Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Chiranjeevi

AI-এর কারসাজিতে পর্নোগ্রাফির ‘নায়ক’ চিরঞ্জীবী! মামলা দায়ের করলেন রামচরণের বাবা

'ডিপফেক কন্টেন্ট'-এর শিকার পদ্মপুরস্কারপ্রাপ্ত দক্ষিণী মহাতারকা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৭, ২০২৫, ১৪:৫৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৭, ২০২৫, ১৪:৫৩

options
link
AI-এর কারসাজিতে পর্নোগ্রাফির ‘নায়ক’ চিরঞ্জীবী! মামলা দায়ের করলেন রামচরণের বাবা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বর্তমানে গ্ল্যামার দুনিয়ার তারকাদের ডিপফেক-এর শিকার হওয়া প্রায় জলভাতের মতোই হয়ে দাঁড়িয়েছে! এআই-এর কারসাজিতে তাঁদের ‘বিকৃত’ ছবি-ভিডিও যত্রতত্র যৌনতা সংক্রান্ত বিষয়ে ব্যবহার করা হচ্ছে। ফলত ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে তারকাদের। সম্প্রতি এহেন অনভিপ্রেত ঘটনার সম্মুখীন হতে হল দক্ষিণী মহাতারকা চিরঞ্জীবীকে। কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগে পদ্ম পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রবীণ অভিনেতার পর্নোগ্রাফিক ভিডিও তৈরি করে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এহেন অভিযোগ তুলেই হায়দরাবাদ পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন তেলেগু সিনেদুনিয়ার সুপারস্টার তথা রামচরণের বাবা।

২৭ অক্টোবর, সোমবার হায়দরাবাদ সাইবারক্রাইমে অভিযোগ দায়ের করেছেন চিরঞ্জীবী। সেই অভিযোগনামায় উল্লেখ, বেশকিছু ওয়েবসাইট অভিনেতার নাম-ছবি ব্যবহার করে ‘ডিপফেক কন্টেন্ট’ তৈরি করেছে। আর সেই অশ্লীল ভিডিওই বর্তমানে ইন্টারনেটে রাজত্ব করে বেড়াচ্ছে। সংবাদসংস্থা সূত্রে খবর, চিরঞ্জীবীর দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে তথ্য প্রযুক্তি আইন এবং ভারতীয় ন্যায় সংহিতার অধীনে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।

Advertisement

অন্যদিকে ভাবমূর্তি রক্ষার্থে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন চিরঞ্জীবীও। দক্ষিণী তারকার অভিযোগ, “এটা কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয় বরং তাঁর ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্যই ষড়যন্ত্র করে এই ডিপফেক ভিডিওগুলি ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। যার ফলে বিগত কয়েক দশক ধরে জনসাধারণের কাছে তাঁর তিলে তিলে গড়ে তোলা ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে।” পদ্মপুরস্কারপ্রাপ্ত তারকার মন্তব্য, “এই ভিডিওগুলি সর্বৈব ভুয়ো এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে। যেগুলি আদতে ‘ডিপফেক পর্নোগ্রাফি’ নামে পরিচিত। এআই-এর সাহায্যে আমার মুখ-চেহারা ব্যবহার করে অশ্লীল কন্টেন্ট বানাচ্ছে। ইন্টারনেটের দৌলতে সেগুলি অনায়াসেই পৌঁছে যাচ্ছে সাধারণ মানুষের মুঠোফোনে। তাই অবিলম্বে এই ডিপফেক কন্টেন্টগুলিকে ইন্টারনেট থেকে হয় ব্লক করা হোক নয়তো বা তুলে নেওয়া হোক। কে বা কারা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত? তা জানার জন্য ডিজিটাল ফরেনসিক ট্রেসিংয়ের আবেদনও জানাচ্ছি।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.