Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২০ জুলাই ২০২৬
Anuradha Paudwal

‘সমকামী-রূপান্তরকামীরা বিয়ে করে পবিত্রতা নষ্ট করছে’, অনুরাধার মন্তব্যে নয়া বিতর্ক

'এলজিবিটিকিউ' সম্প্রদায়কে নিয়ে অসংবেদনশীল শব্দবন্ধনীতে তুমুল সমালোচনার শিকার প্রবীণ সঙ্গীতশিল্পী অনুরাধা পড়োয়াল।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৯, ২০২৬, ১৪:২৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৯, ২০২৬, ১৪:২৫

options
link
‘সমকামী-রূপান্তরকামীরা বিয়ে করে পবিত্রতা নষ্ট করছে’, অনুরাধার মন্তব্যে নয়া বিতর্ক zoom
সমকামী বা রূপান্তরকামীদের নিয়ো অসংবেদনশীল মন্তব্য অনুরাধা পড়োয়ালের
Advertisement

অনুরাধা পড়োয়াল, যাঁর কণ্ঠের মহিমায় উদ্বেলিত হয় আসমুদ্রহিমাচল সেই কণ্ঠই এখন সকলের ‘চক্ষুশূল’! কণ্ঠ নিঃসৃত শব্দ যখন সুরের বাঁধনে বাঁধা পড়ে তখন তা হয়ে ওঠে শ্রুতিমধুর। কিন্তু, সম্প্রতি সেই সুরেলা কণ্ঠে ‘এলজিবিটিকিউ’ সম্প্রদায়কে নিয়ে অসংবেদনশীল শব্দবন্ধনীতে তুমুল সমালোচনার শিকার এই প্রবীণ সঙ্গীতশিল্পী। বিয়ের মতো পবিত্র সম্পর্ক নাকি রূপান্তকামীদের জন্য বিশেষভাবে প্রভাবিত হচ্ছে।

তাঁর মতে, সমাজে সমকামীতা, রূপান্তরকামীদের বাড়বাড়ন্তেই বিয়ে পবিত্রতা নষ্ট হচ্ছে। সম্প্রতি এক পডকাস্টে অতিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শিল্পী অনুরাধা পড়োয়াল। সেখানেই এধরনের ‘আপত্তিকর’ মন্তব্যের জেরে ক্ষোভের মুখে শিল্পী। তাঁর কাছে শোয়ের সঞ্চালকের প্রশ্ন, ভারতে বিয়ে নামক প্রতিষ্ঠানের গুরুত্ব বা পবিত্রতা আগের তুলনায় কমে গিয়েছে?

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
অনুরাধা পড়োয়াল

উত্তরে অনুরাধা বলেন, “বিয়ের পবিত্রতা আর আগের মতো নেই। এর একটি কারণ ‘এলজিবিটিকিউ’ সম্প্রদায়কে দেওয়া অগ্রাধিকার। তাঁরা সমাজে কী অবদান রাখছে সেটা আমি জানতে চাই। কীভাবে তাঁরা এই সমাজের উপকার করছে? একজন ছেলে ও একজন মেয়ে বিয়ে করে পরিবার গড়লে সেটাই স্বাভাবিক ও সঠিক। কিন্তু এই সম্প্রদায়ের ক্ষেত্রে…? প্রায়ই এধরনের খবর নজরে আসে। সমাজের কল্যাণে তাঁদের কী ভূমিকা?”

তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে তোলপাড়। সোশাল মিডিয়ায় তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন অনুরাধা। অনেকের মতে, ‘এলজিবিটিকিউ’ সম্প্রদায় নিয়ে যথেষ্ট জ্ঞান না থাকা সত্ত্বেও তাঁর এমন মন্তব্য করা উচিত হয়নি। অনুরাধার এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে এক ব্যক্তি সমাজে তাঁদের ভূমিকা নিয়ে বিশদে লেখেন, ‘আমি বলছি তাঁরা কীভাবে অবদান রাখছে। তাঁরা আইনত বিয়ে করতে চায়। আইনিভাবে অনাথ শিশুদের দত্তক নিতে চায়। এই লাইনগুলোর মধ্যেই সব উত্তর রয়েছে।’

অপর এক ব্যক্তির অনুরাধার উদ্দেশে পালটা প্রশ্ন, ‘বাঁ-হাতি মানুষ সমাজে কী অবদান রাখে? সমকামী বা রূপান্তরকামী হওয়ার সঙ্গে পেশা বা সামাজিক ভূমিকা কোনওভাবেই সম্পর্কিত নয়। এঁরা সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রেই বাকি পাঁচজনের মতো অবদান রাখছেন। একজন মানুষের মূল্য নির্ধারিত হয় তাঁর চরিত্র, মানবিকতা ও কাজ দিয়ে। তিনি কাকে ভালোবাসেন সেই প্রেক্ষিতে নয়।’

 
 
 
 
 
View this post on Instagram
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

A post shared by Yes, We Exist 🏳️‍⚧️🏳️‍🌈 (@yesweexistindia)

অপর এক ব্যক্তির দাবি, “আপনার-আমার মতো বহু মানুষই সমাজে অবদান রেখেছেন। সেই কারণেই আজ বিশ্বের সর্বোচ্চ জনসংখ্যার দেশের তালিকায় আমরা শীর্ষে। বরং সমকামী নারী-পুরুষদের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা উচিত, কারণ তাঁরা অন্তত জনসংখ্যা বৃদ্ধিতে সামান্য হলেও প্রভাব কমিয়েছেন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, চোখ ও মন উন্মুক্ত করুন। আর মুখটা একটু কম খুলুন।”

অনুরাধার সঙ্গীতের দিকে আঙুল তুলে একজনের প্রশ্ন, ‘আপনি যেমন ভজন গান, অন্য কেউ আবার রক। তাই বলে কেউ আপনার কাছে প্রশ্ন করতে পারে আপনি রক গান করেন না, তাহলে সঙ্গীতে আপনার অবদান কী?’

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.