Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Anirban Bhattacharya Swarup Biswas

‘কলাকুশলীরা বেশি ভুগেছেন…’, স্বরূপের গ্রেপ্তারিতে কী বলছেন ‘বাজিগর’ অনির্বাণ?

অনির্বাণ পরিচালিত কিংবা অভিনীত সিনেমার রিলিজ আটকে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তবুও ফেডারেশন সভাপতির শর্তাবলী মেনে ক্ষমা চাননি তিনি। আর আজ যখন স্বরূপের গ্রেপ্তারি নিয়ে মুখ খুললেন তখনও ইন্ডাস্ট্রির 'দিন আনি দিন খাই' মানুষগুলির যন্ত্রণার কথাই এগিয়ে রাখলেন ব্যক্তিগত অভিযোগ-কষ্টের থেকে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৫, ২০২৬, ২১:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৫, ২০২৬, ২১:৩৬

options
link
‘কলাকুশলীরা বেশি ভুগেছেন…’, স্বরূপের গ্রেপ্তারিতে কী বলছেন ‘বাজিগর’ অনির্বাণ? zoom
স্বরূপের গ্রেপ্তারিতে কী বলছেন অনির্বাণ ভট্টাচার্য?

‘আজ খুশ তো বহত হোঙ্গে তুম…’, স্বরূপ বিশ্বাসের গ্রেপ্তারির পর থেকেই নেটভুবনের লাইমলাইটে ‘রাজার রাজা’ অনির্বাণ ভট্টাচার্য। তৃণমূল ঘনিষ্ঠ প্রাক্তন ফেডারেশন সভাপতির সঙ্গে অভিনেতার বিরোধপর্বের ‘জাবর কেটে’ সোশাল পাড়ায় একপ্রকার মিম-উল্লাসের জোয়ার! কারণ পঁচিশ সালে ফেডারেশনের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পর অনির্বাণের বিরুদ্ধে অতিলিখভাবে নেমে এসেছিল ‘নিষিদ্ধ খাঁড়া’। যার জেরে স্বরূপ জমানায় কার্যত কোণঠাসা হয়ে পড়েছিলেন তাঁর মতো প্রতিভাবাণ অভিনেতা-পরিচালক। এবার টলিপাড়ার সেই ‘ত্রাস’ দুর্নীতির দায়ে ১৩ দিনের পুলিশি হেফাজতে যেতেই অনির্বাণ কী বলছেন? সেই কৌতূহল সর্বত্র।

গত একবছরে ফেডারেশনের বিরুদ্ধে মুখ খোলা অনেকে ‘আপসে’র পথে হাঁটলেও, সোশাল মিডিয়ায় প্রকাশ্যে ভিডিও বার্তায় ক্ষমা চাইলেও একমাত্র ব্যতিক্রম অনির্বাণ। যার মাশুলও গুনতে হয়েছে অভিনেতা-পরিচালককে। তাঁর পরিচালিত কিংবা অভিনীত সিনেমার রিলিজ আটকে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তবুও ফেডারেশন সভাপতির শর্তাবলী মেনে ক্ষমা চাননি তিনি। 

Anirban Bhattacharya opens up on Ban culture and Dev's film
টলিপাড়ার ‘ব্যান সংস্কৃতি’ নিয়ে কী মন্তব্য অনির্বাণ ভট্টাচার্যর? ছবি- ফেসবুক

শুক্রবার এক সিনে-অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট ইস্যুতে মুখ খোলেন অনির্বাণ ভট্টাচার্য। যদিও নিজের থেকে সেই কলাকুশলীদের কষ্টের কথাই প্রাধান্য পেল অভিনেতার মুখে, এযাবৎকাল যেসব টেকনিশিয়ানদের ‘ঢাল’ করে ইন্ডাস্ট্রির অন্দরে অবাধ দুর্নীতি চালানোর অভিযোগ উঠেছে স্বরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে। অনির্বাণের মন্তব্য, “অনেকে লড়াই করেছিল। প্রচুর ক্ষতিও হয়েছে। আমি ইন্ডাস্ট্রির আলোকজ্জ্বল দিকের লোক। আমি অভিনেতা, আমার গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ডে যাতায়াত কিন্তু তুলনামূলক যেটা কম আলোর দিক ইন্ডাস্ট্রিতে, যেমন আমাদের প্রতিদিনের যাঁরা কলাকুশলী, উপার্জনগত জায়গা থেকে তাঁরা এই ইন্ডাস্ট্রির উপরই নির্ভরশীল। নানারকম অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকেন, তারা অনেক বেশি ভুগেছেন। এবার এটা যে গতকাল স্বরূপ বিশ্বাস গ্রেপ্তার হয়েছেন বলে আমরা জানতে পারছি, তা নয়। আমরা জানি বলেই তো এটার বিরুদ্ধে কথা বলেছিলাম।” এহেন মন্তব্যের পর অনির্বাণকে ‘বাজিগর’ আখ্যা দেওয়াই যায়। কারণ গত একবছরে ফেডারেশনের বিরুদ্ধে মুখ খোলা অনেকে ‘আপসে’র পথে হাঁটলেও, সোশাল মিডিয়ায় প্রকাশ্যে ভিডিও বার্তায় ক্ষমা চাইলেও একমাত্র ব্যতিক্রম অনির্বাণ। যার মাশুলও গুনতে হয়েছে অভিনেতা-পরিচালককে। তাঁর পরিচালিত কিংবা অভিনীত সিনেমার রিলিজ আটকে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তবুও ফেডারেশন সভাপতির শর্তাবলী মেনে ক্ষমা চাননি তিনি। আর আজ যখন স্বরূপের গ্রেপ্তারি নিয়ে মুখ খুললেন তখনও ইন্ডাস্ট্রির ‘দিন আনি দিন খাই’ মানুষগুলির যন্ত্রণার কথাই এগিয়ে রাখলেন ব্যক্তিগত অভিযোগ-কষ্টের থেকে।

Advertisement

সকালে অনির্বাণও নিজস্ব স্টাইলে স্বরূপের অরাজকতার তীব্র প্রতিবাদ করেছেন। সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল সেই ভিডিও। ফুরফুরে মেজাজে অনির্বাণের দৃপ্ত কণ্ঠে ‘রঘু ডাকাত’-এর সেই গান, “রাখুন সাথে তারা তুই খাঁড়া হাতে বিপত্তারিণী আমাদের।” স্বরূপকেই যে বিঁধেছেন তা বলাই বাহুল্য। 

টলিপাড়ার দীর্ঘদিনের ক্ষোভ ‘বিশ্বাস ব্রাদার্সে’র উপর। অভিযোগ, প্রভাবশালী দাদা অরূপ বিশ্বাসের ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে টলিউডে একছত্র আধিপত্য বিস্তার করে বসেছিলেন স্বরূপ। অভিনেতা-অভিনেত্রী থেকে কলাকুলশী, সকলেই তাঁর অত্যাচারের শিকার। ‘অপশাসন’ চলাকালীন ভুক্তভোগীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য অভিনেতা অনির্বাণ ভট্টাচার্য। বৃহস্পতিবার রাতে অবশেষে এক মেকআপ আর্টিস্টের অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হয় স্বরূপকে। এরপর থেকেই তৃণমূল ঘনিষ্ঠ প্রাক্তন ফেডারেশন সভাপতির বিরুদ্ধে সব ক্ষোভ ‘লাভা’র মতো ফুঁড়ে বেরচ্ছে!
এদিন সকালে অনির্বাণও নিজস্ব স্টাইলে স্বরূপের অরাজকতার তীব্র প্রতিবাদ করেছেন। সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল সেই ভিডিও। ফুরফুরে মেজাজে অনির্বাণের দৃপ্ত কণ্ঠে ‘রঘু ডাকাত’-এর সেই গান, “রাখুন সাথে তারা তুই খাঁড়া হাতে বিপত্তারিণী আমাদের।” স্বরূপকেই যে বিঁধেছেন তা বললে অত্যুক্তি হবে না।

পঁচিশ সালে ফেডারেশনের বিরুদ্ধে ১৩ জন পরিচালকের মামলা দায়েরের পরই অলিখিতভাবে একাংশের বিরুদ্ধে ‘নিষিদ্ধ খাঁড়া’ নেমে এসেছিল। সেই তালিকায় ছিলেন খ্যাতনামা পরিচালক-অভিনেতা অনির্বাণ ভট্টাচার্যও। যার জেরে গতবছর ‘হুলি-গান-ইজম’-এর মিউজিক ভিডিও শুট করাকালীন কলাকুশলীদের অসহযোগিতার মুখে পড়তে হয় অনির্বাণকে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.