১৪ আশ্বিন  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ১ অক্টোবর ২০২০ 

Advertisement

গানই হাতিয়ার, বাজারে ঘুরে মুখ্যমন্ত্রী ত্রাণ তহবিলের অর্থ জোগাড় করছে খুদে শিল্পী

Published by: Paramita Paul |    Posted: April 17, 2020 10:13 pm|    Updated: April 17, 2020 10:13 pm

An Images

জ্যোতি চক্রবর্তী, বনগাঁ: লকডাউন নিয়ে মানুষকে সচেতন করতে অভিনব উদ্যোগ। রাস্তায় নেমে গান গেয়ে সচেতনতার বার্তা দিচ্ছে গোবরডাঙার ৬ বছরের মেয়ে দেবাঙ্কিতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার গান শুনে দাঁড়িয়ে পরছে পথচলতি মানুষ।তাঁদের  সচেতনবার্তা দেওয়ার পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের জন্য অর্থ সংগ্রহও করছে ওই খুদে শিল্পী।

পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, বাবা, মায়ের একমাত্র মেয়ে বছর দুয়েক ধরে গানের সঙ্গে যুক্ত। লেখাপড়ার পাশাপাশি একাধিক গানের অনুষ্ঠানও করে দেবাঙ্কিতা। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে দেশজুড়ে লকডাউন চলছে। তবুও বহু মানুষ রাস্তায় বেরিয়ে পড়ছে৷ আর সেই সব মানুষকে সচেতন করতে বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে-ঘুরে গান গাইছে খুদে শিল্পী। কখনও বসিরহাট, বাদুড়িয়া আবার কখনও বনগাঁ, হাবড়া, গাইঘাটার বিভিন্ন প্রান্তের বাজারগুলিতে গিয়ে করোনা ভাইরাস নিয়ে মানুষকে সচেতন করছে সে। গান গেয়ে মানুষের কাছে হাত পেতে ভিক্ষাও চাইছে৷ মেয়ের সঙ্গে বিভিন্ন এলাকায় ঘুরছেন বাবা দেবব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়৷ শুক্রবার বেড়াচাঁপা বাজারে দাঁড়িয়ে গান করে ওই খুদে। সংগৃহীত প্রায় ৮ হাজার টাকা এদিন বিকেলে বাদুড়িয়া থানার পুলিশ আধিকারিক বাপ্পা মিত্রের হাতে তুলে দেয়।

[আরও পড়ুন : মুখে মাস্ক, হাতে স্যানিটাইজার! লকডাউনে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে অভিনব বিয়ে]

বাবা দেবব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “দেবাঙ্কিতা দিন সাতেক ধরে গান গেয়ে পাওয়া ভিক্ষার টাকা এলাকার প্রশাসনিক কর্তাদের হাতে তুলে দিচ্ছে। বুধবার ও বৃহস্পতিবার বসিরহাট বাদুড়িয়া বাজার এলাকায় সংগৃহীত প্রায় হাজার ৫০ হাজার টাকা বসিরহাট ও বাদুড়িয়া থানার পুলিশ আধিকারিকের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।” দেবাঙ্কিতা জানায়, তার উদ্দেশ্য গান গেয়ে সচেতনতা প্রচার। মানুষকে বুঝিয়ে এই করোনা ভাইরাসের হাত থেকে পৃথিবীকে রক্ষা করা ও গরীব মানুষের কল্যাণে মুখ্যমন্ত্রীর ত্রান তহবিলে টাকা তুলে দেওয়া। প্রসঙ্গত,  এর আগেও খেলনা কেনার জন্য জমানো দশ হাজার টাকা মুখ্যমন্ত্রীর করোনা ত্রান তহবিলে দিয়েছিল দেবাঙ্কিতা।

[আরও পড়ুন : করোনা যুদ্ধে জয়, কালিম্পংয়ের মৃতার পরিবারের আক্রান্ত ১০জনই এখন সুস্থ]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement