Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Interim Budget

জনকল্যাণই অগ্রাধিকার, অন্তর্বর্তী বাজেটে স্পষ্ট করে দিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের সরকার

জনকল‌্যাণই অগ্রাধিকার হওয়া উচিত কল‌্যাণমূলক রাষ্ট্রের, তা এবারের অন্তর্বর্তী বাজেটের মধ‌্য দিয়ে স্পষ্ট করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ‌্যায়ের সরকার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬, ১৭:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬, ১৭:৩৪

options
link
জনকল্যাণই অগ্রাধিকার, অন্তর্বর্তী বাজেটে স্পষ্ট করে দিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের সরকার zoom
ফাইল চিত্র

সামনেই বাংলায় বিধানসভার ভোট। সে-কারণে এবার রাজে‌্য পেশ করা হয়েছে চার মাসের অন্তর্বর্তী বাজেট। ভোটের পর হবে পূর্ণাঙ্গ বাজেট। কিন্তু চার মাসের অন্তর্বর্তী বাজেটেই মমতা বন্দে‌্যাপাধ‌্যায় তঁার সরকারের দিশা স্পষ্ট করেছেন। বিশ্বজুড়ে সরকারগুলি যখন তেলা মাথায় তেল দিতে ব‌্যস্ত, তখন একমাত্র মমতা বন্দে‌্যাপাধ‌্যায়ই দেখালেন সরকারের অার্থিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রে রাখা যায় গরিব, প্রান্তিক ও সাধারণ মানুষকে।

রাজে‌্য যে অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করা হয়েছে তার মূল লক্ষ‌্যই গরিব, প্রান্তিক ও সাধারণ মানুষের উন্নয়ন। ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’-এ উপকৃত রাজে‌্যর প্রায় অাড়াই কোটি মহিলা। তঁাদের মাসিক ভাতা ৫০০ টাকা করে বাড়িয়েছেন মুখ‌্যমন্ত্রী। এবার বেকার তরুণদের কথা মাথায় রেখে বাজেটে ‘বাংলার যুবসাথী’ নামে নতুন প্রকল্প চালু করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। প্রথম বছরেই এই প্রকল্পে ৩০ লক্ষ উপকৃতকে মাসে দেড় হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। মুখ‌্যমন্ত্রী তঁার সরকারের বাজেটে ভাতা বাড়িয়েছেন অাশা কর্মী, অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী, পার্শ্বশিক্ষক, সিভিক ভলান্টিয়ার, গ্রিন পুলিশ থেকে শুরু করে সমস্ত প্রান্তিক ও সাধারণ কর্মজীবী মানুষের।

Advertisement

দেশের যে বিশাল কর্মীবাহিনী তার ৯৫ শতাংশই এখন অসংগঠিত ক্ষেত্রে যুক্ত। মুখ‌্যমন্ত্রী চেয়েছেন তঁার শতাধিক সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প যেন অসংগঠিত ক্ষেত্রে যুক্ত রাজে‌্যর এই কোটি কোটি মানুষের প্রতে‌্যককে ছুঁয়ে যায়। বিপুল সংখ‌্যক সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীদের জন‌্য বাজেট থেকেই ৪ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা ঘোষণা করা হয়েছে। কৃষকদের জন‌্য রাজে‌্য ‘কৃষকবন্ধু’ প্রকল্প রয়েছে। বিপুল সংখ‌্যক খেতমজুরের জন‌্য মুখ‌্যমন্ত্রী বার্ষিক অনুদানের কথা ভেবেছেন।

ভাবা হয়েছে ‘গিগ’-কর্মীদের কথাও। রাজ‌্য সরকার এই ‘গিগ’-কর্মীদের অপাতত স্বাস্থ‌্যসাথী প্রকল্পের অাওতায় নিয়ে অাসছে। পরে ধাপে ধাপে আনা হবে অন‌্য সব সামাজিক প্রকল্পের ঘেরাটোপে। সমাজে যঁারা ৯৫ শতাংশ– তঁাদের হাতে অর্থ ও অন‌্যান‌্য সুবিধা পৌঁছে দিলেই যে প্রকৃত সামাজিক ও অার্থিক উন্নয়ন ঘটা সম্ভব, তা এবারের রাজ‌্য বাজেটের ছত্রে ছত্রে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। লক্ষীর ভাণ্ডারের মাধ‌্যমে বা অন‌্যান‌্য ভাতার মাধ‌্যমে সরকার প্রান্তিক ও সাধারণ মানুষের হাতে যে টাকা তুলে দিচ্ছে তা ঘুরপথে এসে বাজারে পণে‌্যর চাহিদা তৈরি করবে। চাহিদা বৃদ্ধি ঘটলেই উৎপাদন ও কর্মসংস্থান বাড়া সম্ভব। উন্নয়নের এই বিকল্প ও শক্তিশালী মডেলের চর্চাই এবারের বাজেটে দেখা গেল।

এই মডেলে যে রাজে‌্যর উন্নয়ন সম্ভব– তা বোঝা যাচ্ছে প্রতি বছর রাজে‌্যর নিজস্ব রাজস্ব বৃদ্ধির মধ‌্য দিয়ে। এবারের অন্তর্বর্তী বাজেটে দেখা গিয়েছে, রাজে‌্যর নিজস্ব অায় গত ১৫ বছরে ৬ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। রাজে‌্য ব‌্যবসা-বাণিজ‌্য বেড়েছে বলেই সরকারের পক্ষে অতিরিক্ত অায় করা সম্ভব হয়েছে। কারণ রাজ‌্য সরকারের রাজস্ব পরোক্ষ কর থেকেই অাসে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.