BREAKING NEWS

৯ আশ্বিন  ১৪২৭  রবিবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

করোনা আতঙ্কে বাতিল আন্তর্জাতিক বিমান, কর্মীদের বেতনহীন ছুটিতে পাঠাল GoAir

Published by: Paramita Paul |    Posted: March 18, 2020 3:21 pm|    Updated: March 18, 2020 3:43 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনার সংক্রমণ রুখতে বিদেশ ভ্রমণের উপর কার্যত নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে বিমান পরিষেবার উপর। ইতিপূর্বে এয়ার ইন্ডিয়া, ইন্ডিগোর মতোন সংস্থাগুলি আগেভাগেই তাদের আন্তর্জাতিক বিমান বাতিল করেছে। এবার সেই পথেই হাঁটল গো এয়ার। ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত তাদের আন্তর্জাতিক পরিষেবা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শুধু তাই নয়, এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত সংস্থার কর্মীদের বেতন বন্ধ (leave without pay) রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যার জেরে চূড়ান্ত বিপাকে পড়েছেন কর্মীরা।

সংক্রমণ রুখতে ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে প্রায় সমস্ত দেশই। আর তার জেরে ধাক্কা লেগেছে আন্তর্জাতিক বিমান পরিষেবায়। বুধবার এয়ার ইন্ডিয়ার লন্ডন, ভিয়েনা, ফ্রাঙ্কফুটের বিমান বাতিল করা হয়েছে। বুধবার থেকে ইন্ডিগো বিমান কর্তৃপক্ষ দিল্লি-ইস্তানবুল, চেন্নাই-কুয়ালালামপুর বিমান বাতিল করেছে। এই পরিষেবা আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ রাখা হবে বলে খবর। বিশ্বজুড়ে এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে আগামী বছরের শেষের দিকে বিমান সংস্থাগুলি দেউলিয়া হয়ে যাবে বলে আশঙ্কা করেছে CAPA। এমন পরিস্থিতিতে এ হেন সিদ্ধান্ত নিল GoAir।

[আরও পড়ুন : সচেতনতা ছাপিয়ে আতঙ্ক, কোয়ারেন্টাইন সেন্টার থেকে উধাও লুধিয়ানার ১৬৭ জন]

চিনের ইউহান প্রদেশের সামুদ্রিক বাজার থেকে ছড়ানো এই মারণ রোগ এখন বিশ্বব্যাপী মহামারি। কোভিড-১৯ এর করাল গ্রাসে বিশ্বের ১৬০টি দেশ। মৃতের সংখ্যা পৌঁছে গিয়েছে সাড়ে আট হাজারের কাছে। সংক্রামিত প্রায় ২ লক্ষ। ব্যতিক্রম নয় ভারতও। যদিও আক্রান্তের সংখ্যা দেড়শোর মধ্যে সীমাবদ্ধ রয়েছে। সংক্রমণ রুখতে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার। চলছে কড়া নজরদারি। করোনা আতঙ্কে বড় জমায়েতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে কেন্দ্র। বেশ কিছু শহরে জারি হয়েছে ১৪৪ ধারা। 

[আরও পড়ুন : করোনা আতঙ্কের মাঝেই স্বস্তির বাণী, ইতিমধ্যেই সুস্থ ভারতের ১০ শতাংশ আক্রান্ত]

মঙ্গলবার গো এয়ার প্রথম বিমান কর্তৃপক্ষ যারা কর্মীদের বেতন ছাড়াই ছুটিতে পাঠাচ্ছে। তাঁদের তরফে জানানো হয়েছে, “আমরা জানি এই সিদ্ধান্ত কর্মীদের উপর আর্থিক বোঝা চাপাবে। তবে আমরা দেখছি অন্যান্য দেশের সংস্থাগুলি তাদের কর্মীদের পাশে থাকতে কী সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।”

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement