Advertisement
Advertisement
Lionel Messi

কিছুতেই মিলছে না মুখ! লেকটাউনের পর জন্মভূমি আর্জেন্টিনাতেও মেসি-মূর্তি নিয়ে মশকরা

এক মেরুতে কলকাতার লেকটাউন। অন্য মেরুতে আর্জেন্টিনার পাতাগোনিয়া। দুই জায়গার দূরত্ব প্রায় ১৭,৩০০ কিলোমিটার হলেও মিল এক জায়গায়। তা হল বিশালাকার মেসি-মূর্তি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৬, ২০২৬, ১১:৩৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৬, ২০২৬, ১১:৩৮

options
link
কিছুতেই মিলছে না মুখ! লেকটাউনের পর জন্মভূমি আর্জেন্টিনাতেও মেসি-মূর্তি নিয়ে মশকরা zoom
পাতাগোনিয়ায় মেসি-মূর্তি। ছবি সংগৃহীত।

এক মেরুতে কলকাতার লেকটাউন। অন্য মেরুতে আর্জেন্টিনার পাতাগোনিয়া। দুই জায়গার দূরত্ব প্রায় ১৭,৩০০ কিলোমিটার হলেও মিল এক জায়গায়। তা হল বিশালাকার মেসি-মূর্তি। এতদিন লেকটাউন মোড়ের মূর্তির অবয়ব নিয়ে নেটিজেনরা মশকরায় মেতে উঠেছিলেন। সুদূর আর্জেন্টিনার শহরও বা বাদ যাবে কেন? সেখানকারও মেসির মুখ নিয়ে সমালোচনায় মুখর খাস সে দেশের নাগরিকরাই।

বিশ্বকাপ চলাকালীন ১৬ জুন পাতাগোনিয়ায় উন্মোচন করা হয়েছে মেসির ৮৫ ফুট উঁচু একটি মূর্তি। প্রায় ৭০ টন স্টিল ও লোহা দিয়ে তৈরি এই ভাস্কর্যে মেসিকে হাঁটু গেড়ে বসা অবস্থায় দেখানো হয়েছে। তাঁর দুই হাত সামনের দিকে প্রসারিত। পায়ের সামনে রাখা রয়েছে বিশ্বকাপ ট্রফি। ব্যস্ত সড়কের উপর এই মূর্তি স্থাপিত করা হয়েছে কারণ, ওই পথ দিয়ে যাতায়াতকারী মানুষকে স্বাগত জানানো।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তবে মূর্তি উন্মোচনের পরই শুরু হয়েছে সমালোচনা। অনেকের দাবি, মূর্তির মুখাবয়বের সঙ্গে মেসির যথেষ্ট মিল নেই। শুধু তাই নয়, কোমর থেকে নিচের অংশ অস্বাভাবিকভাবে মোটা দেখানো হয়েছে। যা মেসির শারীরিক গঠনের সঙ্গে একেবারেই মেলে না। সমালোচকরা বলছেন, দেখে মনে হচ্ছে যেন অন্য কাউকে আর্জেন্টিনার জার্সি পরিয়ে বসিয়ে দেওয়া হয়েছে। অবশ্য মূর্তিটির পক্ষেও অনেকে কথা বলেছেন। তাঁদের যুক্তি, ৮৫ ফুট উচ্চতার একটি ভাস্কর্যে হুবহু বাস্তব অবয়ব তুলে ধরা সহজ নয়। কিছু পার্থক্য থাকতেই পারে। তাঁরা বলছেন, আর্জেন্টিনায় এমন একটি মূর্তি বসলে সেটা যে মেসিরই হবে, তা আর আলাদা করে বোঝানোর দরকার পড়ে না। একবারও দেখে মনে হচ্ছে না, এটা মেসির মূর্তি নয়।

মেসি-মূর্তি। ছবি সংগৃহীত।

এই বিতর্ক নতুন নয়। গত বছরের ডিসেম্বরে কলকাতার লেকটাউনে মেসির ভারত সফর উপলক্ষে তাঁর একটি মূর্তি উন্মোচিত হয়েছিল। প্রথম দিন থেকেই সেই মূর্তির চেহারা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হয়। অনেকের মতে, মূর্তির মুখাবয়বের কোনও মিল নেই। বরং অন্য কয়েকজন খ্যাতনামার সঙ্গে মিলে যায়। পরে লেকটাউন থেকে মেসি-মূর্তি সরে যায়। যার অন্যতম কারণ, নিরাপত্তার অভাব। ভুলভাবে তৈরি করার জন্য প্রবল হাওয়াতে মেসি যেভাবে দুলতেন, ভয় হত, কোনদিন না ভেঙেচুরে আর্জেন্টাইন তারকা কারও মাথায় অধিষ্ঠান করেন। এই সব মাথায় রেখেই পাতাগোনিয়া অঞ্চলে বাতাসের তীব্রতা সহ্য করার জন্য তেল আর খনির পাইপের শক্ত ইস্পাত দিয়ে মেসির মূর্তি বানানো হয়। যা আকার ও উচ্চতায় আগের সব মেসি-মূর্তিকে ছাড়িয়ে গেছে।

মূর্তি ঘিরে বিতর্ক থাকলেও মেসির পারফম্যান্সে কোনও প্রভাব পড়েনি। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিকের পর দ্বিতীয় ম্যাচে অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে জোড়া গোল করেছেন। আর্জেন্টিনা প্রথম দুই ম্যাচে গোল করেছেন পাঁচটি। যা এসেছে এলএম১০-এর পা থেকে। বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনেও তিনি। পাশাপাশি সোনার বুটের লড়াইয়েও রয়েছেন সবার শীর্ষে। আরও একবার মেসির হাত ধরেই বিশ্বজয়ের স্বপ্ন দেখছে আর্জেন্টিনা। এত সবের মধ্যেও আলোচনায় মেসি-মূর্তি। বিশাল এই ভাস্কর্যের নির্মাতা স্থানীয় শিল্পী অলদো বেরোইসা। প্রায় ১৮ মাস ধরে কাজ করে তিনি মূর্তিটি গড়ে তোলেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.