Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৫ জুন ২০২৬

প্রথম প্রযোজকের দুর্দিনে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন অক্ষয়

সন্দেহ কী, নায়ক শব্দটা পর্দার বাইরেও তাঁকেই মানায়!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৭, ২০২০, ২০:১১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৭, ২০২০, ২০:১১

options
link
প্রথম প্রযোজকের দুর্দিনে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন অক্ষয় zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বলিউডের অনেক নায়কই বিজ্ঞাপনী ছবিতে বলে থাকেন জীবন হওয়া উচিত লার্জ! কী ভাবে তা করা যায়, তার একের পর এক দৃষ্টান্ত কিন্তু স্থাপন করে চলেছেন অক্ষয় কুমারই!

সম্প্রতি যা নতুন করে উঠে এল চোখের সামনে। প্রথম ছবির প্রযোজকের দুর্দিনে যখন আর্থিক এবং অন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন নায়ক।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement


সম্প্রতি প্রযোজক রবি শ্রীবাস্তবের পরিবারের পক্ষ থেকে টুইট করা হয়েছিল অক্ষয় কুমারকে। টুইটটি করেছিলে সংযোগ শ্রীবাস্তব। সেই টুইটে তিনি অক্ষয়ের উদ্দেশে লেখেন, ‘’প্রযোজক রবি শ্রীবাস্তব, আপনার পুরনো বন্ধু, এখন ভাল নেই! তাঁর আপনার সাহায্যের দরকার। দয়া করে খবরটা পড়ুন!’’ সেই টুইটের সঙ্গে রবি শ্রীবাস্তব কতটা দুর্বিষহ রোগভোগের মধ্যে আছেন, তা একটা লিঙ্কের মাধ্যমে জানিয়েছিলেন সংযোগ।

রবি শ্রীবাস্তবের উল্লেখ দেখা মাত্রই হাতে সময় নিয়ে টুইটটি পড়েন অক্ষয়। যখন তাঁর সময় ছিল প্রতিকূল, বলিউডে পায়ের নিচে জমি নেই, তখন এই রবি শ্রীবাস্তবই দাঁড়িয়েছিলেন তাঁর পাশে। ১৯৯১ সালে অক্ষয় কুমারকে নায়ক করে তিনি তৈরি করেন ‘দ্বারপাল’ নামে একটি ছবি। সেই ছবি যদিও প্রেক্ষাগৃহের মুখ দেখেনি। কিন্তু, দমে যাননি শ্রীবাস্তব। পরের বছর, ১৯৯২ সালে ফের অক্ষয়কে নায়ক করে তিনি তৈরি করেন ‘সওগন্ধ’। এর পর আর বলিউডে ফিরে তাকাতে হয়নি অক্ষয়কুমারকে।


ফলে, রবি শ্রীবাস্তব দুরারোগ্য কিডনির অসুখে ভুগছেন এবং তাঁর উপযুক্ত চিকিৎসা করানোর টাকা নেই- এটা জানতে পেরেই নড়েচড়ে বসেন অক্ষয়। সবার প্রথমে একটি টুইট করে সংযোগকে। লেখেন, ‘’আমার দলবল পৌঁছে গিয়েছে রবি শ্রীবাস্তবের কাছে। আপনি চিন্তা করবেন না।‘’

চিন্তার কারণও নেই, কেন না অক্ষয় ইতিমধ্যেই তাঁর প্রথম প্রযোজকের চিকিৎসার যাবতীয় দায় ও দায়িত্ব তুলে নিয়েছেন নিজের কাঁধে। আমরা কিন্তু খুব একটা অবাক হচ্ছি না ব্যাপারটায়। মহারাষ্ট্রের খরা-বিধ্বস্ত কৃষকদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন তিনি। উরি আক্রমণে নিহত শহিদদের পরিবারও পেয়েছে তাঁর তরফে সাহায্য। প্রতিনিয়ত এভাবে নিঃশব্দে সমাজসেবা করে চলেছেন তিনি।

সন্দেহ কী, নায়ক শব্দটা পর্দার বাইরেও তাঁকেই মানায়!

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.