Kolkata)। অর্থাৎ সুস্থতার নিরিখেও বাকি জেলাদের ছাপিয়ে গিয়েছে তিলোত্তমা। বাংলার মোট করোনাজয়ীর সংখ্যা ৩, ৯৪, ৫৭৬।
তথ্য অনুযায়ী, এই একদিনে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৩৮, ৬৫৮ জনের। এখনও পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৫১, ৮০, ১৩৯ জনের। পশ্চিম বাংলার মোট সেফ হোমের সংখ্যা ২০০ টি। বর্তমানে সেখানে রয়েছেন মোট ১, ১৮৭ জন করোনা আক্রান্ত।
[আরও পড়ুন: ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে আসানসোলে ভস্মীভূত অন্তত ১০টি বাড়ি ও দোকান, প্রাণ গেল একজনের]
সর্বশেষ খবর
-
বন্যায় কাঁদছে অসম! এখনও ক্ষতিগ্রস্ত লক্ষাধিক মানুষ, ১১ হাজার হেক্টর কৃষিজমি জলমগ্ন, মৃত ১০০
-
পরমাণু চুক্তি নিয়ে সুর নরম, ইরান হরমুজে খুলে দিলেই নিষ্ফলা যুদ্ধে ইতি টানবেন ট্রাম্প!
-
মোটা মাইনের চাকরির টোপ দিয়ে কলকাতার যুবকদের উজবেকিস্তানে ‘পাচার’, তারপর…
-
রাজারহাটের অভিজাত আবাসনে পানীয় জলদূষণ! অসুস্থ বহু বাসিন্দা, তুমুল উত্তেজনা এলাকায়
-
অটো চালিয়ে অসুস্থকে বিনামূল্যে পৌঁছে দেন হাসপাতালে, ভাইরাল গভীর রাতের ‘শেরনি’