BREAKING NEWS

১৭ অগ্রহায়ণ  ১৪২৮  শনিবার ৪ ডিসেম্বর ২০২১ 

READ IN APP

Advertisement

বিতর্কের জেরেই কি ‘ককপিট’-এর টিজার থেকে সরানো হল প্রসেনজিৎকে?

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: August 30, 2017 8:14 am|    Updated: October 2, 2019 12:34 pm

After row Prosenjit Chatterjee goes missing from Dev’s ‘Cockpit’ teaser

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পুজোয় সাত-সাতটি বাংলা সিনেমা। কোনটা ছেড়ে কোনটা দেখবেন, তা ঠিক করতেই হিমশিম খাচ্ছেন দর্শকরা। তার মধ্যে আবার ধন্দ। বাংলা ছবির ‘মহীরূহ’ প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে দেখা যাচ্ছে দুটো ছবিতে। সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের পরিচালনায় ‘ইয়েতি অভিযান’-এ কাকাবাবু হয়ে আসছেন তিনি। অন্যদিকে দেবের প্রযোজনায় কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়ের ‘ককপিট’ ছবির টিজারেও দেখা মিলেছিল তাঁর। স্বাভাবিকভাবেই খানিকটা সংশয় দেখা দিয়েছিল দর্শকদের মধ্যে। ইন্ডাস্ট্রির অন্দরেও চলছিল চাপা গুঞ্জন। শেষমেশ অবশ্য ককপিট টিজার থেকে সরানো হল প্রসেনজিতকে। সম্প্রতি ‘রি-এডিটেড’ টিজার পোস্ট করলেন দেব স্বয়ং।

টিজারেই দর্শকদের চমকে দিল দেবের নতুন সিনেমা ‘ককপিট’, শুরু বিতর্কও  ]

বিষয় বৈচিত্রে বাংলা ছবি টেক্কা দিতে পারে যে কোনও আঞ্চলিক ভাষার ছবিকে। সাম্প্রতিক অতীতে জাতীয় পুরস্কারের দিকে চোখ রাখলেই তা স্পষ্ট। কিন্তু হল, ডিস্ট্রিবউশনের মতো পরিকাঠামোগত বিষয়ে কিছু সমস্যা এখনও থেকে গিয়েছে।  কখনও কোনও বিশেষ প্রযোজনা সংস্থার বিরুদ্ধে একচেটিয়া আধিপত্যের অভিযোগও উঠেছে। ঠিক এই প্রেক্ষিতেই এবার পুজোয় মুক্তি পেতে চলেছে সাত-সাতটি বাংলা ছবি। দর্শক টানার প্রতিযোগিতায় নেমেছেন সৃজিত মুখোপাধ্যায়, কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়, অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়, অঞ্চন দত্ত, রাজ চক্রবর্তীর মতো তাবড় পরিচালকরা। কেন এই সিদ্ধান্ত? সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল-এর সঙ্গে একান্ত আড্ডায় পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, এই সময় ‘ফুটফল’ বেশি থাকে। পুজোয় ছবি মুক্তির সেটা অন্যতম কারণ। কিন্তু এটাকে সামনে রেখে যদি একসঙ্গে সাতটি ছবি মুক্তি পায় তবে হল পাওয়া যে মুশকিল হবে তা আঁচ করতে বিশেষ কষ্ট করতে হয় না।

এই পরিস্থিতিতে যে কোনও প্রযোজকই চাইবেন, তাঁর তুরুপের তাসটি সামনে এনে দর্শককে নিজের দিকে টানতে। দেবের দ্বিতীয় প্রযোজনায় ককপিট-এর টিজারে প্রসেনজিতের উপস্থিতি ছিল সেরকমই একটা চমক।  সাধারণত ক্যামিও রোলে যিনি থাকেন তাঁকে লুকিয়েই রাখেন পরিচালক-প্রযোজকরা।  পরিবর্তিত পরিস্থিতিতেই সম্ভবত একেবারে উলটো পথে ধরেছিলেন তিনি।  কিন্তু তাতে বিতর্ক বাড়ে বই কমেনি। কীসের বিতর্ক? দর্শকের মধ্যে ধন্দ দেখা দিতে পারে এটা প্রত্যাশিত।  দ্বিতীয়ত, যেদিন এ টিজার সামনে আসে সেদিনই স্বয়ং প্রসেনজিৎ টুইট করে জানান, সাময়িক স্বার্থের জন্য কখনও দর্শককে সংশয়ে রাখা উচিত নয়। সকলেরই একটা ভদ্রতা বজায় রাখা উচিত। এই টুইট নিয়েই ঝড় ওঠে। তাঁর মতো সিনিয়র অভিনেতা যখন এই কথা বলেন, তখন কোথাও যে তিনি অসন্তুষ্ট তা প্রতিপন্ন হয়।

prosenjit-tweet_web

এরপরই নতুন করে পোস্ট হল ককপিট-এর টিজার। সমস্ত বিতর্কের অবসান করতেই যে এই প্রয়াস তা দেবের টুইটের ভাষাতেই স্পষ্ট। বিস্তর ঝড়ঝাপটা যে তাঁকে সহ্য করতে হয়েছে, তা ‘টার্বুল্যান্স’ কথাটি ব্যবহার করেই বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনি।  তবে শেষমেশ প্রসেনজিৎ ও দেবের উদ্দেশ্য একই গন্তব্যে পৌঁছেছে। প্রসেনজিতও চাননি, এই নিয়ে দর্শকদের মধ্যে কোনও ধন্দ দেখা দিক।  দেবও জানালেন, শেষমেশ উড়ানটা ভাল হওয়ায়ই জরুরি। নিঃসন্দেহে সে উড়ান বাংলা ছবির।

dev

দুই নায়কের এই প্রচেষ্টা বাংলা ছবির ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যকর হবে বলেই মনে করছেন বাংলা ছবির দর্শক।

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে