সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রশ্মিকা মন্দানার (Rashmika Mandanna) ডিপফেক ভিডিওর নেপথ্যের খলনায়ক অবশেষে পুলিশের জালে। কেউ বলছেন উত্তরপ্রদেশ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ২৪ বছরের যুবককে, কারও আবার দাবি অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে তাকে ধরা হয়েছে। তবে গ্রেপ্তারি যেখান থেকেই হোক, যুবক এখন দিল্লি পুলিশের হেফাজতে। আর সেখানেই ফাঁস চাঞ্চল্যকর তথ্য।

২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে আচমকাই নেটপাড়ায় ভাইরাল হয় রশ্মিকার ডিপফেক ভিডিওটি। ভারতীয়-ব্রিটিশ সোশাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার জারা প্যাটেলের শরীরে দক্ষিণী অভিনেত্রীর মুখ লাগিয়ে ভিডিওটি শেয়ার করা হয়েছিল। কুরুচিকর এই ভিডিওর বিরুদ্ধে সোশাল মিডিয়ায় সরব হয়েছিলেন অনেকেই। ঘটনার তদন্ত শুরু করে দিল্লি পুলিশ। শোনা যায়, প্রায় পাঁচশো প্রোফাইল ঘেঁটে মূলচক্রীর সন্ধান পাওয়া যায়।
[আরও পড়ুন: ফের হলিউডে দীপিকা! এবার কী করতে চলেছেন বলিউডের ‘ফাইটার’?]
বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতের নাম ইমানি নবীন। পেশায় সে একজন ডিজিটাল মার্কেটার। কিন্তু কেন এই কাজ করল নবীন? পুলিশের জেরার মুখে নাকি নিজেকে রশ্মিকার বড় ফ্যান হিসেবে দাবি করেছে ২৪ বছরের যুবক। জানিয়েছে, রশ্মিকার ফ্যানপেজ চালাত সে। তাহলে এমন বিকৃতমনস্কের মতো কাজ কেন? নবীনের জবাব, ইনস্টাগ্রামে ফলোয়ার বাড়ানোর নেশাতেই সে এই কাজ করেছিল। তাতে লাভও হয়েছিল। পরে গ্রেপ্তারির ভয়ে প্রোফাইলের তথ্য ও নাম পালটে দেয়। ডাটা ডিলিট করে দেয়। কিন্তু তাতে পার পায়নি ২৪ বছরের যুবক।
অপরাধী শাস্তি পাওয়ায় স্বস্তিতে রশ্মিকা। ইনস্টাগ্রাম স্টোরির মাধ্যমে অভিনেত্রী দিল্লি পুলিশকে ধন্যবাদ জানান। লেখেন, “আশা করছি এটা আবারও আপনাদের মনে করিয়ে দেবে যে এমন পরিস্থিতিতে আপনাকে সাপোর্ট করার মানুষ আছে এবং ব্যবস্থা অবশ্যই নেওয়া হবে।”

[আরও পড়ুন: ‘অসভ্য’! অঙ্কিতা লোখণ্ডের উপর ক্ষিপ্ত প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার মা মধু, কিন্তু কেন?]
সর্বশেষ খবর
-
বারবার সতর্ক করেছিল সিআইএ, কান দেয়নি ওয়াশিংটন! রোখা যেত ৯/১১
-
অন্তর্বাস খুলিয়ে গোপনাঙ্গে হাত! তল্লাশির নামে হাওড়ায় শিক্ষিকাদের ‘হেনস্তা’
-
তারাতলাকাণ্ডে ধৃত কলকাতা পুরসভার সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার, ভূমিকা খতিয়ে দেখছে পুলিশ
-
‘জোড়াফুলেই লড়ব’, প্রতীক-যুদ্ধে ঋতব্রতর ‘বাপের সম্পত্তি’র পালটা মমতাপন্থী সাংসদ কল্যাণের
-
ন্যাশনাল ক্রাশ! কেন ইচ্ছা থাকলেও বিয়ে করতে পারেননি প্রেসিডেন্ট মুর্মুর প্রাক্তন এডিসি ঋষভ?