Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২৯ আগস্ট ২০২৬
সুপার ৩০

এবার থেকে দিল্লির সরকারি স্কুলে বিনামূল্যে ক্লাস নেবেন ‘সুপার ৩০’ স্রষ্টা আনন্দ কুমার

রাজধানীতে ‘সুপার ৩০’-র প্রদর্শন বিনোদন করমুক্ত করা হল।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৪, ২০১৯, ১৯:৩৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৪, ২০১৯, ১৯:৩৭

options
link
এবার থেকে দিল্লির সরকারি স্কুলে বিনামূল্যে ক্লাস নেবেন ‘সুপার ৩০’ স্রষ্টা আনন্দ কুমার zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  মুক্তির ১০ দিনের মাথাতেই বক্স অফিসে ১০০ কোটির গণ্ডি পেরল ‘সুপার ৩০’। যেই ছবি আপাতত ‘দ্য লায়ন কিং’, ‘কবীর সিং’-এর সঙ্গে বেশ পাল্লা দিয়ে লড়ছে প্রেক্ষাগৃহে। আনন্দ কুমারের বেশে হৃতিক রোশনের অভিনয় ইতিমধ্যেই জায়গা করে নিয়েছে সিনেপ্রেমীদের মনে। ভূয়সী প্রশংসাও কুড়িয়েছে ‘সুপার ৩০’। আর তাই ছবির বিষয়বস্তুতে মজে বিহার সরকার ইতিমধ্যেই বিনোদন করমুক্ত ঘোষণা করেছে ‘সুপার ৩০’ ছবিকে। বিহারের পাশাপাশি সেই পথে পা বাড়িয়েছে উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান এবং গুজরাটও। এবার সেই তালিকার নবতম সংযোজন দেশের রাজধানী। কারণ, দিল্লি সরকারও এই ছবিকে বিনোদন করমুক্ত ঘোষণা করল।

[আরও পড়ুন: বিহারে করমুক্ত হল ‘সুপার ৩০’র প্রদর্শন, আপ্লুত হৃতিক রোশন ]

Advertisement

বুধবারই দিল্লির শিক্ষামন্ত্রী তথা উপ মুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া ঘোষণা করেন, “বিকাশ বহেল পরিচালিত ‘সুপার ৩০’-র উপর কোনওরকম বিনোদন কর ধার্য করা হবে না।” তিনি জানান, দিল্লির প্রেক্ষাগৃহগুলিতেও ‘সুপার ৩০’ পুরোপুরি করমুক্তভাবে প্রদর্শিত হবে। এই ছবি যাতে আরও বেশি করে ছাত্রছাত্রীদের কাছে পৌঁছে যায়, যুবসমাজ যাতে আনন্দ কুমারের জীবনসংগ্রামে আরও বেশি করে উদ্বুদ্ধ হয়, সেইজন্যই এই ছবিকে করমুক্ত করা হল। দিল্লির শিক্ষামন্ত্রী তথা আপ নেতার এই সিদ্ধান্তে যারপরনাই আনন্দিত আনন্দ। মণীশ সিসোদিয়ার টুইটটিকে রিটুইট করে তিনি অসংখ্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন তাঁকে। এর পাশাপাশি সিসোদিয়া আরেকটি সুখবরও দিয়েছেন।

[আরও পড়ুন: সবার জন্য শিক্ষা, অধিকারের নয়া পরিভাষা ‘সুপার ৩০’ ]

এবার থেকে ‘সুপার ৩০’ প্রোগ্রামের স্রষ্টা আনন্দ কুমার দিল্লির সরকারি স্কুলগুলিতে মাসে একবার করে স্পেশ্যাল ক্লাস নেবেন। দিল্লির শিক্ষা দপ্তরের কাছ থেকেই আনন্দের কাছে এই প্রস্তাব রাখা হয়েছিল। ‘হ্যাঁ’ বলতে বিন্দুমাত্র কুণ্ঠাবোধ করেননি পাটনার এই ‘ম্যাথমেটিক ম্যাজিশিয়ান’। প্রত্যেক মাসের একটি নির্ধারিত দিনে অনলাইনে ক্লাস করাবেন আনন্দ। তবে শুধুমাত্র একাদশ এবং দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রছাত্রীরাই আনন্দের স্পেশ্যাল ক্লাস করার সুবিধে পাবেন। এপ্রসঙ্গে আনন্দ বলেন, “সরকারি এবং বেসরকারি বিদ্যালয়গুলির মধ্যেকার পঠনপাঠন প্রক্রিয়ার দূরত্ব বর্তমানে অনেকটাই কমেছে। সরকারি স্কুলের পড়ুয়া এবং গরিব ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনার সুবিধার্থেও যে সরকারের তরফে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, তা দেখে বেশ ভাল লাগল।” 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.