Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১১ জুলাই ২০২৬
EIMPA

সিনেমা হলে বাংলা ছবি দেখানোর খরচ কমল এক তৃতীয়াংশ, ইম্পার উদ্যোগ নিয়ে কী বলছে টলিউড?

টলিউডের জন্য কি সত্যিই সুখবর?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৮, ২০২৪, ২১:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৮, ২০২৪, ২১:১৭

options
link
সিনেমা হলে বাংলা ছবি দেখানোর খরচ কমল এক তৃতীয়াংশ, ইম্পার উদ্যোগ নিয়ে কী বলছে টলিউড? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বেশ কয়েক বছর ধরেই সোশাল মিডিয়ায় ‘বাংলা ছবির পাশে দাঁড়ান’ ট্রেন্ড। অন্যান্য ভাষার সিনেমা মুক্তি পেলেই, অনেক সময়ই দেখা যায় বাংলা ছবি অল্প কয়েকদিন চলেই সিনেমাহল থেকে গায়েব। ভালো কনটেন্ট, ভালো স্টারকাস্ট সত্ত্বেও প্রেক্ষাগৃহে বেশিদিন ঠাঁই পায় না। এবার এই মুশকিলই কিছুটা আসান করতে এগিয়ে এল ইম্পা। ইম্পার তরফ থেকে নেওয়া হল এক দারুণ উদ্য়োগ। দীর্ঘদিনের লড়াইয়ের পর ইম্পার উদ্যোগে বাংলা ছবির ডিজিটাল প্রোজেকশন চার্জ এক লাফে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ কমিয়ে দিল ইউফো। যার ফলে বাংলা ছবি প্রদর্শনের ক্ষেত্রে অনেকটাই খরচ কমবে ডিস্ট্রিবিউটার, প্রযোজকদের। 

ইম্পার তরফ থেকে জানানো হল, যেখানে হিন্দি এবং অন্যান্য ভাষার ছবি এত দিন পশ্চিমবঙ্গে ৭ দিন সিনেমা হলে দেখানোর জন্য সাড়ে ৫ হাজার টাকা খরচ হত। সেখানে বাংলা ছবিকে সেই জায়গায় দিতে হত ৭ হাজার টাকা। সুতরাং খরচ দাঁড়াত প্রতিদিন হাজার টাকা। ইম্পার উদ্যোগে সেই খরচই এবার কমতে চলেছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: জটিল রোগে আক্রান্ত অলকা ইয়াগনিক! কোন বিপর্যয়ের মুখে পড়লেন?]

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটালকে ইম্পার সভাপতি পিয়া সেনগুপ্ত জানিয়েছেন, ”বহুদিন ধরেই ইউফোর সঙ্গে আলাপ আলোচনা চলছিল। দীর্ঘ বৈঠকেও হয়েছে। বৈঠকের পরই ইউফো বাংলা ছবির ডিজিটাল প্রোজেকশন চার্জ কমাতে রাজি হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এ বার প্রতি বাংলা ছবির খরচ দাঁড়াবে সপ্তাহে ২১০০ টাকা। এর উপর থাকবে জিএসটি । নতুন হিসেব অনুযায়ী, প্রতি দিনের খরচ দাঁড়াবে ৩০০ টাকা থেকে বড় জোর ৫০০ টাকা।”  বুধবার এক সাংবাদিক বৈঠকের মাধ্যমে ইম্পার তরফ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই সিদ্ধান্ত জানানো হবে। 

ইম্পার এমন উদ্য়োগে স্বাভাবিকভাবেই খুশি টলিউডের প্রযোজক, পরিচালকরা। এই বিষয় নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটালের তরফ থেকে যোগাযোগ করা হয় পরিচালক অতনু ঘোষের সঙ্গে। তাঁর কথায়, ”অবশ্যই বাংলা সিনেমার জন্য এটা সুখবর। এই ধরনের উদ্যোগে যেকোনও আঞ্চলিক ছবিই উপকৃত হবে। তবে আমার মনে হয়, এর সঙ্গে মাল্টিপ্লেক্সের চড়া টিকিটের দামটা নিয়ে ভাবনা চিন্তা করা উচিত।” পরিচালক অনীক দত্ত ‘অপরাজিতা’ ছবির প্রযোজক ফিরদৌসুল হাসানের কথায়, ”খুবই সাধু উদ্য়োগ। বাংলা সিনেমার সত্যিই খুব উপকার হবে। অন্যভাষার সঙ্গে বক্স অফিসের লড়াইটা একটু সহজ হবে। ”

ইম্পার এই উদ্যোগ নিয়ে প্রযোজক রানা সরকার সোশাল মিডিয়ার লম্বা পোস্টে লিখলেন, ”প্রিয় শ্রীকান্তদা ও মনিদা, নিশ্চয় খবর পেয়েছ EIMPA-এর উদ্যোগে UFO বাংলা সিনেমার জন্য Digital Projection Charge একলাফে 1/3rd কমিয়ে দিয়েছে। এতদিন digital projection-এ সারা ভারতবর্ষের মধ্যে একমাত্র বাংলা সিনেমার প্রযোজকদের সবচেয়ে বেশি টাকা দিতে হতো, হিন্দি সিনেমা বা অন্যান্য রিজিওনাল সিনেমার থেকে অনেক বেশি। কলকাতার যেকোন সিনেমা হলে হিন্দি বা দক্ষিণী সিনেমার Digital Charge যা দিতে হয় বাংলা সিনেমার মত ধুঁকতে থাকা একটি ইন্ডাস্ট্রির জন্য টাকা কেন বেশি দিতে হবে সেই নিয়ে অনেক আন্দোলন হয়েছে। আমরাও অনেক চেষ্টা করেছি যাতে এই Charge কমানো হয়, কিন্তু এতদিন হয়নি।

 

রানা সরকার এই পোস্টে আরও লেখেন,  ”এখন UFO প্রতি সপ্তাহে ৭০০০ টাকা থেকে কমিয়ে মাত্র ২১০০ টাকা বাংলা সিনেমার জন্য rate করতে রাজি হয়েছে। কিন্তু শ্রীকান্তদা/মণিদা, তোমরা তো জানো, UFO-এর কাছে বেশি সিনেমা হল নেই। অধিকাংশ সিনেমা হলে SVF-এর QUBE projection system চলে। শ্রীকান্ত/মণিদা: এটা বলতে কোনো দ্বিধা নেই একা SVF দীর্ঘদিন ধরে বাংলা সিনেমাকে বাঁচিয়ে রেখেছে। এখন প্লিজ, QUBE-এর চার্জ ও UFO-এর সমান কমিয়ে দাও। তাহলে আমার মত ছোট প্রযোজকরা আরো সিনেমা বানানোর সাহস পাবে। বাংলা সিনেমার এই খারাপ সময়ে আমি এবং আমরা শুধু আমাদের শ্রীকান্ত ও মণিদাকেই চাই।প্লিজ QUBE-এর টাকা কমিয়ে দাও।”

 

 

[আরও পড়ুন: বিয়ের আগে উদ্দাম পার্টি সোনাক্ষী-জাহিরের! শেয়ার করলেন একাধিক ছবি]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.