১৮ অগ্রহায়ণ  ১৪২৮  রবিবার ৫ ডিসেম্বর ২০২১ 

READ IN APP

Advertisement

বাংলাদশে হিন্দু নির্যাতন নিয়ে তাস খেলার আগে সতর্ক থাকা উচিত বিজেপির

Published by: Monishankar Choudhury |    Posted: October 23, 2021 3:25 pm|    Updated: October 23, 2021 3:25 pm

BJP should tread cautiously before playing Hindu card on Bangladesh minority atrocities | Sangbad Pratidin

ভারতকে বাংলাদেশের ব্যাপারে খুব সচেতনভাবে পা ফেলতে হবে। এমন কিছু করা চলবে না, যাতে শেখ হাসিনা দুর্বল হয়ে পড়েন ও মৌলবাদীদের হাত আরও শক্ত হয়। তাই বিজেপির বাংলাদেশে নিপীড়িত হিন্দুদের নিয়ে তাস খেলতে যাওয়ার সময় সতর্ক হওয়া উচিত। লিখছেন জয়ন্ত ঘোষাল

কুমিল্লার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সমগ্র বাংলাদেশ অশান্ত। বাংলাদেশের পরিস্থিতি সরাসরি পশ্চিমবঙ্গ এবং ত্রিপুরায় প্রভাব ফেলেছে। দেশজুড়ে শাসক দল বিজেপি প্রচার শুরু করেছে যে, বাংলাদেশে হিন্দু সংখ্যালঘুরা আবার নির্যাতিত, নিপীড়িত, আক্রান্ত। এটা শুধু বিজেপি নয়, আরএসএস, বিশ্ব হিন্দু পরিষদ- অর্থাৎ, সামগ্রিকভাবে সংঘ পরিবারের কাছে নিজেদের বক্তব্য প্রচারের মস্ত বড় হাতিয়ার হয়ে উঠছে। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির নেতা এবং বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও বলেছেন যে, সনাতন ধর্মে যাঁরা বিশ্বাসী, তাঁদের বিশ্বাস ইসকন মন্দিরে লাঞ্ছিত হয়েছে। কিন্তু তাঁর প্রশ্ন শেখ হাসিনাকে নিয়ে নয়। যে-দেশে হয়েছে, সে-দেশের প্রধানমন্ত্রীকে তিনি এ ব্যাপারে আক্রমণ করেননি। তিনি আক্রমণ হেনেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। প্রশ্ন তুলেছেন, তিনি কেন নীরব?

[আরও পড়ুন: কাশ্মীরে হঠাৎ আলোর ঝলকানি? অরুণ মিশ্রর শাহ-বন্দনা কতটা যুক্তিযুক্ত]

অবশ্য দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও এ-বিষয়ে কোনও বিবৃতি দেননি। তিনিও নীরব। শুভেন্দু অধিকারী সেই ব্যাপারে অবশ্য কোনও প্রশ্ন তোলেননি। আমার কিন্তু মনে হয়, এইরকম একটা সংবেদনশীল বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী এবং মুখ্যমন্ত্রী দু’জনেই যে নীরবতা পালন করেছেন- তা অত্যন্ত দায়িত্বজ্ঞানসম্পন্ন পদক্ষেপ। ‘বাঙ্ময় নীরবতা’ বলেও একটা শব্দ তো বাংলা অভিধানে আছে।

বিজেপি তথা সংঘ পরিবার বাংলাদেশ নিয়ে যে-রাজনীতি করছে আর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিদেশনীতিতে বাংলাদেশের যে প্রাসঙ্গিকতা- এই দুইয়ের মধ্যে কিন্তু একটা সাংঘাতিক বৈপরীত্য আছে। বিজেপি, বিশেষত পশ্চিমবঙ্গে, কেন বাংলাদেশ নিয়ে এত উত্তাল হয়ে উঠেছে? তার কারণ একটাই এবং তা খুব সহজবোধ্য। পশ্চিমবঙ্গে শতকরা প্রায় ৩০ ভাগ মুসলিম সমাজ আছে। এখানে বিজেপি দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতা দখলের চেষ্টা করছে, বিগত ২০১৯ এবং ২০২১-এর নির্বাচনেও করেছে। তারা সফল হয়নি, কিন্তু ২০২১-এ হেরে যাওয়ার পরেও তারা যে হিন্দু ভোটের মোবিলাইজেশনের রাজনীতি থেকে সরে আসবে না, তা স্পষ্ট।

সুতরাং, শুভেন্দু অধিকারী যেটা করছেন, তা যথার্থ বিজেপি নেতার কাজ। হিন্দুরা আক্রান্ত হয়েছে বাংলাদেশে, এই সুযোগ তিনি কাজে লাগাচ্ছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘বেগম’ অভিহিত করে অতীতেও ‘হিন্দুবিরোধী’ তকমা লাগানোর চেষ্টা করেছেন শুভেন্দু। ২০২১-এ সফলতা না পেলেও তিনি এবং তাঁর দল এখনও সেই লক্ষ্য থেকে সরেনি।

বিজেপিতে তৃণমূল থেকে যাঁরা গিয়েছেন, তাঁরা অনেকেই হতাশ, অনেকেই ফিরে আসছেন। বিজেপিরও অনেকের ব্যাপারে মোহভঙ্গ ঘটেছে। তবে বিজেপি শিবিরে শুভেন্দু অধিকারী কিন্তু খুব দুঃখী ব্যক্তি নন। তিনি বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়েছেন, বিরোধী নেতা হয়েছেন। সাধারণত তৃণমূল বা অন্য কোনও দল থেকে বিজেপিতে এলে একটা অ্যান্টিজেন-অ্যান্টিবডির সমস্যা হয়। এই ধরনের ল্যাটারাল এন্ট্রি থেকে আসা মানুষকে বিজেপি সেরকম গুরুত্ব দিতে চায় না, মুখ্যমন্ত্রী বিবেচনা করা তো দূরের কথা, বিরোধী দলনেতাও করতে চায় না অন্যান্য রাজ্যে। তবে পশ্চিমবঙ্গে যেহেতু বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বের ভয়ংকর সংকট, জেলায় জেলায় সাংগঠনিক দুর্বলতা আছে এবং একটা বাঙালি মুখ সামনে না আনতে পারলে যে তার পরিণতি কী হতে পারে, শুধু মোদি-অমিত শাহ দেখিয়ে পশ্চিমবঙ্গে বিজয়কেতন যে ওড়ানো সম্ভব নয়, সেটাও নেতারা টের পেয়েছেন- সেই কারণে আপাতত বিজেপি শুভেন্দু অধিকারীকেই তাদের ‘লম্বি রেস কি ঘোড়া’ হিসাবে বেছেছে। আগামী বিধানসভা নির্বাচনের আগে শুভেন্দু অধিকারীকে আরও বেশি করে গৈরিক নেতা হিসাবে তুলে ধরতে চাইছে তারা।

শুভেন্দু অধিকারী তথা বিজেপির এই রণকৌশলের লক্ষ্য, মুসলমান ভোট না পেলেও হিন্দু ভোট যাতে ভাগাভাগি না হয় এবং সেটা যাতে বিজেপির দিকে আসে নিশ্চিত করা, ২০২১-এ যা সম্ভব হয়নি।
কিন্তু এই রাজনীতি ২০২১-এ যেভাবে বুমেরাং হয়েছে, এরপরেও যে তা বুমেরাং হবে না- তার কোনও গ্যারান্টি এখনও নেই। এটা একটা সাংঘাতিক রাজনৈতিক ঝুঁকি, যা শুভেন্দু অধিকারী তথা বিজেপি নিচ্ছে। এই ‘ট্রায়াল অ্যান্ড এরর’ করতে করতে অসমে সফলতা এসেছে। কিন্তু এই ফর্মুলায় পশ্চিমবঙ্গে সফলতা আসবে কি না- সেটা কিন্তু এখনই বলা যায় না। তবে শুভেন্দু অধিকারীর বয়স এখন ৫১। সুতরাং, বিজেপি মনে করছে, রাজনীতিতে তাঁর এখনও লং টার্ম। এটা বলা যায় যে, আগামী বিধানসভা নির্বাচনে মূল লড়াইটা হয়তো হয়ে দাঁড়াবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বনাম শুভেন্দু অধিকারী। সেটা সাংবাদিকদের জন্যও চিত্তাকর্ষক হবে।

কিন্তু বাংলাদেশের এই ঘটনার আন্তর্জাতিক একটা প্রেক্ষাপট আছে। সেই প্রেক্ষাপটটা একটু আলোচনা করা যাক। খালেদা জিয়া যখন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, তখনও বাংলাদেশ অশান্ত হয়েছে এবং শেখ হাসিনা যখন প্রধানমন্ত্রী, তখনও হচ্ছে। বাংলাদেশে জামাতদের একটা সাংগঠনিক শক্তি আছে এবং সেটার একটা ভোটব্যাঙ্কও আছে- সে কথা প্রধানমন্ত্রী থাকার সময় মনমোহন সিং বলে বেশ বিপদে পড়ে গিয়েছিলেন। বাংলাদেশে যখন খালেদা প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, তখনও দুর্গাপুজোর সময় হিন্দুদের উপর ভয়াবহ অত্যাচার, ধর্ষণের মতো ঘটনা ঘটেছিল। এমন পরিস্থিতি হয়েছিল, যাতে তৎকালীন প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি এবং ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাডভাইসর ব্রজেশ মিশ্রকে ঢাকা যেতে হয়েছিল। ঢাকার উপর খড়্গহস্ত হয়েছিল বাজপেয়ী সরকার। খালেদা এবং জামাত এখনও একসঙ্গে আছে। কিন্তু শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর তিনি যেভাবে বাংলাদেশকে ধর্মনিরপেক্ষ নীতির দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন এবং যেভাবে বাংলাদেশের অর্থনীতির উন্নতিসাধন করেছেন, জিডিপি বাড়িয়েছেন- তা এখন বিশ্ব ব্যাঙ্ক, আইএমএফ এবং অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন-সহ গোটা পৃথিবীর নানা স্তরের অর্থনীতিবিদরা স্বীকার করছেন, বলছেন।

এই অবস্থায় বাংলাদেশের মৌলবাদীরা কী চাইছে? তারা চাইছে, অনেক দিন ক্ষমতায় থাকার ফলে স্বাভাবিকভাবেই শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে যে অসন্তোষটা মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে, তাকে উসকে দিয়ে, পাশাপাশি ভারত-বিরোধিতার তাস খেলে, তার সঙ্গে সন্ত্রাসকে যুক্ত করে শেখ হাসিনাকে আরও দুর্বল করে দিতে। অর্থাৎ, এখানে টার্গেট কিন্তু শেখ হাসিনা। তাঁকে যেনতেন প্রকারে ক্ষমতাচ্যুত করে খালেদাকে ক্ষমতায় বসানো- এটাই হচ্ছে এই মৌলবাদীদের লক্ষ্য।

বাংলাদেশের এই পরিস্থিতিতে আরও একটা ঘটনা, যা ভারতকে শঙ্কার মধ্যে রেখেছে- তা হল আফগানিস্তানে নতুন তালিবান সরকার। সেই তালিবান সরকারে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী এবং আইএসআইয়ের নিয়ন্ত্রণ। পাকিস্তানের পিছনে রয়েছে চিনের সাংঘাতিক সমর্থন। যদিও চিন তার নিজের দেশের একটি প্রদেশের সন্ত্রাসবাদী ও মৌলবাদীদের নিয়ে খুব পীড়ার মধ্যে দিন কাটায়, তবুও ভারতকে প্যাঁচে ফেলতে, আমেরিকাকে টাইট দিতে চিন আরও বেশি করে পাকিস্তান এবং রাশিয়াকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশের দিকে থাবা বাড়াতে চায়।

করোনা-প্রতিষেধক বাংলাদেশে পৌঁছয়নি বাংলাদেশ পয়সা দেওয়া সত্ত্বেও। অন্যদিকে, বাংলাদেশজুড়ে নতুন একটা প্রজন্ম উঠে আসছে, যারা ’৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের ‘ওয়ার ক্রিমিনাল’-দের শাস্তির চেয়েও অনেক বেশি অগ্রাধিকার দেয় বাংলাদেশের অর্থনীতি, কর্মসংস্থান এবং ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যতকে। সেক্ষেত্রে, ভারত বাংলাদেশের মতো একটা সার্বভৌম রাষ্ট্রকে রিমোট কন্ট্রোল দিয়ে চালাবে- এই দৃষ্টিভঙ্গি যত বেশি করে তৈরি হচ্ছে বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে, তত বেশি করে কিন্তু বাংলাদেশের মানুষের মনোভাব নরেন্দ্র মোদি তথা ভারত সরকারের বিরুদ্ধে যাচ্ছে। সেই বিরোধিতা শেখ হাসিনারও বিরুদ্ধে।

সুতরাং, ভারতকেও এ ব্যাপারে খুব সচেতনভাবে পা ফেলতে হচ্ছে। অর্থাৎ, এমন কিছু করা উচিত নয়, যাতে শেখ হাসিনা দুর্বল হন, মৌলবাদী শক্তি আরও বেশি করে ক্ষমতাশালী হয়। অন্যদিকে, এমন দৃষ্টিভঙ্গিও যদি তৈরি হয় যে, আওয়ামি লিগ সরকারকে নরেন্দ্র মোদি দিল্লিতে বসে নিয়ন্ত্রণ করছেন- তাহলে তাও কিন্তু একটা সাংঘাতিক গোলমেলে ব্যাপার হবে।

আর সেই কারণেই শুভেন্দু অধিকারী তথা বিজেপির বাংলাদেশে নিপীড়িত হিন্দুদের নিয়ে তাস খেলতে যাওয়ার সময় কোথাও একটা লক্ষ্মণরেখাও মানা উচিত। তাদের এটাও ভাবা দরকার যে, এমনভাবে প্রচারটা হওয়া উচিত নয় যেখানে এই উগ্র হিন্দু প্রচারের উলটো পিঠ, অর্থাৎ, মুদ্রার উলটো পিঠ হয়ে দাঁড়াবে বাংলাদেশের জামাত এবং হেফাজতি মৌলবাদীরা শক্তিশালী হবে। যেমন আমাদের দেশে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের প্রচারে মুসলিম লিগ তথা মুসলিম দলগুলি আরও শক্তিশালী হয়। একে অন্যের পরিপূরক হয়ে ওঠে। বিজেপির প্রচারে যদি জামাত শক্তিশালী হয়, তাতে কিন্তু শেখ হাসিনার বিপদ বাড়বে। তা যে নরেন্দ্র মোদি ও ভারতেরও বিপদ- এটাও বুঝতে হবে।

সেই কারণে বাংলাদেশের ব্যাপারে যদি নরেন্দ্র মোদি-মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঐকমত্যে এসে দাঁড়াতে পারেন, যদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে শতকরা ৩০ ভাগ মুসলমান সুরক্ষিত থাকে, তা মঙ্গলের। মুসলিম সমাজের বুদ্ধিজীবী এবং নাগরিক সমাজ বিবৃতি দিয়ে এ-ঘটনার নিন্দা করেছে, সেটা কিন্তু ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক।

২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর বাংলাদেশের একটি চ্যানেল আমাকে জিজ্ঞাসা করেছিল, ভোটের সময় অনুপ্রবেশ নিয়ে নরেন্দ্র মোদি যেভাবে সাংঘাতিক কট্টর রাজনৈতিক লাইন নিয়েছিলেন, তাতে তো এবার বাংলাদেশের বিপদ বাড়ল। মোদি জমানায় তাহলে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক কী হবে? তখনই আমার মনে হয়েছিল যে, রাজনৈতিক প্রচারের সময়, ভোটের সময় রাজনৈতিক দল নিশ্চয়ই তার ইস্তাহার, বক্তব্য ইত্যাদি পেশ করে। কিন্তু সরকার চালানোর সময় আন্তর্জাতিক রাজনীতির প্রেক্ষাপটে কোনটা এখন করা হবে আর কোনটা এখন করা হবে না- তার বিবেচনা কিন্তু হয় অন্য প্রিজম দিয়ে। সেটা দলীয় রাজনীতির প্রিজম দিয়ে হয় না।

[আরও পড়ুন: শাহরুখপুত্র আরিয়ান কি রাজনীতির শিকার?]

আমার মনে হয়, এই ঘটনাকে যদি আমরা খুব মায়োপিক অ্যাপ্রোচ নিয়ে দেখি, খুব ক্ষুদ্র স্থানিক জায়গা থেকে দেখি, তাহলে আমরা ভারতের প্রকৃত জাতীয়তাবাদী হব না। আমি মনে করি, সনাতন ধর্ম নিশ্চয়ই আছে এবং থাকবে। আমিও একজন হিন্দু এবং সনাতন ধর্মে আমিও বিশ্বাস করি। আমি জাতীয়তাবাদী তখনই হতে পারব, যখন আমি বাংলাদেশ তথা প্রতিবেশী রাষ্ট্রের যথাযথ বন্ধু হতে পারব। এখন যদি আমি জঙ্গিদের তৎপরতা বৃদ্ধিতে চিৎকার করি, তাহলে কাকে আমি ঘুসিটা মারছি? বাংলাদেশ নিয়ে চিৎকার করতে গেলে আমাকে তো সেই শেখ হাসিনা সরকারকেই আঘাত করতে হবে! পশ্চিমবঙ্গ সরকার বা মোদি সরকারকে বলে লাভ নেই। আর মোদি সরকারকে তো আমরা বলতে পারি না, বাংলাদেশে এমনটা ঘটছে, তাই আফগানিস্তানের সঙ্গে যে রকমভাবে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে দিয়েছে ভারত, সেভাবে বাংলাদেশের সঙ্গেও কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করা হোক! আমাদের দেশের হিন্দুত্ববাদীরা এই সহজ কথাটি না বুঝলে বিপদ মোদি তথা ভারতের!

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে