Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৮ জুন ২০২৬
Bhoot Pori Review

কল্পনা-বাস্তবের লুকোচুরি খেলায় ছেলেবেলার স্মৃতি ফেরাল ‘ভূতপরী’, পড়ুন রিভিউ

ছোটদের সিনেমা তৈরি করা বড় কাজ। সেই কাজটিই করেছেন পরিচালক সৌকর্য ঘোষাল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৪, ১৮:৩১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৪, ১৮:৩১

options
link
কল্পনা-বাস্তবের লুকোচুরি খেলায় ছেলেবেলার স্মৃতি ফেরাল ‘ভূতপরী’, পড়ুন রিভিউ zoom

সুপর্ণা মজুমদার: ছোটদের সিনেমা তৈরি করা বড় কাজ। সেই কাজটি করে চলেছেন পরিচালক সৌকর্য ঘোষাল (Soukarya Ghosal)। ‘রেনবো জেলি’র পর ‘ভূতপরী’, আরও একবার কল্পনা-বাস্তবের লুকোচুরি খেলা। বর্তমান সময়ের লার্জার দ্যান লাইফ হিরো আর ডার্ক থ্রিলারের বাজারে বনলতা, মাখন চোর, কালো ঠাকুর, সূর্যরা বেশ সতেজ একটা অনুভূতি দিল।

Bhootpori-1

Advertisement

গল্প মূলত সূর্যকে (বিষান্তক মুখোপাধ্যায়) কেন্দ্র করে। স্লিপ ওয়াক অর্থাৎ ঘুমের মধ্যে হাঁটার অভ্যাস করে ছোট্ট সূর্যর। এতে তার মা শিলালিপি ও বাবা পলাশ বেশ চিন্তিত। ডাক্তারের পরামর্শে সূর্যকে তারা নিয়ে আসে গ্রামের বাড়িতে। এ ছেলের আবার পায়ের তলায় সর্ষে। সুযোগ পেলেই বেড়িয়ে পড়ে অজানার সন্ধানে। হাঁটতে হাঁটতে জঙ্গলের ভিতরে চলে গেল সূর্য। সেখানে কী রয়েছে? বনলতার অতৃপ্ত আত্মা! আর? আর এক চোর, যার নাম মাখন। তার পর? সব কথা এখানে বলা বারণ। সিনেমা হলে যাওয়ার সেটাই তো কারণ!

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

Bhootpori-1

রবি ঘোষ একবার বলেছিলেন, সত্যজিৎ রায় ছোটদের ছোট হিসেবে ট্রিট করতেন না। সেটে বড়দের সঙ্গে যেমন ব্যবহার করতেন, তেমন ব্যবহারই তিনিই ছোটদের সঙ্গে করতেন। আবার সুন্দরভাবে শটটিও নিয়ে নিতেন (তথ্যসূত্র: অভীক চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত ‘রবি ঘোষ আপনমনে’)। সিনেমায় সূর্য অর্থাৎ বিষান্তককে দেখেও তাই-ই মনে হল। তাঁর সারল্যই সৌকর্যের সম্পদ হয়ে উঠেছে। বনলতার চরিত্রে জয়া আহসান (Jaya Ahsan) গ্রামবাংলার অভাগী মেয়েদের কথা মনে করিয়ে দেন।

[আরও পড়ুন: ‘এই ছোট্ট হৃদস্পন্দন…’, বিয়ের দেড় বছরেই বাবা-মা হচ্ছেন রিচা চাড্ডা-আলি ফজল, শুভেচ্ছার জোয়ার]

ঋত্বিক চক্রবর্তী (Ritwick Chakraborty) এই ছবির অক্সিজেন। মাখন চোরের চরিত্রে তাঁর সাবলীল অভিনয়, সংলাপের চাটুকারিতা মুগ্ধ করে। কালো ঠাকুরের চরিত্রে শান্তিলাল মুখোপাধ্যায় বলিষ্ঠ। শিলালিপির চরিত্রে সুদীপ্তা চক্রবর্তী ও মাস্টারের চরিত্রে অভিজিৎ গুহ নিজেদের ভূমিকা যথাযথভাবে পালন করেছেন। নিজের সিনেমায় টুকরো টুকরো মুহূর্ত তৈরি করেছেন সৌকর্য। ভয়, কৌতুক, বন্ধুত্ব মিলিয়ে মিশিয়ে দিয়েছেন তিনি।

তবে কয়েকটি জায়গায় একটু ধীর গতির মনে হয়েছে, বিশেষ করে প্রথমার্ধে। আর কালো ঠাকুরের ঘর যখন সূর্য ও মাখন মিলিয়ে খুলল, সে জায়গা যে বহুদিন ধরে বন্ধ ছিল তা অনুভব করা গেল না। সাধারণত বহু বছর পর কোনও ঘর খোলা হলে, ধুলো-ময়লা একটু বেশি থাকে। তবে সবশেষে দুটি বিষয়ের কথা বলতে হয়, ছবির মুড সেট করে দেয় ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোর। এই কাজটি বেশ মন দিয়ে করা হয়েছে। আবার গ্রাম বাংলার প্রকৃতির পাশাপাশি জঙ্গলের ঝিঁ ঝিঁ পোকার ডাক ছেলেবেলার স্মৃতি ফেরায়। পাতালঘরের গুপ্তধনের কথাও মনে করায় ‘ভূতপরী’। এর জন্য পরিচালকের অবশ্যই ধন্যবাদ প্রাপ্য।

ছবি: ভূতপরী
অভিনয়ে – বিষান্তক মুখোপাধ্যায়, জয়া আহসান, ঋত্বিক চক্রবর্তী, শান্তিলাল মুখোপাধ্যায়, সুদীপ্তা চক্রবর্তী, অভিজিৎ গুহ প্রমুখ
পরিচালনায় – সৌকর্য ঘোষাল

[আরও পড়ুন: দেবের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ কী? জল্পনার মাঝেই অভিষেকের সঙ্গে বৈঠকে তারকা সাংসদ]

 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.