Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Akshay Kumar Rajpal Yadav

‘তাড়াহুড়ো করে শর্টকাটে টাকা কামাতে যেও না’! জেলফেরত রাজপাল যাদবকে উপদেশ বন্ধু অক্ষয়ের

'হেরা ফেরি’, ‘ভুল ভুলাইয়া’, ‘ভাগম ভাগ’-সহ খিলাড়ির একাধিক সিনেমা রাজপালের কৌতুকাভিনয় ও সংলাপে হাততালি কুড়িয়েছে। দু’জনের কমিক টাইমিংও বহুল প্রশংসিত। সেখান থেকেই রাজপাল-অক্ষয়ের বন্ধুত্ব আরও গাঢ় হয়। এবার বন্ধু, সহ-অভিনেতার দুর্দিনে বড় উপদেশ দিলেন অক্ষয় কুমার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৮, ২০২৬, ১৪:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৮, ২০২৬, ১৪:১৬

options
link
‘তাড়াহুড়ো করে শর্টকাটে টাকা কামাতে যেও না’! জেলফেরত রাজপাল যাদবকে উপদেশ বন্ধু অক্ষয়ের zoom
রাজপাল যাদবকে কী উপদেশ দিলেন বন্ধু অক্ষয় কুমার? ছবি- ইনস্টাগ্রাম

৯ কোটির চেক বাউন্স মামলায় গত ফেব্রুয়ারি মাসেই দিল্লি উচ্চ আদালতে বড় স্বস্তি পেয়েছেন রাজপাল যাদব। অন্তর্বর্তীকালীন জামিনে তিহাড় জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পর লাইট, ক্যামেরা, অ্যাকশনের দুনিয়াতেও ফিরেছেন অভিনেতা। রাজপাল বর্তমানে অক্ষয় কুমারের সঙ্গে তাঁর আসন্ন সিনেমা ‘ভূত বাংলা’র প্রচারে ব্যস্ত। সেই ছবির প্রোমোশনের মাঝেই এবার জেলফেরত বন্ধু, সহ-অভিনেতাকে বড় উপদেশ দিলেন ‘খিলাড়ি’।

“ওঁর মধ্যে একটা গুণ রয়েছে। কোনও অভিনেতা যদি ১০০ শতাংশ চেষ্টা করেন, রাজপাল সেটাই ১২০-১৪০ শতাংশ উজাড় করে দেয়। তাই রাজপাল যাদবের সঙ্গে কাজ করাটা বরাবরই খুব মজার। আমাদের খুনসুঁটিও এতটাই স্বাভাবিক যে কখনও কখনও তো চিত্রনাট্যেও কিছু সংলাপ লেখা থাকে না। আমাদের নিজস্ব ইম্প্রোভাইজেশনই পছন্দ হয়ে যায় প্রিয়দর্শনের।…”

‘ভূত বাংলা’র প্রচারে প্রয়াত আসরানির তরফে পাওয়া এক মূল্যবাণ উপদেশের কথা বলছিলেন অক্ষয় কুমার। সেসময়েই রাজপালের কোটি টাকার চেক বাউন্স মামলার প্রসঙ্গ উত্থাপন হয়। কথায় কথায় খিলাড়ি বলেন, আসরানি সা’ব যে উপদেশ দিয়েছিলেন, এই বিষয়েও সেটা ভীষণই প্রাসঙ্গিক। আমি রাজপালকেও সেকথাই বলছিলাম যে, কোনওদিন প্রযোজক হতে যেও না। কারণ আমরা অভিনেতা। কীভাবে ছবি প্রযোজনা করতে হয় সেই স্ট্র্যাটেজি শুধুমাত্র প্রযোজকরাই খুব ভালো জানেন। তাই সেই কৌশল রপ্ত না করে প্রযোজক হওয়ার চেষ্টা করা উচিত নয়। কেউ যদি অভিনেতা হন, তাহলে সেই সত্ত্বাই ধরে রাখা উচিত। তাড়াহুড়ো করে শর্টকাটের মাধ্যমে টাকা কামানোর কথা ভুলেও ভাবতে যেও না।” এখানেই অবশ্য থামেননি ‘খিলাড়ি’।

Advertisement
‘খাটটা মিঠ্ঠা’ ছবির দৃশ্যে অক্ষয়-রাজপাল, ছবি- সংগৃহীত

জেলফেরত অভিনেতার উদ্দেশে অক্ষয়ের সংযোজন, “আশা করি, রাজপাল এই পরিস্থিতি থেকে পুরোপুরি বেরিয়ে আসবে। ও অসাধারণ একজন অভিনেতা! কারণ ওঁর মধ্যে একটা গুণ রয়েছে। কোনও অভিনেতা যদি ১০০ শতাংশ চেষ্টা করেন, রাজপাল সেটাই ১২০-১৪০ শতাংশ উজাড় করে দেয়। তাই রাজপাল যাদবের সঙ্গে কাজ করাটা বরাবরই খুব মজার। আমাদের খুনসুঁটিও এতটাই স্বাভাবিক যে কখনও কখনও তো চিত্রনাট্যেও কিছু সংলাপ লেখা থাকে না। আমাদের নিজস্ব ইম্প্রোভাইজেশনই পছন্দ হয়ে যায় প্রিয়দর্শনের।” উল্লেখ্য, ‘হেরা ফেরি’, ‘ভুল ভুলাইয়া’, ‘ভাগম ভাগ’-সহ খিলাড়ির একাধিক সিনেমা রাজপালের কৌতুকাভিনয় ও সংলাপে হাততালি কুড়িয়েছে। দু’জনের কমিক টাইমিংও বহুল প্রশংসিত। সেখান থেকেই রাজপাল-অক্ষয়ের বন্ধুত্ব আরও গাঢ় হয়। এবার বন্ধু, সহ-অভিনেতার দুর্দিনে বড় উপদেশ দিলেন অক্ষয় কুমার।

একফ্রেমে রাজপাল-অক্ষয়। ছবি- সংগৃহীত

২০১০ সালে ‘আতা পাতা লাপাতা’ সিনেমার জন্য মুরালি প্রজেক্ট নামে দিল্লির এক সংস্থার থেকে ৫ কোটি টাকা ধার করেছিলেন অভিনেতা। সেই ছবির বক্স অফিসে ভরাডুবি হওয়ায় টাকা ফেরত দিতে পারেননি তিনি। ফলত, মামলা গড়ায় আদালত অবধি। এরপরই ২০১৮ সালের এপ্রিল মাসে ম্যাজিস্ট্রেট আদালত রাজপালকে ৬ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছিল। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে দিল্লি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন অভিনেতা এবং তাঁর স্ত্রী। চেক বাউন্সের মামলায় সেসময়ে তাঁদের সাজা স্থগিত হয়ে যায়। ২০২৪ সালে ফের দোষী সাব্যস্ত হলেও রাজপালের সাজা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়। মামলাকারীদের সঙ্গে সমঝোতা করে বা আর্থিক ক্ষতিপূরণ দিয়ে বিষয়টির নিষ্পত্তি হয়ে যাবে বলেই আশা করেছিল আদালত। এরমাঝেই ঋণের বোঝা বেড়ে ৯ কোটিতে দাঁড়ায়। কিন্তু পরে জানা যায়, পঁচিশের অক্টোবর মাসে দেড় কোটি টাকা ডিমান্ড ড্রাফটে জমা দিয়েছেন অভিনেতা। তবুও বকেয়া রয়ে গিয়েছিল বেশ কয়েক কোটি টাকা। তবে অন্তর্বর্তীকালীন জামিনে মুক্তি পেয়ে এবার সেই টাকা মেটানোর দৌড়ে রাজপাল যাদব।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.