Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Varun Dhawan

মাঝেমধ্যেই বেঁকে যায় পা! মেয়ের বিরল অসুখের কথা বলতে গিয়ে আবেগপ্রবণ বরুণ ধাওয়ান

বিরল রোগে আক্রান্ত বরুণ ধাওয়ানের মেয়ে। ব্যক্তিগতজীবন বরাবর ক্যামেরার অন্তরালে রাখতেই পছন্দ করেন, তবে এইপ্রথমবার সংসার, সন্তান নিয়েও কথা বললেন অভিনেতা। কী হয়েছে দেড় বছরের খুদের?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৮, ২০২৬, ০৯:৩৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৮, ২০২৬, ০৯:৩৭

options
link
মাঝেমধ্যেই বেঁকে যায় পা! মেয়ের বিরল অসুখের কথা বলতে গিয়ে আবেগপ্রবণ বরুণ ধাওয়ান zoom
বিরল রোগে আক্রান্ত বরুণ ধাওয়ানের মেয়ে। ছবি- সংগৃহীত
Advertisement

চব্বিশ সালের জুন মাসেই পিতৃত্বের স্বাদ পেয়েছেন বরুণ ধাওয়ান। যদিও ব্যক্তিগতজীবন বরাবর ক্যামেরার অন্তরালে রাখতেই পছন্দ করেন অভিনেতা, তবে এইপ্রথমবার লাইট, ক্যামেরা, অ্যাকশনের দুনিয়ার কাজ সামলানোর পাশাপাশি সংসার, সন্তান নিয়েও কথা বললেন বরুণ। সম্প্রতি ‘বি আ ম্যান, ইয়ার!’ পডকাস্টে যোগ দেন তিনি। সেখানেই দেড় বছর বয়সি কন্যার বিরল রোগভোগের কথা জানালেন বরুণ ধাওয়ান।

“সেইজন্যেই হাঁটতে গিয়ে মাঝেমধ্যে ওর পা বেঁকে যায়। খুব ছোট থেকেই লারার চিকিৎসা চলছে। আড়াই মাস স্পাইকা পরে থাকতে হয়েছিল আমার মেয়েকে। চিকিৎসার এই ধাপটি খুব কঠিন।…”

বরুণ-নতাশার মেয়ে লারা ‘ডিডিএইচ’ নামক এক রোগে আক্রান্ত। চিকিৎসার ভাষায় যাকে বলা হয়, ‘ডেভেলপমেন্টাল ডিসপ্লেসিয়া অফ দ্য হিপ’। এই রোগের ফলে শিশুর নিতম্বের সন্ধি সঠিকভাবে গঠন হয় না। ফলত কোমরের দিকের অংশ খানিকটা বেরিয়ে আসে এবং দুই পায়ের দৈর্ঘ্যে অসামঞ্জস্য থাকে। যার জেরে হাঁটাচলায় অসুবিধে হয়। ‘ডিডিএইচ’-এ আক্রান্তদের শৈশব থেকেই বাতের সমস্যায় ভুগতে হয়। বরুণকন্যা লারাও এই বিরল রোগে শিকার। অভিনেতা জানালেন, “সেইজন্যেই হাঁটতে গিয়ে মাঝেমধ্যে ওর পা বেঁকে যায়। খুব ছোট থেকেই লারার চিকিৎসা চলছে। আড়াই মাস স্পাইকা পরে থাকতে হয়েছিল আমার মেয়েকে। চিকিৎসার এই ধাপটি খুব কঠিন।”

Advertisement
স্ত্রী নতাশা দালালের সঙ্গে বরুণ ধাওয়ান। ছবি- সংগৃহীত

বরুণের কথায়, “লারার কোনও অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয়নি। কারণ ডাক্তাররা একটি বিশেষ পদ্ধতিতে সমস্যার সমাধান করতে সক্ষম হয়েছেন। আমার মেয়েকে অচৈতন্য করে স্পাইকা কাস্ট পরানো হত। ওই আড়াই মাস আমাদের পরিবার খুব কষ্টের মধ্যে দিয়ে গিয়েছে। বাইরের দেশে জন্মের সময় থেকেই চিকিৎসা করানোর সুযোগ পাওয়া যায়। তবে আমাদের দেশে সব জায়গায় ‘ডিডিএইচ’-এর চিকিৎসা হয় না। তবে ভালো এখন আর ওকে কাস্ট পরে থাকতে হয় না।” কিন্তু এতদিন বাদে কেন লারার বিরল রোগের কথা জানালেন বরুণ ধাওয়ান? এপ্রসঙ্গে অভিনেতা জানিয়েছেন, আর পাঁচজন বাবা-মাকে সচেতন করার জন্যেই ‘ডেভেলপমেন্টাল ডিসপ্লেসিয়া অফ দ্য হিপ’ রোগটি নিয়ে কথা বলা। বাবা হিসেবে সন্তানের কষ্ট সহ্য করা খুবই কষ্টকর, কিন্তু এই কঠিন সময়ে যে বাবা ডেভিড ধাওয়ানই তাঁকে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে, সেকথা বলতেও ভোলেননি বলিউড অভিনেতা।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.