Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Ritwick Chakraborty

‘উনি কি অপমানিত?’, ঋত্বিক চক্রবর্তীর পোস্টের জবাবে ধনকড়কে তুলোধোনা নেটিজেনদের

একের পর এক প্রতিক্রিয়ায় ভরে গিয়েছে অভিনেতার কমেন্টবক্স।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৮, ২০২১, ১৫:৫৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৮, ২০২১, ১৫:৫৮

options
link
‘উনি কি অপমানিত?’, ঋত্বিক চক্রবর্তীর পোস্টের জবাবে ধনকড়কে তুলোধোনা নেটিজেনদের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বাংলার তারকারা যথেষ্ট রাজনীতি সচেতন। তা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় মন্তব্যও করেন অনেকে। প্রত্যক্ষ, পরোক্ষভাবে মতামত জানান। তেমনই এক মন্তব্য করেছিলেন অভিনেতা ঋত্বিক চক্রবর্তী (Ritwick Chakraborty)। লিখেছিলেন “এটা কি অপমান? উনি কি অপমানিত?” ঋত্বিকের এই পোস্টের প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়েই রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়কে (Jagdeep Dhankhar) একহাত নিয়েছেন নেটিজেনদের একাংশ।

Ritwick Chakraborty Facbook Post

Advertisement

সোমবার রাতে নিজের ফেসবুক প্রোফাইল থেকে পোস্টটি করেছিলেন ঋত্বিক। অভিনেতার সেই পোস্টের প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে একজন লিখেছেন, “এই রকম একজন প্রধানমন্ত্রী আর সর্বোপরি এই রকম এক পার্টির ক্যাডার রাজ্যপাল বাংলা প্রথম প্রত্যক্ষ করল। আমরা দুর্ভাগা তাই ক্রমাগত এই সব মানুষকে দেখেই চলেছি। আবার অবশ্য ভবিষ্যতের ইতিহাসেরও সাক্ষী হয়ে রইলাম।” আরেকজন আবার লিখেছেন, “একটা রাজ্যের লজ্জা! পদ্মপাল অপমানিত হওয়ার সীমা পার করে গেছেন।” আরও এমন মন্তব্য করা হয়েছে। যার মধ্যে একটিতে লেখা হয়েছে, “উনি অপমানিত কিনা জানিনা, তবে উনি যে গণতন্ত্রের অপমান সেটা সবার কাছে পরিষ্কার।” এমনই প্রতিক্রিয়াতে ভরে গিয়েছে ঋত্বিকের কমেন্টবক্স। দু’শোরও বেশি মানুষ শেয়ার করেছেন পোস্টটি।

Ritwick Chakraborty Facbook post reaction

[আরও পড়ুন: ঘুমের মধ্যেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত বিশিষ্ট সাংবাদিক ও সাহিত্যিক শীর্ষ বন্দ্যোপাধ্যায়]

উল্লেখ্য, এরাজ্যের রাজ্যপাল হয়ে আসার পর থেকেই কার্যত সরকার বিরোধী অবস্থান নিয়েছেন জগদীপ ধনকড়। রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত তখন থেকেই চলছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) তৃতীয়বার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার দিনও নজিরবিহীনভাবে ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে তাঁকে খোঁচা দিয়েছেন ধনকড়। মন্ত্রীদের শপথের দিনও তাই করেছেন তিনি। এমনকী ফিরহাদ হাকিম, মদন মিত্রদের গ্রেপ্তারির ক্ষেত্রেও বিধানসভার স্পিকারের অনুমতি নেওয়া হয়নি। তার বদলে রাজ্যপালের অনুমতি নিয়েছিল সিবিআই (CBI)। এমন পরিস্থিতিতে রাজ্যপাল পদে জগদীপ ধনকড়ের অপসারণ চেয়ে এবার সরাসরি রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনকী প্রয়োজনে বিধানসভায় তাঁর অপসারণের দাবিতে প্রস্তাবও পেশ করতে পারে তৃণমূল কংগ্রেস (TMC)।

[আরও পড়ুন: ‘কলকাতার পেশাদাররা আমায় এড়িয়েই চলেন’, অভিমানী কবীর সুমন!]

 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.