সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: যে ভারত ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে কিংবা বিদেশি পর্যটকের ক্যামেরায় উঠে আসে না। যে ভারত লুকিয়ে থাকে বস্তির অন্ধকার গলিতে। জেলের গারদের ওপারে। সভ্যতার অন্তরালে থাকা সে ভারতের কাহিনি তুলে ধরলেন এক বিদেশি পরিচালক। সিনেমার জগৎ সম্পর্কে যাঁদের একটু কৌতূহল রয়েছে, মজিদ মাজিদি নামটি তাঁদের কাছে মোটেও অপরিচিত নয়। অস্কারের মনোনয়ন পাওয়া পরিচালক এবার নিজের ভাবনার ভারতকে তুলে ধরলেন সকলের সামনে। আর তাতেই বলিউডের মাটিতে পা রাখলেন শাহিদ কাপুরের সৎভাই ইশান খাট্টার। সঙ্গে রয়েছেন মালয়ালম অভিনেত্রী মালবিকা মোহানন। প্রথম ঝলকেই দর্শকদের কালচার শক দিল ‘বিয়ন্ড দ্য ক্লাউডস’।
[পিছোল ‘হিচকি’র মুক্তি, রানিকে বড়পর্দায় দেখতে অপেক্ষা বাড়ল দর্শকদের]
ভবিষ্যতে লম্বা রেসের ঘোড়া হতে চলেছেন শাহিদের আদরের এই ভাইটি। স্বল্প সময়ের ঝলকেই তা প্রমাণ করে দিয়েছেন ইশান। মালবিকাও অভিনয়ে টক্কর দিয়েছেন সহকর্মীকে। মালবিকার এই চরিত্রের জন্যই অডিশন দিয়েছিলেন দীপিকা পাড়ুকোন। কিন্তু দীপিকাকে বাতিল করে দেন পরিচালক। দীপিকা অবশ্যই ভাল অভিনেত্রী। তা নিয়ে অবশ্য সংশয় ছিল না মাজিদিরও। তবে বলিউডের পদ্মাবতী বেশ চেনা মুখ। নিজের ছবির জন্য পরিচিত মুখ নয়, বরং ভাল অভিনেতা-অভিনেত্রী খুঁজছিলেন পরিচালক। এমন কাস্ট, যা পর্দাকে ছাপিয়ে বাস্তব হিসেবে মানুষের মনের ভিতরে ঢুকে যাবে। মেঘের ওপারে থেকেও দর্শকদের ছবি নিয়ে ভাবতে বাধ্য করবে। তাই করেছেন ইশান-মালবিকা। ছবিতে বাঙালি দর্শকদের জন্যও রয়েছে একটি বাড়তি পাওনা। অভিনেতা গৌতম ঘোষ।
এক সাক্ষাৎ মাজিদি বলেছিলেন, ভারতীয় সিনেমা মানেই তাঁর কাছে সত্যজিৎ রায়। তাঁর সিনেমা দেখেই বড় হয়েছেন। সেখান থেকেই ভারতকে চিনতে শিখেছেন। প্রথম হিন্দি যখন তৈরি করেছেন, সে অনুপ্রেরণার ছবি স্পষ্ট। মার্চ মাসে মুক্তি পাবে ‘বিয়ন্ড দ্য ক্লাউডস’। তার আগেই সম্ভবত বহু আন্তর্জাতিক সম্মান পেতে চলেছে ইরানি পরিচালকের এ ছবি।
[পদ্মাবতী হয়ে দেদার বিতর্কে, এবার কোন সাহসী চরিত্র বাছলেন দীপিকা?]
সর্বশেষ খবর
-
‘প্লিজ, ছেড়ে যেও না’, নেইমারকে কাতর আর্তি বাবার, অবসর ভেঙে ফিরবেন ব্রাজিল মহাতারকা?
-
‘শুধু খেলতে আসিনি, দেখিয়ে দিলাম জিততে এসেছি’, বলছেন ব্রাজিল বধের নায়ক হালান্ড
-
পরিবারের জন্য অপরিহার্য পাঁচ জরুরি বিমা কভার, জেনে নিন বিস্তারিত
-
দুই রাজ্যে দুই সংসার, দ্বিতীয় স্ত্রীকে রেখে ৪০ বছর পর প্রথমার সন্তানদের কাছে ফিরলেন মোতাহার
-
স্কুলেই জীবনরক্ষার পাঠ, রাজ্য সরকারের অভিনব এই উদ্যোগ সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয়