Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৫ আষাঢ় ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ২১ জুন ২০২৬

ভেড়ার মাংস খাচ্ছে গণেশ! বিতর্কের পর বিজ্ঞাপন বন্ধের নির্দেশ

নিষেধাজ্ঞা জারি করল অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডভার্টাইজিং স্ট্যান্ডার্ড ব্যুরো বা এএসবি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৯, ১৫:০৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৯, ১৫:০৬

options
link
ভেড়ার মাংস খাচ্ছে গণেশ! বিতর্কের পর বিজ্ঞাপন বন্ধের নির্দেশ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিজ্ঞাপনে গণেশ। খাবার টেবিলে তাঁর সঙ্গেই রয়েছেন অন্যান্য দেব-দেবীরা। আর টেবিলে কিনা রাখা ভেড়ার মাংস! শুনতে অবাক লাগলেও অস্ট্রেলিয়ার কোম্পানি- মিট অ্যান্ড লিভস্টক অস্ট্রেলিয়া বা এমএলএ-এর তৈরি ওই বিজ্ঞাপনে উঠেছিল বিতর্কের ঝড়। আর এবার বিতর্কের মধ্যেই বিজ্ঞাপনটি প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারি করল অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডভার্টাইজিং স্ট্যান্ডার্ড ব্যুরো বা এএসবি। প্রথমবার সেটি রদ করতে না চাইলেও, দ্বিতীয়বার বিজ্ঞাপনটি পুনর্বিবেচনা করার পরই এমন নির্দেশ দিল সংস্থাটি।

[এক আছাড়েই খতম চিতাবাঘ, ডুয়ার্সের চা-বাগানে নয়া আতঙ্ক ঘাতক হাতির দল]

এর আগে চলতি বছরে গণেশ চতুর্থীর দিন নিজেদের ফেসবুক পেজে একটি বিজ্ঞাপনের ভিডিও পোস্ট করে মিট অ্যান্ড লিভস্টক অস্ট্রেলিয়া নামক কোম্পানি। যেখানে দেখা যায়, চারদিকে বিভিন্ন ধর্মের দেব-দেবীরা বসে রয়েছেন। যিশু থেকে শুরু করে অ্যাফ্রোদিতি, ওবি ওয়ান কেনোবি, গৌতম বুদ্ধ প্রায় সবাই। আর সেখানে হিন্দু দেবতাদের মধ্যে উপস্থিত গণেশও। প্রত্যেকেই একসঙ্গে বসে খাবার খাচ্ছেন, গল্প করছেন। আর খাবার টেবিলে কিনা রাখা রয়েছে ভেড়ার মাংস! ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসতেই ক্ষোভে ফেটে পড়ে সেখানকার স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ। আঁচ এসে পড়ে ভারতেও। ভারত সরকার এবং অস্ট্রেলিয়ার হিন্দু কাউন্সিল এএসবি-কে বিজ্ঞাপনের সম্প্রচার বন্ধ করতে আবেদন করে। আবেদনে বলা হয়, সাত্ত্বিক, নিরামিষ খাদ্য গ্রহণকারী গণেশকে মাংস বিক্রির বিজ্ঞাপনে দেখিয়ে হিন্দু ধর্মের অপমান করা হয়েছে। ক্যানবেরায় ভারতীয় হাইকমিশনের তরফে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বেশিরভাগ ভারতীয়ই যেখানে নিরামিষাশী সেখানে এধরনের বিজ্ঞাপন কীভাবে তৈরি হয়। এব্যাপারে কূটনৈতিক পথে হাঁটে ভারত। সিডনিতে ভারতীয় দূতাবাসের তরফে এমএলএ-কে বিজ্ঞাপন সম্প্রচার বন্ধের কথাও বলা হয়ে। কিন্তু এএসবি ভারতের আবেদন খারিজ করে দেয়। তাঁরা জানায়, বোর্ডের সংখ্যাগরিষ্ঠের সিদ্ধান্ত পুরো বিজ্ঞাপনে মজার ছলে সর্ব ধর্ম সমন্বয় এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বার্তা দেওয়া হয়েছে। ওই বিজ্ঞাপনে গণেশকে সম্মানজনকভাবেই দেখানো হয়েছে। কোথাও অনধিকার চর্চা হয়নি। বিজ্ঞাপনে গণেশ শুধুই হিন্দু বিশ্বাসের প্রতীক মাত্র।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[‘হিন্দু জনসংখ্যা বাড়াতে প্রত্যেক দম্পতিকে চার সন্তানের জন্ম দিতে হবে’]

বর্তমানে এই বিজ্ঞাপনটি আর সম্প্রচারিত হয় না। তবে অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডভার্টাইজিং স্ট্যান্ডার্ড ব্যুরো বা এএসবি দ্বিতীয়বার পুনর্বিবেচনা করার পর নির্দেশিকা জারি করে জানিয়ে দিয়েছে, বিজ্ঞাপনটি আর সম্প্রচার করা যাবে না। এএসবি-র এই নির্দেশ মেনেও নিয়েছে ওই সংস্থা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.