BREAKING NEWS

৯ আশ্বিন  ১৪২৭  সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

বারাণসীর ৩৫০টি মাঝি পরিবারের দায়িত্ব নিলেন সোনু, মিলল রাজনীতিতে যোগের ইঙ্গিত!

Published by: Sandipta Bhanja |    Posted: September 2, 2020 5:01 pm|    Updated: September 2, 2020 5:03 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গতবছর লোকসভা নির্বাচনের সময় বারাণসী থেকে ভোটে লড়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আর সেখানকারই ৩৫০টি মাঝি পরিবারের দায়িত্ব নিলেন সোনু সুদ। তাহলে কি এর মধ্য দিয়েই পরোক্ষভাবে রাজনীতির ময়দানে পা রাখার ইচ্ছেপ্রকাশ করলেন অভিনেতা? অনেকেই কিন্তু এই দুটি ইস্যু দুয়ে দুয়ে চার করে সেই প্রশ্নই তুলেছিলেন!

কিন্তু না, দুটো বিষয়ই পুরোপুরি কাকতালীয়। লকডাউনের গোড়া থেকেই অভাবী মানুষগুলোর জন্য অনবরত পথে নেমে কাজ করে চলেছেন সোনু সুদ। ঠাণ্ডাঘরে বসে আর্থিক সাহায্য করেই অনেকে যখন হাত তুলে দিয়েছেন, তখন সোনু কিন্তু নিরলস পরিশ্রম করে চলেছেন। আর ঠিক সেই মানবিকতার খাতিরেই এই অতিমারী পরিস্থিতিতে বারণসীর ধুঁকতে থাকা ৩৫০টি মাঝি পরিবারের খাওয়া-পড়ার দায়িত্ব নিলেন অভিনেতা।

লকডাউনে নৌকা পারাপারের কাজ তেমন নেই। এই অতিমারী আবহে পর্যটকরাও আসছেন না। উপরন্তু গোদের উপর বিষফোঁড়ার মতো ভরা বর্ষায় উত্তাল গঙ্গার বান। বন্যার জলে এই পরিবারগুলির আশ্রয় প্রায় ভেসে যাওয়ার মতো অবস্থা। তাদেরই দুর্দশার কথা সোনুকে জানিয়েছিলেন দিব্যাংশু উপাধ্যায় নামে বারাণসির এক সমাজকর্মী। মাঝি পরিবারগুলির এই দুর্দশার কথা শুনেই সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সেইমতোই কথা রাখলেন তিনি। পরিবারের সদস্যদের তালিকা চেয়ে পাঠিয়েছেন ইতিমধ্যেই। তাঁদেরকে যে আর খিদে পেটে ঘুমতে যেতে হবে না, কথা দিয়েছেন সোনু সুদ।

[আরও পড়ুন: ৮ ঘণ্টা ম্যারাথন জেরার পরও সন্তুষ্ট নয় CBI, ফের তলব রিয়ার মা-বাবা ও সিদ্ধার্থ পিঠানিকে]

আর রাজনীতির প্রসঙ্গ? আসলে এই অতিমারী পরিস্থিতিতে সোনু সুদের অগণিত অনুরাগীর সংখ্যা এবং জনপ্রিয়তা দেখে অনেকেই মনে করেছিলেন যে তিনি বোধহয় এবার রাজনীতির ময়দানে পা রাখতে চলেছেন। মাস দুয়েক আগে এও শোনা গিয়েছিল যে, বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দল ইতিমধ্যেই তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। বিশেষ করে, গেরুয়া শিবিরের নামই শোনা গিয়েছিল। তখন থেকেই জল্পনার সূত্রপাত। সেই রেশ থামেনি এখনও। কিন্তু এবার সাফ জানিয়ে দিলেন যে, রাজনীতির জন্য তিনি এখনও প্রস্তুত নন।

সোনুর মন্তব্য, “আমি যদি রাজনীতির ময়দানে প্রবেশ করলে ভালভাবেই করব। খেলায় রাখব, যাতে কারও কোনও সমস্যা না থাকে। সবার সুবিধে-অসুবিধের কথা শুনব, সময় কাটাব। কিন্তু এখন আমার হাতে অনেক কাজ, তাই এসবের জন্য সময় নেই। আর কোনও রাজনৈতিক দলের কাছে আমি আমার কাজ নিয়ে জবাবদিহি করতে রাজি নই। আমি কী করব, না করব? তার সিদ্ধান্ত আমি নিজেই নিই। আর সেটাই নেব।”

[আরও পড়ুন: ৮ ঘণ্টা ম্যারাথন জেরার পরও সন্তুষ্ট নয় CBI, ফের তলব রিয়ার মা-বাবা ও সিদ্ধার্থ পিঠানিকে]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement