ক্ষীরোদ ভট্টাচার্য: দেড় বছর বিরতির পর ফের বঙ্গে কোভিডের শিকার। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসের দাপটে (Coronavirus) রাজ্যে মৃত্যু হল একজনের। আক্রান্ত মোট ১৫ জন। এদের মধ্যে এক শিশুও রয়েছে। আর এই তথ্যেই বাড়ছে উদ্বেগ। কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, এই মুহূর্তে দেশে কোভিড সংক্রমণ পেরিয়েছে ৪ হাজারের গণ্ডি। তার মধ্যে বাংলার পরিস্থিতি কিছুটা ভালো। এখানে সংক্রমণ তুলনায় কম। তবে একজনের মৃত্যুর খবরে আরও সচেতন রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তর।
স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যে করোনায় মৃত্যু হওয়া ওই ব্যক্তি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন। সঙ্গে ছিল শ্বাসকষ্ট ও জ্বরের উপসর্গ। কলকাতার বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে তাঁর। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে মোট আক্রান্ত ১৫। অ্যাকটিভ কেস ১০, ৩ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। কোভিড (COVID-19) আক্রান্তদের মধ্যে ৬ মাসের এক শিশুও রয়েছে। সে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে (Calcutta Medical College) পেডিয়াট্রিকস বিভাগে ভেন্টিলেশনে রয়েছে। জানা গিয়েছে, মেনিনজাইটিস উপসর্গ নিয়ে বিহার থেকে হাওড়ায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়। সেখান থেকে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তাকে পাঠানো হয়েছে। বাকি আক্রান্তরা শহরের বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
[আরও পড়ুন: ঘন কুয়াশায় বিপর্যস্ত পরিষেবা, দিল্লি বিমানবন্দরের যাত্রীদের জন্য বড় ঘোষণা এয়ার ইন্ডিয়ার]
কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য মেনে নিয়ে রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর ওই হাসপাতালে মেডিক্যাল টিম পাঠিয়েছে। মৃত ব্যক্তির লালারসের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। বাকি আক্রান্তদেরও লালারস সংগ্রহ করে জিনোম সিকোয়েন্সিং (Genom Sequencing)এর জন্য পাঠানো হয়েছে। স্বাস্থ্যদপ্তরের এক কর্তা জানিয়েছেন, কোভিড মোকাবিলায় টেস্টিং-ট্রিটিং ও জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের উপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
[আরও পড়ুন: আর্থিক প্রতারণা মামলায় ইডির চার্জশিটে প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর নাম! লোকসভার আগে মাথায় হাত কংগ্রেসের]
সর্বশেষ খবর
-
সোশাল মিডিয়ায় আলাপ, ভিনরাজ্যে ‘ধর্ষণে’র শিকার বঙ্গকন্যা, প্রভাব খাটিয়ে জেলমুক্ত যুবক!
-
কঠিন সময়ে অলকাকে বিশেষ বার্তা শানু ও শানের, কী বললেন তাঁরা?
-
ভারতে ঢুকেছিল তিনটি পাকিস্তানি বিমান, এয়ার ইন্ডিয়া বিপত্তির এক সপ্তাহ আগে
-
সারান্ডায় তাড়া খেয়ে বাংলামুখী, ১৪ বছর পর ‘ঘরে’ই আশ্রয় নাকি আত্মসমর্পণ মাওবাদী আকাশের?
-
তারাতলার গুদাম নির্মাণে ‘কুখ্যাত’ আসগর, বিপর্যয়ের বহু আগেই বন্দর কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছিল বাম কর্মী ইউনিয়ন