Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Kangana Ranaut

কঙ্গনার অনামিকায় জ্বলজ্বলে হিরের আংটি, বাগদান সারলেন বিজেপি সাংসদ?

মান্ডির সাংসদের বাম হাতের অনামিকায় জ্বলজ্বলে হিরের আংটি দেখে অনেকেই অনুমান করেছেন, কঙ্গনা নাকি বাগদান সেরেছেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১, ২০২৬, ১৭:২৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১, ২০২৬, ১৭:২৬

options
link
কঙ্গনার অনামিকায় জ্বলজ্বলে হিরের আংটি, বাগদান সারলেন বিজেপি সাংসদ? zoom
অভিনেত্রী-রাজনীতিবিদ কঙ্গনা রানাউত। ছবি: ইনস্টাগ্রাম।

অভিনয় থেকে রাজনীতি, চর্চিত নাম কঙ্গনা রানাউত (Kangana Ranaut)। যদিও বিনোদুনিয়ার প্রচার আলো থেকে বহু মাইল দূরে কঙ্গনা। তবে প্রথম পেশা থেকে মুখ ফেরাননি তিনি। রাজনীতির ময়দানের পাশাপাশি সমান তালে চালান ছবির কাজও। তা অভিনয়ই হোক বা প্রযোজনা। একইসঙ্গে নানা বিতর্কিত মন্তব্য করেও শিরোনামে উঠে এসেছেন অভিনেত্রী-রাজনীতিবিদ। এবারও তার অন্যথা হল না। সোশাল মিডিয়ায় এক গুচ্ছ ছবি নপোস্ট করতেই ফের কঙ্গনাকে ঘিরে শুরু নতুন চর্চা।

সেই ছবিতেই দেখা যাচ্ছে মান্ডির সাংসদের বাম হাতের অনামিকায় জ্বলজ্বলে হিরের আংটি। যা দেখে অনেকেই অনুমান করেছেন, কঙ্গনা নাকি বাগদান সেরেছেন। অনেকে আবার দু’য়ে দু’য়ে চার করতে চেয়েছেন তাঁর পরনের গুজরাটের বিখ্যাত পাটোলা সিল্ক দেখে যে, পাত্র গুজরাটি। এই প্রথম নয়, এর আগে গত দীপাবলিতেও গুজরাটের শাড়ি পরেছিলেন কঙ্গনা। বারবার গুজরাটের বিভিন্ন শাড়ির প্রতি তাঁর মুগ্ধতা, সঙ্গে অনামিকায় হিরের আংটি দেখে অনেকেই বলছেন গুজরাটের পাত্রকেই নাকি জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছেছেন কঙ্গনা।

Advertisement
কঙ্গনার অনামিকার হিরের আংটি, ছবি: ইনস্টাগ্রাম।

বারবার গুজরাটের বিভিন্ন শাড়ির প্রতি তাঁর মুগ্ধতা, সঙ্গে অনামিকায় হিরের আংটি দেখে অনেকেই বলছেন গুজরাটের পাত্রকেই নাকি জীবনসঙ্গী হিশেবে বেছেন কঙ্গনা।

যদিও নেটপাড়ার একাংশ কঙ্গনার হয়েই গলা ফাটিয়েছেন। তাঁরা কমেন্ট বক্সে কেউ লিখেছেন, ‘কঙ্গনার নিজেই নিজেকে একটা হিরের আংটি উপহার দেওয়ার সামর্থ্য আছে। তার জন্য তাকে কারও উপহারের অপএক্ষা করতে হয় না।”, কেউ আবার বলেছেন, ‘অনামিকায় হিরের আংটি মানেই তা বাগদানের আংটি হবে এমনটা কোথায় লেখা আছে?’ যদিও এই জল্পনায় এখনও কঙ্গনার তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। উল্লেখ্য, কঙ্গনা বরাবরই ফ্যাশন সচেতন। রাজনীতির ইনিংস শুরু করার পর অবশ্য তাঁর সাজপোশাকে শাড়ি কিংবা হিমাচলী পোশাকই প্রাধান্য পেয়েছে। কখনও আবার তাঁর পোশাকে ফুটে উঠেছে লাদাখের সূক্ষ কারুকার্য। পার্লামেন্টে যাওয়ার সময় সাধারণত সুতি বা হ্যান্ডলুমের শাড়িই কঙ্গনা বেশি পরেন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.