Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬
সংবাদমাধ্যম করোনা

হাতিয়ার সচেতনতার প্রচার, করোনার গ্রাস থেকে বহু মানুষের প্রাণ বাঁচিয়েছে সংবাদমাধ্যম

সংবাদমাধ্যম না থাকলে কী হত ভেবে দেখেছেন কখনও?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৩, ২০২০, ১১:৫৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৩, ২০২০, ১১:৫৫

options
link
হাতিয়ার সচেতনতার প্রচার, করোনার গ্রাস থেকে বহু মানুষের প্রাণ বাঁচিয়েছে সংবাদমাধ্যম zoom
Advertisement

শুভজিৎ মণ্ডল: ‘দালাল’, ‘পক্ষপাতদুষ্ট’, ‘তাবেদার’ ‘একপেশে’, সংবাদমাধ্যম মানেই তাঁদের নামের পাশে এই তকমাগুলি সেঁটে দেওয়া বাধ্যতামুলক! কিন্তু কখনও ভেবে দেখেছেন কি করোনা (COVID-19) নামক মহামারি যখন গোটা বিশ্বকে গ্রাস করেছে, তখন নিজেদের কর্তব্যে অবিচল সংবাদমাধ্যম কীভাবে সাধারণ মানুষের জন্য ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছে? কীভাবে শুধু সঠিক তথ্য পরিবেশন করে হাজারো মানুষের প্রাণ বাঁচিয়ে চলেছে? কীভাবে ইউহানের দুর্ভেদ্য প্রাচীর ভেঙে সেই সব তথ্য বের করে এনেছে, যা কিনা চিনা প্রশাসন বেমালুম চেপে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল? চিন থেকে ইরান, সর্বত্র যখন রাষ্ট্র তথ্য গোপনের চেষ্টা করেছে, তখনই গর্জে উঠেছে সাংবাদিকের কলম।

করোনা ভাইরাস পৃথিবীতে লক্ষাধিক মানুষের প্রাণ কেড়েছে। যা দুঃখজনক এবং উদ্বেগজনকও বটে। কিন্তু এই মারক ভাইরাস আমাদের অনেক শিক্ষাও দিয়েছে। মনে করিয়ে দিয়েছে পরিবেশ রক্ষার গুরুত্ব। বুঝিয়ে দিয়েছে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তা। এবং সর্বোপরি আরও একবার প্রমাণ করেছে সংবাদমাধ্যমের উপযোগিতা। ভাবুন তো, এই দুর্ভোগের সময় যদি সংবাদমাধ্যম না থাকত, তাহলে বাড়ির ড্রয়িং-রুমে বসে করোনার ভাইরাসের ভয়াবহতা সম্পর্কে আদৌ জানতে পারতেন? সংবাদমাধ্যমের অনুপস্থিতিতে সরকারকে যদি বাড়ি বাড়ি গিয়ে লকডাউন তথা সামাজিক দূরত্বের গুরুত্ব বোঝাতে হত, তাহলে এতদিন আদৌ করোনাকে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হত?

Advertisement

[আরও পড়ুন: জাহাজের কেবিন থেকে ঘরের চার দেওয়ালে বন্দি, বিবর্তনের ‘কোয়ারেন্টাইন’]

‘বাড়িতে থাকুন, সুস্থ থাকুন’ সংবাদমাধ্যম যদি এই বার্তা ঘরে ঘরে না পৌঁছে দিত, তাহলে হয়তো পৃথিবীর কোনও চিকিৎসকই লক্ষ লক্ষ প্রাণহানি রুখতে পারতেন না। করোনার ভয়াবহতার বাস্তব রূপ যদি সবার ড্রয়িং-রুমে না পৌঁছাতো, তাহলে হয়তো সরকারের হাজার চেষ্টাতেও দেশজুড়ে সর্বাত্মক লকডাউন সম্ভব হত না। দেশের প্রতিটি প্রান্ত থেকে কোথায় সাধারণ মানুষ দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছেন, লকডাউনের জেরে কার ঘরে হাঁড়ি ছড়ছে না, এসব খবর থেকে শুরু করে, করোনার বিরুদ্ধে যারা সামনে থেকে লড়াই করছেন তাঁদের কুর্ণিশ জানানো পর্যন্ত, সর্বত্রই জনসাধারণের অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকায় কাজ করে চলেছে সংবাদমাধ্যম। সচেতনতার প্রসার ঘটিয়ে নীরবে বাঁচিয়ে চলেছে বহু মানুষের প্রাণ। মানুষ যে সংবাদমাধ্যমের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে তাঁর প্রমাণ নতুন করে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের বাড়তে থাকা জনপ্রিয়তা।

[আরও পড়ুন: COVID-19 কি তাহলে জৈব রাসায়নিক যুদ্ধের মহড়া?]

লকডাউন চলাকালীন কোথায় অনিয়ম হচ্ছে, কোথায় মানুষ সামাজিক দূরত্ব মানছেন না, কোথায় পুলিশ মারধর করছে, এসব তথ্যও কিন্তু করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে হাতিয়ার হয়ে উঠছে। সংবাদমাধ্যমের দৌলতেই কমছে মানুষের দুর্ভোগ, সচেতনতার প্রচারের মাধ্যমে বাড়ছে সামাজিক দূরত্ব, বেঁচে যাচ্ছে বহু মানুষের প্রাণ। মহামারির বিরুদ্ধে এই লড়াইয়ের অংশ হতে পেরে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে যুক্ত আমরা সকলেই গর্বিত।আপনাদের আরও একবার বলব, ইচ্ছে হলেই সংবাদমাধ্যমের নিরপেক্ষতা, গুরুত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারেন, কিন্ত দয়া করে ‘বাড়িতে থাকুন, সুস্থ থাকুন’।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.