Advertisement
Advertisement
BJP in Bengal

বঙ্গে ফুটেছে আশা‘পদ্ম’, শুভেন্দুর মুখে ‘চরৈবেতি’, কর্মসংস্থানের মাধ্যমে প্রকৃত উন্নয়নই চ্যালেঞ্জ

‘উন্নয়ন’ বলতে সঠিকভাবে কী বোঝায় তা নিয়ে কয়েক শতক ধরে অর্থনীতিবিদদের মধ্যে বিতর্ক রয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৯, ২০২৬, ১৬:৪১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৯, ২০২৬, ১৬:৪১

options
link
বঙ্গে ফুটেছে আশা‘পদ্ম’, শুভেন্দুর মুখে ‘চরৈবেতি’, কর্মসংস্থানের মাধ্যমে প্রকৃত উন্নয়নই চ্যালেঞ্জ zoom
রাজ্যে পালাবদলে শুভেন্দু অধিকারীর কাঁধে অনেক চ্যালেঞ্জ। গ্রাফিক্স: সোমোশ্রী দাস

বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টির পথে এগিয়ে উন্নয়নের রাস্তা নির্মাণ রাজ্যের নবনির্বাচিত সরকারের মন্ত্র হোক, এটাই রাজ্যবাসীর কামনা।

রাজ‌্যবাসীর অপরিসীম প্রত‌্যাশার উপর দাঁড়িয়ে আজ শপথ নিল নতুন সরকার। শপথের জন‌্য এবার ঐতিহাসিক ব্রিগেড প‌্যারেড ময়দানকে বেছে গোড়াতেই এই সরকার ‘পরিবর্তন’-কে একটি নতুন মাত্রা দিতে চাইল বিজেপি (BJP in Bengal)। কিন্তু বিষয়টি শুধু অপটিক্স নির্মাণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। পরিবর্তন ঘিরে মানুষের যে আশা-আকাঙ্ক্ষা রয়েছে, তা শুরু থেকেই পূরণ করার বিষয়ে নতুন সরকারকে আন্তরিকভাবে সচেষ্ট ও নমনীয় থাকতে হবে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

রাজ‌্যবাসীর প্রথম ও প্রধান চাহিদা: রাজ্যের দ্রুত উন্নয়ন। এই ‘উন্নয়ন’ বলতে সঠিকভাবে কী বোঝায় তা নিয়ে কয়েক শতক ধরে অর্থনীতিবিদদের মধ্যে বিতর্ক রয়েছে। ধ্রুপদী অর্থনীতিবিদরা মনে করতেন ‘উন্নয়ন’ মানে শুধুমাত্র দেশের সম্পদ বাড়িয়ে যাওয়া। কিন্তু পরে ‘কল‌্যাণমূলক রাষ্ট্র’র ধারণাটি সামনে এসেছে। যে ধারণায় সম্পদ সৃষ্টির সঙ্গে সঙ্গে তা বণ্টনের কাজটিও অগ্রাধিকার পায়। বর্তমানের ‘নব‌্য উদারবাদী’ অর্থনীতি যদিও ‘উন্নয়ন’ বলতে জিডিপি বৃদ্ধিকেই প্রাধান‌্য দেয়। ভারতের মতো তৃতীয় বিশ্বের দেশে শুধু জিডিপি বৃদ্ধি কখনওই উন্নয়নের মন্ত্র হতে পারে না।

অট্টালিকা ও শহরাঞ্চলের চাকচিক‌্য বৃদ্ধি উন্নয়নের সূচক হতে পারে না। কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে গ্রাম ও শহরে লগ্নি আনতে হবে। নিঃসন্দেহে কঠিন। সঠিকভাবে সরকারের কোন নীতি লগ্নি আনার ক্ষেত্রে সহায়ক হয়, তা নির্ণয় করাও সহজ নয়। কিন্তু এই কঠিন কাজের মধ্যেই লুকিয়ে সরকারের দীর্ঘকালীন সাফল্যের চাবিকাঠি।

কারণ ঐতিহাসিকভাবে ভারতের মূল সমস‌্যা: দারিদ্র। এটি দূর করতে গেলে সব মানুষের হাতে কাজের ব‌্যবস্থা করতে হবে। দেশবাসীকে কাজ দিতে না পারলে সম্পদের সুষম বণ্টন সম্ভব নয়। জনবহুল এই দেশে প্রত্যেকের হাতে কাজের ব‌্যবস্থা করা যে সহজ নয় তা বলা বাহুল‌্য। পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান সৃষ্টি সারা দেশের সামনে একটি বড় চ‌্যালেঞ্জ। যে-সরকার যখনই ক্ষমতায় থেকেছে তখনই তাকে এই চ‌্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছে। রাজ‌্যগুলির ক্ষেত্রে তো এটা সত্যি বটেই। ফলে কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে কেন্দ্র করে যদি নতুন সরকার উন্নয়ন পরিকল্পনা রচনা করে, সেটাই হবে রাজ‌্যবাসীর প্রত‌্যাশা পূরণের পথে যথার্থ পদক্ষেপ।

অট্টালিকা ও শহরাঞ্চলের চাকচিক‌্য বৃদ্ধি উন্নয়নের সূচক হতে পারে না। কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে গ্রাম ও শহরে লগ্নি আনতে হবে। নিঃসন্দেহে কঠিন। সঠিকভাবে সরকারের কোন নীতি লগ্নি আনার ক্ষেত্রে সহায়ক হয়, তা নির্ণয় করাও সহজ নয়। কিন্তু এই কঠিন কাজের মধ্যেই লুকিয়ে সরকারের দীর্ঘকালীন সাফল্যের চাবিকাঠি।

ভোটের ইস্তেহারে রাজ্যের ‘উন্নয়ন’ নিয়ে নিজেদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষার্থে বিজেপি বেশ কিছু প্রকল্প যে দ্রুত ঘোষণা করবে তা ধরেই নেওয়া যায়। রাজ‌্য বিজেপির নবগঠিত পরিষদীয় দলের প্রথম বৈঠকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর আশ্বাস দিয়েছেন, রাজ‌্যবাসীর প্রত‌্যাশা তাঁরা কোনওভাবেই ভঙ্গ হতে দেবেন না। নতুন মুখ‌্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন তাঁর মন্ত্র – চরৈবেতি। বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টির পথে এগিয়ে চলাই তাঁর মন্ত্র হোক, এটাই রাজ‌্যবাসীর কামনা। প্রভূত কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা গেলে রাজ্যের প্রকৃত ‘উন্নয়ন’ সম্ভব হবে। এই পথে হাঁটলে রাজ্যের উন্নয়নকে শক্ত ভিতের উপরেও দাঁড় করানো যাবে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.