২৮ আশ্বিন  ১৪২৭  সোমবার ২৬ অক্টোবর ২০২০ 

Advertisement

দুর্গাপুজোর দোরগোড়ায় চোখ রাঙাচ্ছে রাজ্যের করোনা গ্রাফ, আক্রান্ত পেরল ৩ লক্ষ

Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: October 14, 2020 8:23 pm|    Updated: October 14, 2020 8:23 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সপ্তাহ খানেক বাদেই দুর্গাপুজোর (Durga Puja) উৎসব শুরু হয়ে যাবে পুরোদমে। উৎসবে ভাসতে প্রস্তুত বাঙালি। কিন্তু তারই মধ্যে চোখ রাঙাচ্ছেন করোনা (Coronavirus) সংক্রমণের উচ্চহার। গত ২৪ ঘণ্টায় এ রাজ্যে নতুন করে করোনায় সংক্রমিত ৩৬৭৭ জন, মৃত্যু হয়েছে ৬৪ জনের। যা সাম্প্রতিককালের মধ্যে রেকর্ড। সংক্রমণের শীর্ষে এদিনও কলকাতাই। স্বাস্থ্যদপ্তরের এই পরিসংখ্যানে ফের কপালের ভাঁজ চওড়া হচ্ছে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের।

চলতি সপ্তাহটা শ্রেষ্ঠ উৎসবে গা ভাসাতে চলেছে রাজ্যবাসী। সরকারের বেঁধে দেওয়া কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে পুজোর আয়োজন হলেও উৎসবপ্রেমী মানুষজনের দল বেঁধে পুজো দেখতে বেরনো নিয়ে বেশ চিন্তিত পুলিশ কর্তা থেকে প্রশাসনিক মহল। এই জনতার স্রোত কীভাবে সামাল দেওয়া যাবে, কতটা স্বাস্থ্যবিধি মানতে তাঁদের বাধ্য করা যাবে, এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে দফায় দফায় আলোচনা পর্ব চলছে। কিন্তু তারই মধ্যে রাজ্যের করোনা সংক্রমণের পরিসংখ্যানে স্বস্তি দূর অস্ত, অস্বস্তি আর দুশ্চিন্তা বেড়েই চলেছে।

[আরও পড়ুন: চাপের কাছে নতিস্বীকার, মেডিক্যালে দুর্গাপুজোর সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার চিকিৎসকদের]

গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৬৭৭ জন করোনা সংক্রমিত, মৃত্যুর মুখে ৬৪ জন। সংখ্যার নিরিখে যথেষ্ট উদ্বেগজনক। শহর কলকাতাই করোনার কামড়ে সবচেয়ে বেশি কাবু। স্বাস্থ্যদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, কলকাতায় এই মুহূর্তে করোনা রোগীর সংখ্যা ৬৮৭৩। এর পরই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা, যা গোড়া থেকেই করোনার আঁতুড়ঘর। এই জেলা করোনা পজিটিভ ৬৬১৬। সবচেয়ে কম সংক্রমণ কালিম্পং ও ঝাড়গ্রামে। সুস্থতার হার ৮৭.৭৯ শতাংশ।

[আরও পড়ুন: উৎসবের মরশুমে বাড়ছে যাত্রীচাপ, সামাল দিতে দিনের শেষ মেট্রোর সময় ফের বদল]

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনার নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৪২, ৫৪৯টি। এ নিয়ে মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা ছাড়াল ৩৭ লক্ষ ৭৫ হাজার ৮০০। যদিও উৎসবের মরশুমে করোনা চিকিৎসা পরিষেবা যথাযথ রাখতে অতিরিক্ত স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ করছে রাজ্য সরকার। সরকারি হাসপাতালে বাড়ানো হচ্ছে শয্যা সংখ্যা, আইসিইউ-র সংখ্যাও। বাতিল হয়েছে চিকিৎসক, নার্স-সহ সমস্ত স্বাস্থ্যকর্মীর ছুটি। তা সত্ত্বেও কীভাবে সংক্রমণ আটকানো যাবে, তা নিয়ে চিন্তা থাকছেই। 

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement