Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
Tanishaa Mukerji

নির্মেদ শরীর চাই! জামাইবাবু আদিত্য চোপড়ার নির্দেশ মেনেই বিপাকে পড়েন রানির বোন তানিশা

'বডি সেমিং'-এর মতো অপমানজনক ঘটনা তো আখছার শোনা যায়। সম্প্রতি বঙ্গললনা তানিশা মুখোপাধ্যায় সেই রকমই এক ভয়ংকর অভিজ্ঞার কথা শেয়ার করলেন। জামাইবাবুর নির্দেশে নির্মেদ শরীর গঠন করতে গিয়ে কী হয়েছিল কাজলের বোন তানিশার?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১০, ২০২৬, ১৪:৫৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১০, ২০২৬, ১৪:৫৫

options
link
নির্মেদ শরীর চাই! জামাইবাবু আদিত্য চোপড়ার নির্দেশ মেনেই বিপাকে পড়েন রানির বোন তানিশা zoom
Advertisement

ইন্ডাস্ট্রির গ্ল্যামার, নাম যশ প্রতিপত্তির নেপথ্যে থাকে অনেকে অজানা কাহিনি। বিশেষ করে টিনসেল টাউনের অভিনেত্রীদের এমন অনেক কাহিনি উঠে আসে পেজ থ্রির খবরে। কখনও আবার তাঁরা নিজেরাই জীবনে ঘটে যাওয়া সেই ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আনেন। ‘বডি সেমিং’-এর মতো অপমানজনক ঘটনা তো আখছার শোনা যায়। সম্প্রতি বঙ্গললনা তানিশা মুখোপাধ্যায় সেই রকমই এক ভয়ংকর অভিজ্ঞার কথা শেয়ার করলেন। দীর্ঘ ২১ বছর আগে ‘বডি সেমিং’র শিকার হন কাজলের বোন তানিশা।

‘নীল অ্যান্ড নিক্কি’ ছবিতে কাজের আগেই তাঁকে ‘লভ হ্যান্ডেল’ অর্থাৎ কোমরের কাছের মেদ ঝরিয়ে তন্বী হওয়ার উপদেশ দেওয়া হয়। কেরিয়ারের স্বার্থে শরীরে হরমোনের ভারসাম্যও নষ্ট হয়ে যায়। আর এই পুরো ঘটনার নেপথ্যে ছিলেন তানিশার তুতো বোন রানি মুখোপাধ্যায়ের স্বামী আদিত্য চোপড়া, সম্পর্কে যিনি তাঁর জামাইবাবু। ছবির প্রথম ফটোশুটের সময় আদিত্য চোপড়া তাঁর চেহারা নিয়ে মোটেই সন্তুষ্ট ছিলেন না। দেখা মাত্রই বলেছিলেন, ‘নিক্কি’ চরিত্রের জন্য নির্মেদ শরীর প্রয়োজন।

Advertisement

কঠোর শারীরিক শ্রম ও অতিরিক্ত চাপের ফলেই তানিশার শরীরে হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়েছিল। সিনেমার কাজ শেষ হতেই হঠাৎ ওজন বৃদ্ধি পেতে থাকে। অনেক বছর ধরে শরীরচর্চা ও নিয়ন্ত্রিত জীবন যাপনের পরে ওজন নিয়ন্ত্রণে আনেন তানিশা।

‘নিক্কি’র জন্য কী করেছিলেন তানিশা?

তানিশা বলেন, “নীল অ্যান্ড নিক্কি’র প্রথম ফটোসেশনে আমার শরীরে অনেক লাভ হ্যান্ডল (কোমরের মেদ) ছিল। তখন তিনি বলেছিলেন, তোমাকে এভাবে দেখালে তো চলবে না একদম ছিমছাম ফিগার প্রয়োজন। সেই প্রথম ফটোসেশনের পর আমি নিয়ম মেনে শরীরচর্চা করতাম, খাদ্যাভ্যাসেও ছিল কড়া নিয়ন্ত্রণ। শারীরিক গঠন সম্পূর্ণ বদলে ফেলেছিলাম। কারণ সেই মুহূর্তে আমার লক্ষ্য ছিল একটাই, ‘নিক্কি’ হয়ে উঠতে হবে। এরপর আমাকে দেখে বলেছিল, হ্যাঁ, এটাই তো আমার নিক্কি।”

 
 
 
 
 
View this post on Instagram
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

A post shared by Tanishaa Mukerji (@tanishaamukerji)

এই কঠোর শারীরিক শ্রম ও অতিরিক্ত চাপের ফলেই তানিশার শরীরে হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়েছিল। সিনেমার কাজ শেষ হতেই হঠাৎ ওজন বৃদ্ধি পেতে থাকে। অনেক বছর ধরে শরীরচর্চা ও নিয়ন্ত্রিত জীবন যাপনের পরে ওজন নিয়ন্ত্রণে আনেন তানিশা। তাঁর কথায়, “যদি দীর্ঘদিন এমন ছিপছিপে শরীর ধরে রাখতে হয় তাহলে হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে। আমার ক্ষেত্রে ঠিক সেটাই ঘটেছিল।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.