সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বেশ কিছুদিন ধরে খবরে রয়েছেন অভিনেতা নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকি ও তাঁর স্ত্রী আলিয়া সিদ্দিকি। প্রথমে নওয়াজের কোয়ারেন্টাইনে যাওয়ার খবর প্রকাশ পেয়েছিল। আর এবার আলিয়া জানালেন তিনি নওয়াজের বিরুদ্ধে বিবাহবিচ্ছেদে মামলা করেছেন। কেন? তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয় খবরটি প্রকাশের পর থেকেই। যদিও ঝেড়ে কাশেননি আলিয়া। তবে এবার তিনি মুখ খুললেন। জানালেন, তাঁর উপর চলত শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার। সেই কারণেই আলাদা হয়ে যাওয়ার কথা ভাবেন তিনি।
আলিয়ার সঙ্গে নওয়াজউদ্দিনের বিয়ে হয় ১০ বছর আগে। তাঁদের দুই সন্তানও রয়েছে। আলিয়া জানিয়েছেন, বিয়ের প্রথম বছর থেকেই তাঁদের মধ্যে সমস্যার সূত্রপাত। কিন্তু তখন তিনি বিষয়টিকে আমল দেননি। ভেবেছিলেন সময়ের সাথে ঠিক হয়ে যাবে। তা সবকিছু মেনে নিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সমস্যা ক্রমশ বাড়তে থাকে। আলিয়ার অভিযোগ, নওয়াজের পরিবার তাঁর উপর মানসিক ও শারীরিক অত্যাচার করতে শুরু করে। যদিও নওয়াজ কোনওদিন তাঁর গায়ে হাত তোলেননি বলে জানান আলিয়া। কিন্তু যেভাবে তিনি চিৎকার করতেন, তা মেনে নেওয়া যায় না বলে জানান আলিয়া। তবে নওয়াজের দাদা তাঁকে মারধর করতেন বলে উঠেছে অভিযোগ। মুম্বইয়ে তাঁদের সঙ্গে নওয়াজের মা, দাদা ও বউদি থাকতেন। তাই বহু বছর ধরেই তাঁকে অত্যাচার সহ্য করতে হচ্ছে বলে জানান আলিয়া।
তিনি বলেন, এই পরিবারের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই ৭টি মামলা দায়ের হয়েছে। প্রতিটিই বাড়ির বউরা করেছেন। এই পরিবারের এটাই প্রথা। এখনও পর্যন্ত পরিবারে চারটি ডিভোর্স হয়েছে। এটি পঞ্চম। সন্তানদের কাস্টাডি আলিয়া নিজেই নিতে চান। নওয়াজকে তাঁর প্রশ্ন, “অভিনেতা হিসেবে তুমি যতটা বড় মাপের, মানুষ হিসেবে নও কেন? কেন তুমি তোমার স্ত্রী ও সন্তানদের সম্মান দিতে পার না? ওদের মনেও নেই শেষ কবে বাবা ওদের সঙ্গে দেখা করেছে। প্রায় ৩-৪ মাস ওদের সঙ্গে দেখা করোনি।” যদিও এ প্রসঙ্গে নওয়াজের প্রতিক্রিয়া এখনও পাওয়া যায়নি।
সর্বশেষ খবর
-
সই জাল কাণ্ডে তৃণমূলের মামলা শুনলই না হাই কোর্ট, সরলেন খোদ বিচারপতি
-
কিং কোহলির সাফল্যের নেপথ্যে বড় ভূমিকা এই ৭ বইয়ের, আপনার সংগ্রহে আছে তো?
-
অসহিষ্ণু বিশ্বে এভাবেও ছিন্নমূল প্রেমের গল্প বলা যায়, ‘ম্যায় ওয়াপস আউঙ্গা’য় দেখালেন ইমতিয়াজ
-
ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎকে পরপর চড়, জয়পুরে বিক্ষোভে চরম হেনস্তা! তুঙ্গে উত্তেজনা
-
বিশ্বকাপে ইবোলার থাবা? রোনাল্ডোদের বিরুদ্ধে খেলবে ‘আক্রান্ত’ কঙ্গো, কী করবে ট্রাম্প প্রশাসন?