Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২০ জুন ২০২৬
Zubeen Garg

জুবিনকে ঠকিয়ে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ! ম্যানেজারের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের নির্দেশ আদালতের

জুবিন গর্গের মৃত্যুমামলায় গুয়াহাটির ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট তাঁর ম্যানেজার সিদ্ধার্থ শর্মার মালিকানাধীন 'মহাবীর অ্যাকুয়া'র সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দিয়েছে। বৈধ আয়ের উৎসের কোনও প্রমাণ পেশ করতে না পারায় আদালত ৪৯ পৃষ্ঠার চার্জশিট তৈরি করেছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৩০, ২০২৬, ১৬:৪৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৩০, ২০২৬, ১৬:৪৮

options
link
জুবিনকে ঠকিয়ে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ! ম্যানেজারের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের নির্দেশ আদালতের zoom
জুবিনের ম্যানেজারের বিরুদ্ধে কড়া আইনি পদক্ষেপ

দিনটা ছিল ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫। সেই দিন আচমকা ভারতীয় বিনোদুনিয়ায় আছড়ে পড়েছিল এক চরম দুঃসংবাদ! বিদেশের মাটিতে মর্মান্তিক মৃত্যুবরণ করেছিলেন জনপ্রিয় গায়ক জুবিন গর্গ। নর্থ ইস্ট ফেস্টিভ্যালে যোগ দিতে সিঙ্গাপুরে গিয়েছিলেন, আর ঘরে ফেরা হয়নি! মৃত্যুকালে জুবিন গর্গের (Zubeen Garg) বয়স হয়েছিল ৫২ বছর। ঘটনার পর অনেকগুলো দিন কেটে গিয়েছে, তবুও জুবিনের মৃত্যু যেন মনকে কিছুতেই সায় দেয় না। সিঙ্গাপুরে নর্থ-ইস্ট ফেস্টিভ্যালে যোগ দিতে গিয়ে জুবিনের মৃত্যু ঘিরে দানা বেঁধেছিল রহস্য।

অসমের ভূমিপুত্রের এহেন আকস্মিক প্রয়াণে অনেকেই ষড়যন্ত্রের আঁচ পেয়েছিলেন! পঁচিশ সালের সেপ্টেম্বর মাসে অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার নির্দেশে জুবিন গর্গের মৃত্যুতদন্তের জন্য ‘সিট’ গঠন করে অসম সরকার। অভিযোগের তির ছিল জুবিন ঘনিষ্ঠদের দিকে। সেই তালিকায় ছিলেন তাঁর ম্যানেজারও। জুবিন গর্গের মৃত্যুমামলায় গুয়াহাটির ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট তাঁর ম্যানেজার সিদ্ধার্থ শর্মার মালিকানাধীন ‘মহাবীর অ্যাকুয়া’র সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দিয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

জুবিনের ম্যানেজার সিদ্ধার্থর বিপুল অর্থের উৎস কী?  যুক্তিসঙ্গত ব্যাখ্যা দিতেও অপারক, যথাযথ আর্থিক নথি যেমন আয়কর রিটার্ন বা অন্যান্য প্রাসঙ্গিক দলিল উপস্থাপন করতেও ব্যর্থ হয়েছেন জুবিন গর্গের ম্যানেজার। 

মামলার অন্যতম অভিযুক্ত সিদ্ধার্থ শর্মার বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযোগ, তিনি গায়কের অর্থ আত্মসাৎ করে ওই প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করেছিলেন। অভিযোগপক্ষের দাবি অনুযায়ী, প্রয়াত গায়কের থেকে সুকৌশলে হতিয়ে নেওয়া টাকা দিয়েই নিজের সম্পত্তির পরিমান বাড়িয়েছেন। প্রায় ১.১০ কোটি টাকা ওই প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগের উল্লেখ রয়েছে। বৈধ আয়ের উৎসের কোনও প্রমাণ পেশ করতে পারেননি বলেই আদালত ৪৯ পৃষ্ঠার চার্জশিট তৈরি করেছে।

শর্মার নামে থাকা বা তাঁর দ্বারা পরিচালিত ছ’টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টও বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বিচারক শর্মিলা ভূয়ান জানান, মামলার প্রধান তদন্তকারী কর্মকর্তা এমন বেশ কিছু নথি পেশ করেছেন যা থেকে স্পষ্ট গায়কের অর্থ যথেচ্ছভাবে খরচ করা হয়েছে। একাধিক বেআইনি কাজের সঙ্গেও জড়িত থাকার ইঙ্গিত মিলেছে। সিদ্ধার্থ শর্মার আয়ের উৎস মোটেই সঙ্গতিপূর্ণ নয়।

 
 
 
 
 
View this post on Instagram
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

A post shared by Zubeen Garg (@zubeen.garg)

আদালতের মতে, এমন কিছু নথি উপস্থাপন করা হয়েছে যা থেকে বৃহৎ পরিসরে অর্থ আত্মসাৎ, তহবিল স্থানান্তর এবং কালো টাকা সাদা করার প্রমাণ মিলেছে। শুধু তাই নয়, শর্মার নিয়ন্ত্রণাধীন একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা দেওয়া অর্থের উল্লেখ রয়েছে। শর্মার এই বিপুল অর্থের উৎস কী?  যুক্তিসঙ্গত ব্যাখ্যা দিতেও অপারক, শুধু তাই নয় যথাযথ আর্থিক নথি যেমন আয়কর রিটার্ন বা অন্যান্য প্রাসঙ্গিক দলিল উপস্থাপন করতেও ব্যর্থ জুবিন গর্গের ম্যানেজার। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.