Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Jacqueline Fernandez

‘জ্যাকলিনকে এখনও গ্রেপ্তার কেন করা হয়নি?’, ২০০ কোটির দুর্নীতি মামলায় ইডিকে প্রশ্ন দিল্লি আদালতের

জ্যাকলিনের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ এনেছিল ইডি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১০, ২০২২, ১৭:৪৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১০, ২০২২, ১৭:৪৫

options
link
‘জ্যাকলিনকে এখনও গ্রেপ্তার কেন করা হয়নি?’, ২০০ কোটির দুর্নীতি মামলায় ইডিকে প্রশ্ন দিল্লি আদালতের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ২০০ কোটি টাকার আর্থিক দুর্নীতির মামলায় জ্য়াকলিন ফার্নান্ডেজের করা জামিন আবেদনের প্রেক্ষিতে ইডিকে পালটা দিলেন দিল্লি আদালত। বৃহস্পতিবার বিচারপতি ইডিকে প্রশ্ন করেন, বার বার জ্যাকলিনকে না ডেকে তথ্য়প্রমাণ থাকলে এতদিন গ্রেপ্তার করা হয়নি কেন?

জ্যাকলিনের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ এনেছিল ইডি। আদালতে ইডি জানিয়েছিল এই বিষয়ে তাদের কাছে প্রমাণও রয়েছে। এমনকী, ইডি অভিযোগ তুলেছিল জ্যাকলিন নাকি প্রমাণ নষ্ট করার পরিকল্পনাতেও ছিল। তবে ইডির এ ধরনের অভিযোগকে ফুৎকারে উড়িয়েছিল জ্যাকলিনের আইনজীবী। তবে আপাতত স্বস্তিতেই রয়েছেন জ্যাকলিন। বাড়ানো হয়েছে তাঁর জামিনের মেয়াদ। 

Advertisement

প্রসঙ্গত, যেন তেন প্রকারেণ ঠগবাজ সুকেশের ২০০ কোটি টাকার দুর্নীতি কাণ্ড থেকে মুক্তি পেতে চান বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজ (Jacqueline Fernandez)। কারণ, যেদিন থেকে এই সুকেশ কাণ্ডে ঢুকে পড়েছেন জ্যাকলিন, সেদিন থেকেই বলিউডে অভিনেত্রীর ভাবমূর্তি নষ্ট হয়ে চলেছে। এমনকী, জ্যাকলিনের আশঙ্কা এই কাণ্ডের জেরে বলিউডে ছবিও পাচ্ছেন না তিনি। তাই যত দ্রুত সম্ভব এসব থেকে নিজেকে সরিয়ে ফেলতে চান জ্যাকলিন। আর সেটা করতেই জ্যাকলিনের অন্যতম হাতিয়ার সুকেশের চিঠি!

[আরও পড়ুন: ‘অপরাজিত’র পর ‘ফেলুদার মগজাস্ত্র’, আবিরকে সঙ্গে নিয়ে নতুন ছবিতে চমক দেবেন অনীক দত্ত]

ব্যাপারটা একটু বিশদে বলা যাক। ফেব্রুয়ারি মাসে প্রকাশ্য়ে এসেছিল ঠগবাজ সুকেশ চন্দ্রশেখরের একটি চিঠি। যেখানে স্পষ্ট সুকেশ লিখেছিলেন জ্যাকলিন একেবারেই নির্দোষ। আর্থিক দুর্নীতির সঙ্গে জ্যাকলিনের কোনও যোগাযোগ নেই। সেই চিঠিকেই আদালতে মূল সাক্ষী হিসেবে কাজে লাগাতে চান জ্যাকলিন। সেই কারণেই, বার বার আদালতে টেনে আনা হচ্ছে সুকেশের এই চিঠির প্রসঙ্গ। নিজের ভাবমূর্তি ধরে রাখতে জ্যাকলিন ও তাঁর আইনজীবী সুকেশের চিঠিরই সাহায্য নিচ্ছেন। জ্য়াকলিনের আইনজীবীর দাবি, এই চিঠি নিয়েই তদন্ত হওয়া উচিত।

কী লিখেছিলেন সুকেশ?

চিঠিতে সুকেশ লেখেন, ”আমার আর জ্যাকলিনের ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ছবি এভাবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ায় আমার খুব খারাপ লেগেছে। এটা মোটেই উচিত হয়নি। আমি আগেই জানিয়ে ছিলাম আমি আর জ্যাকলিন সম্পর্কে রয়েছি। তবুও জ্যাকলিনকে নিয়ে নানা কুমন্তব্য করা হচ্ছে। জ্যাকলিন টাকার জন্য আমাকে ভালবাসেনি। আর আমার দেওয়া সব উপহারগুলো আমাদের ভালবাসার প্রতীক। তাই জ্যাকলিনকে এসব থেকে দূরে রাখা হোক। জ্যাকলিন একেবারেই নির্দোষ।”

সুকেশের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিয়ে প্রথমে কিছু বলতে না চাইলেও, জানুয়ারি মাসের প্রথম দিকে সোশ্যাল মিডিয়ায় মুখ খুলেছিলেন জ্যাকলিন। তিনি জানিয়েছিলেন, “এই দেশের প্রত্যেকটি মানুষ আমাকে ভালবাসা এবং সম্মানে ভরিয়ে দিয়েছেন। সংবাদমাধ্যমের বন্ধুরাও রয়েছেন এই তালিকায়। আমি তাঁদের থেকে অনেক কিছু শিখেছি। বর্তমানে আমার জীবন সোজা পথে চলছে না। তবে আমি নিশ্চিত আমার বন্ধু এবং অনুরাগীরা আমার পাশে রয়েছেন। সংবাদমাধ্যমের বন্ধুদের অনুরোধ করব আমার গোপনীয়তাকে লঙ্ঘন করে ব্যক্তিগত মুহূর্তের কোনও ছবি প্রকাশ কিংবা প্রচার করবেন না। আমি জানি আপনারা আমার অনুরোধ রাখবেন। আশা রাখি সুবিচার পাব।”

[আরও পড়ুন: ‘কী আছে ওই ৬০ বছরের বুড়ো মালটার মধ্যে?’, প্রশ্ন তুলল ‘প্রসেনজিৎ ওয়েডস ঋতুপর্ণা’র ট্রেলার ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.