সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনার ছোবলে বিধ্বস্ত ভারত। লকডাউন করে সংক্রমণ রোখার মরিয়া প্রচেষ্টা কেন্দ্রের। অথচ লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। এমন পরিস্থিতিতে ৮ এপ্রিল সর্বদলীয় বৈঠক ডেকেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার আগে রবিবার দেশের প্রাক্তন দুই রাষ্ট্রপতি ও প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীদের ফোন করলেন নরেন্দ্র মোদি। পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা, বিহার-সহ একাধিক রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও বিরোধী রাজনৈতিক নেতাদের ফোন করেন তিনি। সেই আলোচনায় দেশের কঠিন পরিস্থিতিতে সকলকে একসঙ্গে লড়াই করার আবেদন জানান প্রধানমন্ত্রী। এদিন তিনি কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধীকেও ফোন করেন বলে খবর।
He also called up leaders of various political parties like Sonia Gandhi, Mulayam Singh Yadav, Akhilesh Yadav, Mamata Banerjee, Naveen Patnaik, K Chandrashekar Rao, MK Stalin and Parkash Singh Badal. #Coronavirus https://t.co/V7hL8FIh5F
Advertisement— ANI (@ANI) April 5, 2020
[আরও পড়ুন : তবলিঘি জামাত যোগ, পালানোর সময় বিমানবন্দরে পাকড়াও ৮ বিদেশি নাগরিক]
ভারতের পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হচ্ছে বলে দাবি করছেন বিশেষজ্ঞরা। লকডাউন করেও প্রত্যাশামতো সংক্রমণ আটকানো যায়নি। ফলে লকডাউন আরও বাড়ানোর পরামর্শ দিচ্ছেন অনেকে। এদিকে লকডাউন বাড়লে আর্থিক দিক থেকে বিশাল ক্ষতি হবে বলে মত বিশেষজ্ঞদের। এদিন প্রাক্তন দুই রাষ্ট্রপতি প্রতিভা পাটিল ও প্রণব মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করেন মোদি। সূত্রের খবর, পরিস্থিতি মোকাবিলায় তাঁদের কাছ থেকে পরামর্শ চান প্রধানমন্ত্রী। এরপর প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি গৌড়া ও মনমোহন সিংকেও ফোন করেন তিনি। তাঁদের সঙ্গে দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন। কীভাবে পরিস্থিতির মোকাবিলা করা যেতে পারে তা নিয়েও পূর্বসূরিদের সঙ্গে টেলিফোনে আলোচনা সারেন। প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজে গোটা পরিস্থিতির উপর নজর রাখছেন। নিয়মিত রাজ্যগুলির সঙ্গেও যোগাযোগ করছেন। এমনকী ক্যাবিনেট মন্ত্রীরা প্রতিদিন তাঁকে পরিস্থিতির রিপোর্ট দিচ্ছেন।
PM Narendra Modi today called 2 former Presidents Pranab Mukherjee & Pratibha Patil and had a discussion on #COVID19 related issues. He similarly called 2 former Prime Ministers Manmohan Singh & HD Deve Gowda to discuss COVID-19. pic.twitter.com/w4aKE8gz8r
— ANI (@ANI) April 5, 2020
[আরও পড়ুন : তবলিঘি জামাত যোগ, পালানোর সময় বিমানবন্দরে পাকড়াও ৮ বিদেশি নাগরিক]
রবিবার খোদ প্রধানমন্ত্রী একাধিক রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের ফোন করেন। তাঁদের থেকে পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চান। সুবিধা-অসুবিধা নিয়েও কথা বলেন। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন তিনি। এর আগে করোনা মোকাবিলায় রাজ্যের পদক্ষেপের প্রশংসা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সূত্রের খবর, প্রধানমন্ত্রীর ডাকা সর্বদলীয় বৈঠক হাজির থাকবেন না তৃণমূল নেতৃত্ব। এদিন তা নিয়ে কোনও কথা হয়েছে কিনা, জানা যায়নি। রাজনৈতিক দূরত্ব থাকা সত্ত্বেও এদিন কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী, অখিলেশ যাদব, স্ট্যালিনের সঙ্গেও কথা বলেন মোদি। তাঁদের সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলায় আগামী পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হয়। আজ রাত নটায় দেশের নাগরিকদের বাড়ির আলো নিভিয়ে প্রদীপ, মোমবাতি, টর্চ জ্বালানোর ডাক দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সেই কর্মসূচিতে কি এই রাজনৈতির নেতারা যোগ দেবেন, তা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কোনও কথা হয়েছে কি না তা স্পষ্ট নয়।
সর্বশেষ খবর
-
আঞ্চলিক মিষ্টির জিআই ট্যাগ নিয়ে তৎপর বঙ্গ বিজেপি! ‘মিষ্টি হাব’ তৈরিরও পরিকল্পনা শমীকদের
-
এবার সপ্তাহে ৬ দিনই শান্তিনিকেতনে ‘হেরিটেজ ওয়াক’, দ্রুত টিকিট মিলবে অনলাইনেও
-
লরি চাপা পড়ে মাইকেল ক্লার্কের গাড়ি! আইপিএল শেষে বিমানবন্দর যাওয়ার পথে দুর্ঘটনা
-
নিজের নিরাপত্তা দিতে চেয়েছিলেন মমতা! এবার এনআইয়ের হাতে গ্রেপ্তার ‘মাছ চোর’ শওকত
-
সমাজকে আদর্শের আয়না দেখায় ‘গোর্কির মা’, কেমন হল? পড়ুন রিভিউ