Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
FTII Amartya Roy

পুণে ফিল্ম ইনস্টিটিউটে বেলাগাম ফি বৃদ্ধি, অনশনে পড়ুয়ারা, আন্দোলনের নেতৃত্বে চৈতি-পুত্র!

কী বলছেন হবু পরিচালক তথা অভিনেতা অমর্ত্য রায়?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২, ২০২৩, ১৮:২৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২, ২০২৩, ১৮:২৩

options
link
পুণে ফিল্ম ইনস্টিটিউটে বেলাগাম ফি বৃদ্ধি, অনশনে পড়ুয়ারা, আন্দোলনের নেতৃত্বে চৈতি-পুত্র! zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফি বছর বাড়ছে কলেজের ফি। কেন্দ্রীয় সরকার অধীনস্থ হলেও পুনে ফিল্ম ইনস্টিটিউটের পড়ুয়াদের প্রতি বছর ফি দিতে গিয়ে নাভিশ্বাস ওঠার জোগাড়! আর সেই প্রেক্ষিতেই প্রতিবাদে উত্তাল ফিল্ম স্কুলের ছাত্ররা। কলেজ কর্তৃপক্ষের ‘মগের মুলুক’ নিয়ে শুরু হয়েছে জোরদার আন্দোলন। যার নেতৃত্ব দিচ্ছেন হবু বাঙালি পরিচালক তথা অভিনেতা অর্মত্য রায়। বিশিষ্ট অভিনেত্রী চৈতী ঘোষালের ছেলে।

প্রসঙ্গত, পুনে ফিল্ম ইনস্টিটিউটে পড়াকালীনই বলিউডে শিকে ছিঁড়েছে অর্মত্যর। কিংবদন্তী ফুটবলার রহিম সাহেবের বায়োপিক অজয় দেবগণের ‘ময়দান’-এ চুনী গোস্বামীর ভূমিকায় অভিনয় করেছেন চৈতি-পুত্র। অভিনেতা কিংবা পরিচালনার পাশাপাশি তাঁর রাজনৈতিক সচেতনাও রয়েছে। এবার পুণে ফিল্ম ইনস্টিউটের ছাত্র আন্দোলনের প্রথম সারিতে অর্মত্য রায়।

Advertisement

প্রসঙ্গত, হোস্টেলে ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদে যখন ছাত্র আন্দোলনে উত্তাল দিল্লির জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়, তখনই পুনে ফিল্ম ইনস্টিটিউটে শুরু হল ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদ। সোমবার থেকেই অনশন-বিক্ষোভের অন্যতম নেতা অমর্ত্য রায়। সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিরেকশন বিভাগের ছাত্র।

[আরও পড়ুন: ‘মনুষ্যত্ব জ্বলছে, মানুষ দেখছে…’, হরিয়ানা-হিংসায় শান্তির বার্তা সোনু সুদ, ধর্মেন্দ্রর]

এপ্রসঙ্গে অমর্ত্য রায় সংবাদমাধ্যমকে জানালেন, “প্রতি বছর অস্বাভাবিক হারে ফি বৃদ্ধি পাচ্ছে। কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনস্থ হলেও প্রবেশিকা পরীক্ষায় বসার আগে ১০ হাজার টাকা দিতে হয়। ২০২৭ সালে যখন আমি পরীক্ষা দিয়েছিলাম, তখন প্রবেশিকা ফি হিসেবে আমাকে মাত্র আড়াই হাজার টাকা দিতে হয়েছিল। আর তার বছর দুয়েকের মধ্যেই ২০২৯ সালে সেটা বেড়ে দাঁড়ায় ১০ হাজারে। এখানকার পড়ুয়াদেরকে নানা স্কিম দেখিয়ে এই টাকা নেওয়া হচ্ছে। প্রতিবাদ করলেই কলেজ কর্তৃপক্ষ চেপে ধরছে। দিনের পর দিন এটা চলতে পারে না। তাই বাধ্য হয়েই আমরা আন্দোলন শুরু করেছি।”

[আরও পড়ুন: ‘ইয়ে লাল ইশক…’, হাতে পলা-আয়স্ত! নতুন শুরুর ইঙ্গিত দিলেন নবনীতা?]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.