সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হিন্দু থেকে ধর্ম বদলে মুসলিম হয়েছেন এ আর রহমান। দেশের জনপ্রিয় সংগীত পরিচালকের এই গল্প সবার জন্য। কীভাবে মুসলিম সংগীতগুরু সংস্পর্শে এসে রহমান হয়ে উঠলেন এ যুগের মোৎজার্ট। সেই রহমানই এবার এক সাক্ষাৎকারে জানালেন, ইসলাম এবং সুফির সান্নিধ্যে আসার পরই তাঁর জীবন যেন নতুন খাতে বইতে লাগল। জীবনের লড়াই যেন আরও সহজ হয়ে উঠল, তারপর জগৎ জোড়া সুনাম আর জীবনের শান্তি। এসবই নাকি তিনি লাভ করেছেন ইসলাম নেওয়ার পর।
জন্মের পর রহমানের বাবা তাঁর নাম রেখেছিল দিলীপ কুমার। সুরকার বাবা আর কে শেখরের মৃত্যুর পর পুরো পরিবার ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে। তার কিছু বছর পর মুক্তি পায় ‘রোজা’ ছবি। যার মধ্যে দিয়ে রহমানের নাম ছড়িয়ে পড়ে গোটা বিশ্বে।
[আরও পড়ুন: ‘এককালে নকশাল, বামপন্থী ছিলাম’, বলছেন ‘স্বঘোষিত মোদিভক্ত’ বিবেক অগ্নিহোত্রী]
এই সাক্ষাৎকারে রহমান জানান, রহমানের কথায়, ‘কেউ আমাকে এই পথে আসার জন্য বলেনি। আমিই অনেক শান্তি পেতাম। মনে হচ্ছিল, সব যেন ঠিক চলছে। মনের ভেতর কিছু বিশেষ অনুভূতি কাজ করত। যে জিঙ্গেলগুলো প্রত্যাখ্যান করা হয়েছিল, প্রার্থনার পর সেগুলোই কবুল হয়ে যেতে থাকল।’
তাহলে ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পরই কি জীবনে সফলতা এসেছে— এমন প্রশ্ন অনেকেই করেন এ আর রহমানকে। উত্তরে এই সংগীতজ্ঞ বলেন, ‘এটা ইসলামে ধর্মান্তরের বিষয় নয়। এটি আসলে নিজের ভিতর নিজেকে খুঁজে পাওয়া, নিজেকে অনুভব করা। এক্ষেত্রে আধ্যাত্মিক ও সুফি গুরুদের শিক্ষা এবং আমার মায়ের ভাবনাচিন্তাও বিশেষ ভূমিকা রেখেছে। প্রত্যেক বিশ্বাসেই বিশেষ কিছু রয়েছে এবং আমরা একটি বিশ্বাস বেছে নিয়েছি মাত্র। এবং আমরা এর পক্ষে।’
[আরও পড়ুন: ‘রাজনীতিতে নেই বলেই মহানায়ক সম্মান থেকে বাদ জিৎ?’, ক্ষোভে ফুঁসছেন ভক্তরা]
সর্বশেষ খবর
-
‘আমি গর্বিত দিমাগি নকশাল’, মোদির বার্তার পর পোস্ট কংগ্রেস নেতার, ‘শিক্ষা’ দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী
-
এবার বাসেই জোকা টু নৈহাটি! বড়মার সঙ্গে জুড়ে যাবে তারাপীঠও, বড় ঘোষণা পরিবহণমন্ত্রী অর্জুনের
-
জীর্ণ দশাতেও কোন্দলে জর্জরিত কংগ্রেস! কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকের সামনে মার খেলেন জেলা সভাপতি
-
‘বাঁচাতে’ পারেননি বন্ধুকে, এবার বায়ার্ন অভিষেকেই মুসিয়ালার প্রাণ বাঁচালেন মরক্কোর সাইবাড়ি
-
‘ভারতের গুরুত্বপূর্ণ বন্ধু’, স্বাধীনতা দিবসে শুভেচ্ছা জানানোয় নেতানিয়াহুকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন মোদির