BREAKING NEWS

১২ আশ্বিন  ১৪২৭  বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

করোনা আতঙ্কের মাঝেই স্ত্রী টুইঙ্কলকে নিয়ে হাসপাতালে কেন ছুটলেন অক্ষয়? জানুন সত্যিটা

Published by: Sandipta Bhanja |    Posted: March 31, 2020 11:30 am|    Updated: March 31, 2020 11:30 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা আতঙ্কের মাঝেই স্ত্রী টুইঙ্কলকে নিয়ে হাসপাতালে দৌড়লেন অক্ষয় কুমার। অক্ষয়ের মুখে মাস্ক। গাড়ির চালকের আসনে। দ্রুত গতিতে মুম্বইয়ের রাজপথ দিয়ে ছুটিয়ে নিয়ে চলেছেন গাড়ি। রবিবার নিজের সোশ্যাল হ্যান্ডেলে টুইঙ্কল নিজে শেয়ার করেছেন সেই ছবি। সেই ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই আতঙ্ক এবং একরাশ উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে অনুরাগীদের মাঝে। তাহলে কি বলিউডের খিলাড়ি কুমারের বাড়িতেও বিপদ ঘনিয়েছে? অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন।

টুইঙ্কেলের হলটা কী? কেনই বা ছুটে গেলেন হাসপাতালে? উদ্বিগ্ন অনুরাগীদের অভয়বাণী দিয়ে অভিনেত্রী তথা লেখিকা নিজেই খোলসা করলেন কারণটা। আসলে এমন কঠিন পরিস্থিতির মাঝেই পা ভেঙেছে তাঁর। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলের দ্বিতীয় টুইটে টুইঙ্কল নিজেই শেয়ার করেছেন তাঁর ভাঙা পায়ে প্লাস্টার জড়ানো ছবি।

টুইটারে নিজের প্লাস্টার করা পায়ের ছবি পোস্ট করে টুইঙ্কল লিখেছেন, “করণ কাপাডিয়ার থেকে পরামর্শ নিচ্ছি আপাতত।” বাচ্চারা তাঁর পায়ের প্লাস্টারের উপর যেভাবে রং-বেরঙের আঁকিবুকি কেটেছে সে ছবিও প্রকাশ্যে এলেছেন ‘মিসেস ফানিবোনস’। লিখেছেন, “দেখুন, আমার সন্তানরা পায়ের উপর টিক-ট্যাক-টো খেলেছে কীভাবে!” রসিকতা করে অক্ষয় ঘরণি পাশাপাশি এও বলেছেন যে, “এর থেকে পা ভাঙার উপযুক্ত সময় বোধহয় আর ছিল না! এই লকডাউনে কোথাও যেতেও পারবো না আমি।” তবে কীভাবে তাঁর পায়ের পাতা ভেঙেছে, সে বিষয়ে অবশ্য ভক্তদের কিছু জানাননি লেখিকা-অভিনেত্রী টুইঙ্কল খান্না।

[আরও পড়ুন: অভিনব উদ্যোগ, লকডাউনে ২৫ হাজার দিনমজুরের দায়িত্ব নিলেন সলমন খান]

প্রসঙ্গত, শনিবারই করোনা মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ২৫ কোটি টাকা দান করেছেন অক্ষয় কুমার। এই দুঃসময়ে অক্ষয়ের এই পদক্ষেপে খুশি অনুরাগীরা। অক্ষয় অবশ্য সবসময়েই দুর্দিনে সাধারণ মানুষের পাশে থেকেছেন, সে ভয়াবহ করলের বন্যা হোক কিংবা ওড়িশার বন্যা। সেনা জওয়ানদেরও সাহায্য করেছেন একাধিকবার। আর স্বামীর এই উদ্যোগে কিন্তু বেজায় খুশি তাঁর স্ত্রী টুইঙ্কল। একটি টুইট শেয়ার করে টুইঙ্কল জানিয়েছেন যে “অক্ষয়ের স্ত্রী হয়ে আমি সবসময়ে গর্ববোধ করি। কারণ এত বড় একটা অঙ্কের টাকার তড়িঘড়ি ব্যবস্থা করাও কঠিন। তাই আমি ওকে ভাবতে বলেছিলাম। কিন্তু পরিবর্তে ও আমাকে বলল- যখন আমার কিছু ছিল না, তখন থেকে শুরু করেছিলাম। বর্তমানে যে পর্যায়ে পৌঁছেছি, সেখানে থেকে কীভাবে অসহায় মানুষগুলোর দিক থেকে চোখ ফিরিয়ে নেব! কীভাবে সাহায্য না করে, তাঁদের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে থাকব!” আর অক্ষেয়ের এমন উত্তরই মন জিতে নিয়েছিল টুইঙ্কেলের।

[আরও পড়ুন: ‘ক্রিটিকস চয়েস ফিল্ম অ্যাওয়ার্ডস’-এ সেরা অভিনেত্রী, বাবাকে পুরস্কার উৎসর্গ স্বস্তিকার]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement