Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
WHO করোনা

‘শুধুমাত্র লকডাউন করে করোনা রোখা যাবে না’, উদ্বেগের কথা শোনাল WHO

করোনা রুখতে নতুন নির্দেশ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৬, ২০২০, ১১:৩০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৬, ২০২০, ১১:৩০

options
link
‘শুধুমাত্র লকডাউন করে করোনা রোখা যাবে না’, উদ্বেগের কথা শোনাল WHO zoom
ফাইল চিত্র।
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা ভাইরাস রুখতে শুধু লকডাউন উপযুক্ত পন্থা নয়। বুধবার এমনই উদ্বেগের কথা শোনালো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। WHO কর্তা টেডরোজ আধানম গেবিয়াসেস (Tedros Adhanom) বলছেন, শুধুমাত্র লকডাউনের মাধ্যমে এই মহামারি প্রতিরোধ করা যাবে না। করোনা ভাইরাস সংক্রমণ আটকাতে আমাদের আক্রমণাত্মক পদক্ষেপ করতে হবে।

Corona-Test

Advertisement

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (World Health Organization) তরফে করোনা সংক্রান্ত দৈনিক যে বিবৃতি দেওয়া হয়, তাতে গেবিয়াসেস বলছেন, “করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ কমাতে অনেক দেশই লকডাউনের পথে হাঁটছে। কিন্তু শুধু এই পদ্ধতি মহামারি আটকাতে পারবে না। বিশ্বের সব দেশকে আহ্বান করছি, আমরা আরেকটা সুযোগ পেয়েছি। এই সুযোগে ভাইরাসকে আক্রমণ করুন।” বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কর্তা বলেন, “মানুষকে ঘরে বসে থাকতে বলা, এবং জনসাধারণের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করার মাধ্যমে আমরা কিছুটা বাড়তি সময় পেয়েছি এবং চিকিৎসা ব্যবস্থার ওপর চাপ খানিকটা কমানো গিয়েছে। এখন আক্রমণাত্মকভাবে এই ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের খুঁজে বার করতে হবে। তাঁদের আইসোলেট করতে হবে এবং চিকিৎসা করতে হবে। এটা যে শুধু আমাদের সামাজিক এবং আর্থিক নিষেধাজ্ঞা থেকে বাঁচাবে তাই নয়, একইসঙ্গে মহামারি আটকানোরও এটাই শ্রেষ্ঠ পন্থা।

[আরও পড়ুন: ‘চারিদিকে শ্মশানের নিস্তব্ধতা’, করোনা পরিস্থিতি নিয়ে ইটালি থেকে লিখলেন বালিগঞ্জের মেয়ে]

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার দেশজুড়ে ২১ দিনের লকডাউন ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই সিদ্ধান্ত ঘোষণার সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঘরে বসে থাকা এবং সামাজিক দূরত্বই করোনাভাইরাস আটকানোর একমাত্র পন্থা। শুধু ভারত নয় বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশ এই ভাইরাস আটকাতে লকডাউনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কিন্তু বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, শুধু লকডাউন নয়, এবার আরও আক্রমণাত্মক পদক্ষেপ করতে হবে। সেক্ষেত্রে প্রয়োজন পরিকাঠামো। আরও বেশি সংখ্যক মানুষের শারীরিক পরীক্ষা। আরও বেশি সংখ্যক রোগীর চিকিৎসার ব্যবস্থা করা। ভারতের মতো দেশের পক্ষে আদৌ এই ধরনের পরিকাঠামো তৈরি সম্ভব কিনা, তা নিয়ে অবশ্য বড়সড় প্রশ্ন চিহ্ন থেকেই যাচ্ছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.