জুতো নিয়ে কখনও দৌড়ে চলে যাচ্ছেন। কখন কাড়াকাড়ি করছেন। মাটিতে লুটিয়ে পড়ছেন। শক্ত হাতে ধরা জুতো। সোশাল মিডিয়ায় সম্প্রতি ভাইরাল হয়েছে শাহরুখপুত্র আরিয়ান খানের (Aryan Khan) এমনই ভিডিও। আচমকা কী হয়েছে তারকাপুত্রের, স্বাভাবিকভাবে সে প্রশ্ন তুলেছেন নেটিজেনরা।
বিষয়টা খোলসা করা যাক। সম্প্রতি আরিয়ানের সবচেয়ে কাছের বন্ধু রিয়া নাদকার্নি এবং মাহির মেহতার বিয়ে ছিল। এই ভিডিওটি শেয়ার করেছেন ওয়েডিং প্ল্যানাররা। ওই ভিডিওয় জুতো চুরি নিয়ে বর ও কনেপক্ষের মধ্যে খুনসুটির দৃশ্যই ধরা পড়েছে। ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, আরিয়ানের হাতে বরের জুতো। আর তা ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য লড়াই করে চলেছেন একদল যুবক-যুবতী। যেন প্রাণ দিয়ে সেই জুতো বাঁচানোর জন্য মরিয়া চেষ্টা করে চলেছেন শাহরুখপুত্র। ভিডিও শেয়ার করে পুরো ঘটনাটির কথা উল্লেখ করেছেন আরিয়ান। ওয়েডিং প্ল্যানাররা লেখেন, “যখন বরের প্রিয় বন্ধু হয় বলিউডের খলনায়ক। এটা শুধু জুতো চুরির ঘটনা নয়। জমজমাট ধামাকা।”
আরও পড়ুন:
Aryan Khan 🔥💥
What is really happening here man 😭😂 pic.twitter.com/jz1uaP55bX
— POSITIVE FAN (@POSITIVEFANN) April 22, 2026
এমনিতে গুরুগম্ভীরই থাকেন আরিয়ান। তাঁকে ক্যামেরার সামনে তেমন সহাস্যবদনে দেখা যায় না। কেরিয়ারের ক্ষেত্রে পরিচালনাকেই বেছে নিয়েছেন। ‘দ্য ব্যাডস অফ বলিউড’ সিরিজে প্রশংসা পেয়েছেন। সেই আরিয়ানকে বন্ধুর বিয়েতে এমন অবতারে দেখে অবাক নেটিজেনরা। অনেকেই আরিয়ানের হাসিমুখ দেখে মুগ্ধ। বলছেন, “কী সুন্দরই না লাগছে।” তাঁকে ‘কিউট’ বলে দরাজ সার্টিফিকেট দিয়েছেন কেউ কেউ। আবার নেটিজেনদের একাংশ এই ভিডিও দেখে খুশিতে ডগমগ। রসিকতার সুরে তাঁরা বলছেন, যাঁর বাবা শাহরুখ। তাঁর হাত থেকে জুতো নেওয়া কখনও সম্ভব নয়। যদিও ভিডিওতে দেখা গিয়েছে হয়েছেও তাই। সত্যি শেষমেশ জুতো চুরি করতে পারেননি তিনি। বরং জুতো হাতে গিয়ে খুশিতে ডগমগ হয়ে ফিরে গিয়েছেন বাদশাপুত্র।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
উজবেকিস্তানের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি ইউরেনিয়াম চুক্তি! ‘সফল’ বৈঠক শেষে মোদিকে সর্বোচ্চ সম্মান
-
‘সবার জন্য শিক্ষা চাই দেশবিরোধী স্লোগান?’, যাদবপুরের দেওয়ালে চুনকাম নিয়ে প্রশ্ন শতরূপদের
-
পুজোর আগে দক্ষিণ দিনাজপুর সফরে মুখ্যমন্ত্রী, গতি পাবে বিমানবন্দরের কাজ! নজরে একাধিক প্রকল্পও
-
৩ মাসের শিশুকে ‘মেয়াদোত্তীর্ণ’ ভ্যাকসিন, মৃত্যু! হুলস্থুল হরিণঘাটায়
-
মহাপ্রলয় গিলে খেয়েছে গোটা গ্রাম, কীভাবে ১৬৪৩ পড়ুয়ার প্রাণ বাঁচালেন এক শিক্ষক?