নামে তিওয়ারি। কর্মস্থল মুম্বই। কিন্তু মন, প্রাণ, ভালবাসা সবই শহর কলকাতা। কারণ এখানেই বেড়ে ওঠা ‘লখনউ সেন্ট্রাল’ খ্যাত পরিচালক রঞ্জিৎ তিওয়ারির। দুর্গা পুজোর ঠিক আগেই মুক্তি পাবে তাঁর প্রথম ছবি। তার আগে সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল-এর সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় পরিচালক। প্রথমে কথাটা হিন্দিতেই শুরু হয়েছিল। হঠাৎ রঞ্জিৎ বলে উঠলেন, ‘আরে আমি তো কলকাতাতেই বড় হয়েছি। এটাই তো আমার শহর।’ এরপরই কথা চলল বাংলাতেই। ফোনের এপারে সুপর্ণা মজুমদার।
[জন্মদিনে ‘খিলাড়ি’ স্টাইলেই নতুন ছবির পোস্টার প্রকাশ অক্ষয়ের]

বলিউডে প্রথম ছবি তোমার। কেমন করে শুরু হল এই সফর?
রঞ্জিৎ: কলকাতা থেকে পড়াশোনা শেষ করে ছবি তৈরির স্বপ্ন নিয়েই মুম্বই পাড়ি দিয়েছিলাম। সেখানেই দেখা হয় নিখিল আডবানীর সঙ্গে। নিখিলের আন্ডারেই অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর হিসেবে কাজ শুরু। সারপ্রাইজটা পেয়েছিলাম ‘ডি ডে’ সিনেমার প্রিমিয়ারের পর। নিখিল যখন বললেন, একটা ভাল স্টোরি তৈরি করতে। প্রযোজনা উনি করবেন। তখন থেকেই ভাল স্টোরি খুঁজছিলাম। পেলাম খবরের কাগজের একটি স্টোরি দেখে। যেখানে জেলের ভিতরেই একটি ব্যান্ড তৈরির কাহিনি লেখা ছিল। ব্যস নিজের স্টোরি পেয়ে গেলাম। রিসার্চ শুরু করে দিলাম। চিত্রনাট্য ও সংলাপ লিখতে প্রায় এক বছর লেগেছিল। আসিম আরোরা দারুণ কাজ করেছেন।
এমন অনসম্বল কাস্ট। শুটিং ফ্লোর কি খুব সিরিয়াস ছিল?
রঞ্জিৎ: না না। একেবারেই না। শুটিংয়ে দারুণ মজা করেছি। আবার কাজও করেছি। শুটিং শুরুর আগে প্রচুর আড্ডা, আলোচনা হত। ফারহান আখতার ও রাজেশ শর্মা তো সিনেমার এনসাইক্লোপিডিয়া।
ফারহানের মতো তারকার সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?
রঞ্জিৎ: দারুণ মানুষ। একদম ডাউন টু আর্থ। শুটিংয়ের প্রতিটা জিনিস খুব ভাল বোঝেন। শটের আগে প্রায় প্রতিদিনই আলোচনা হত সব বিষয়ে। এত সুন্দর মিলেমিশে কাজ করেন কী বলব?

পুরো ছবিতে নাকি ফারহানের কস্টিউমের জন্য নাকি মাত্র ৫০০০ টাকা খরচা হয়েছে?
রঞ্জিৎ: হ্যাঁ, একদমই তাই। এটা একটা রিয়্যালিস্টিক ক্যারেক্টার। সত্য ঘটনা থেকে অনুপ্রাণিত কাহিনি। উপকরণ তো রিয়্যালিস্টিকই হবে। কিষেণ মোহন গিরহোত্রার মতো চরিত্র তো গড়িয়াহাট কিংবা ধর্মতলার মতো জায়গা থেকেই পোশাক কিনবে।
শুটিংয়ের সবচেয়ে স্মরণীয় মুহূর্ত কোনটি?
রঞ্জিৎ: শুটিংয়ের প্রত্যেকটা মুহূর্তই স্মরণীয়। প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত। তবে আমার কাছে সবচেয়ে সুন্দর সেই মুহূর্তটি, যখন পরিচালক হিসেবে প্রথম অ্যাকশন বলেছিলাম। সহ-পরিচালক হিসেবে বহুবার বলেছি। কিন্তু পরিচালক হিসেবে বলার অনুভূতিই আলাদা।

ছবিতে গান ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। এর জন্য কতটা পরিশ্রম করতে হয়েছে?
রঞ্জিৎ: খুব ভেবেচিন্তে গানগুলি সিনেমায় রাখা হয়েছে। অপ্রয়োজনীয় কিছু নেই। প্রত্যেকটা গান কাহিনির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। খুব সুন্দর কাজ করেছেন অর্জুন্না, রোচক, তনিষ্করা।
১৫ সেপ্টেম্বর মুক্তি পাচ্ছে তোমার প্রথম ছবি। দর্শকদের কী বলবে?
রঞ্জিৎ: এটুকুই বলতে পারি যে স্বপ্নের কাহিনি লখনউ সেন্ট্রাল। স্বপ্ন পূরণের কাহিনি। যা দেখে হল থেকে বেরিয়ে আসা দর্শকদের মুখে হাসি থেকে যাবে।
[লন্ডনে শুটিংয়ে কোনও বাধা দিতে পারবে না সিনে ফেডারেশন]
সর্বশেষ খবর
-
মার্কিন মুলুকে কঠোর আইন! মাঝপথে প্র্যাকটিস বন্ধ করে হোটেলে ফিরলেন রোনাল্ডোরা
-
বাংলায় বন্দেমাতরম মিউজিয়াম, বঙ্কিমচন্দ্রের জন্মদিনে ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর
-
ইসলামাবাদ হয়ে উঠছে! দেশ ‘বাঁচাতে’ আজান বন্ধের পথে ডেনমার্ক
-
সপ্তাহান্তে দুর্যোগের লাল সতর্কতা উত্তরবঙ্গে, সোমবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে বাড়বে ঝড়বৃষ্টি
-
কিছুতেই মিলছে না মুখ! লেকটাউনের পর জন্মভূমি আর্জেন্টিনাতেও মেসি-মূর্তি নিয়ে মশকরা