Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Durga Puja 2026

তারেক জমানাতেও দুর্গাপুজো ঘিরে শঙ্কা! ওপার বাংলায় যেতে নারাজ কুমোরটুলির প্রতিমা শিল্পীরা

কারণ হিসেবে কী জানাচ্ছেন একসময়ে বাংলাদেশে গিয়ে প্রতিমা গড়ার কাজ করা মৃৎশিল্পী?

নিরুফা খাতুন
নিরুফা খাতুন

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৬, ১৫:৪৭

link
নিরুফা খাতুন
নিরুফা খাতুন

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৬, ১৫:৪৭

options
link
তারেক জমানাতেও দুর্গাপুজো ঘিরে শঙ্কা! ওপার বাংলায় যেতে নারাজ কুমোরটুলির প্রতিমা শিল্পীরা zoom
কুমোরটুলিতে আদল পাচ্ছে দুর্গার মুখ, ছবি: অমিত মৌলিক
Advertisement

কুমোরটুলির শিল্পীদের শিল্পকলার খ্যতি বিশ্বজুড়ে। এখানের মৃৎশিল্পীদের গড়া প্রতিমা পুজো পায় দেশ বিদেশেও। অনেক শিল্পী লন্ডন, আমেরিকা, দুবাই মতে দেশে গিয়ে প্রতিমা সাজিয়ে দিয়ে আসেন। প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশে উত্তর কলকাতার কুমোরটুলির শিল্পীদের কদর রয়েছে। কুমিল্লা, খুলনা, যশোরে দুর্গাপুজোর প্রতিমা গড়তে কুমোরটুলি থেকে শিল্পীদের নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁদের বেশ খাতির যত্ন করে রাখা হত সেখানে। কিন্তু হাসিনা সরকারের পতনের পর ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কে চিড় ধরে। কুমোরটুলির শিল্পীদেরও ওপার বাংলায় যাওয়ার পথ বন্ধ হয়ে যায়। বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর পরিস্থিতি অবশ্য কিছুটা পরিবর্তন হয়েছে। পুনরায় ভারত সরকার বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা চালু করেছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও শঙ্কা কাটছে না। এবছরও ওপার বাংলায় যেতে চাইছেন না পটুয়াপাড়ার মৃৎশিল্পীরা।

কুমোরটুলির প্রবীণ শিল্পী সনাতন পাল কুমিল্লায় গিয়ে প্রতিমা তৈরি করে আসতেন। সঞ্জীব পোদ্দার নামে এক বনেদি পরিবারের দুর্গা প্রতিমা তৈরির দায়িত্ব ছিল তাঁর কাঁধে। সনাতনবাবু জানান, ‘‘আমি নিজে পরপর তিন বছর সেখানে গিয়ে প্রতিমা তৈরি করে এসেছি। ওরাই আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল প্রতিমা তৈরি জন্য। পুজোর আগে দু’বার যেতাম। প্রথমে যেতাম এপ্রিলে মাসে দ্বিতীয়বার যেতাম মহালয়ার আগে প্রতিমার গায়ে রঙ করতে। কিন্তু আওয়ামি লিগের পতনের পর আর সেদেশে যাওয়া হয়নি। এবারে ভিসা চালু হলেও আর আমি যোগাযোগ করিনি। ওরাও ফোন করেননি।”

কুমোরটুলির প্রবীণ শিল্পী সনাতন পাল কুমিল্লায় গিয়ে প্রতিমা তৈরি করে আসতেন। সঞ্জীব পোদ্দার নামে এক বনেদি পরিবারের দুর্গা প্রতিমা তৈরির দায়িত্ব ছিল তাঁর কাঁধে। সনাতনবাবু জানান, কুমিল্লার ওই বনেদি বাড়ির পুজো বহু পুরনো। প্রচুর লোকজন আসে। কুমোরটুলি থেকে তাঁরা শিল্পী নিয়ে গিয়ে প্রতিমা তৈরি করত। তাঁর কথায়, ‘‘আমি নিজে পরপর তিন বছর সেখানে গিয়ে প্রতিমা তৈরি করে এসেছি। ওরাই আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল প্রতিমা তৈরি জন্য। পুজোর আগে দু’বার যেতাম। প্রথমে যেতাম এপ্রিলে মাসে দ্বিতীয়বার যেতাম মহালয়ার আগে প্রতিমার গায়ে রঙ করতে। কিন্তু আওয়ামি লিগের পতনের পর আর সেদেশে যাওয়া হয়নি। এবারে ভিসা চালু হলেও আর আমি যোগাযোগ করিনি। ওরাও ফোন করেননি।”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

প্রবীণ এই শিল্পীর কথায়, নতুন সরকার এলেও সেখানে পরিস্থিতি আগের মত নেই বলে অনেকে মনে করছেন। তাই তাঁরাও কেউ এখন যোগাযোগ করছেন না। কুমোরটুলি মৃৎশিল্প ও সংস্কৃতি সমিতির সম্পাদক বাবলু পাল জানান, এখানকার কয়েকজন শিল্পী বাংলাদেশে প্রতিমা তৈরি করতে যেতেন। এখন সরকার ভিসা দিলেও সেদেশের পরিস্থিতির কথা ভেবে মৃৎশিল্পীরা সেখানে প্রতিমা গড়তে যেতে চাইছেন না। যদিও এবছর বাংলাদেশে দুর্গা আরাধনার প্রস্তুতি চরমে। প্রতিমা তৈরি শুরু হয়ে গিয়েছে। চমক দিতে চলেছে সাতক্ষীরা দেশলাই ও রেশম সুতোর তৈরি দশভুজা। তবে কুমোরটুলির ছোঁয়া থেকে এবারও ব্রাত্য থাকছে ওপার বাংলা।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.