Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১১ আগস্ট ২০২৬
আদনান সামি

‘পাক মুসলিম আদনান সামিকে নাগরিকত্ব কেন?’ CAA ইস্যুতে সওয়াল রাজা মুরাদের

আদনানের বাবা '৬৫-এর যুদ্ধে ভারতের উপর বোমা ফেলেছিল, তোপ অভিনেতার।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৯, ২০২০, ১০:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৯, ২০২০, ১০:৩৬

options
link
‘পাক মুসলিম আদনান সামিকে নাগরিকত্ব কেন?’ CAA ইস্যুতে সওয়াল রাজা মুরাদের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (CAA) নিয়ে তোলপাড় গোটা দেশ। তর্ক-বিতর্কের মধ্যেই নয়া আইনকে অসাংবিধানিক বলে বিতর্কের সৃষ্টি করলেন প্রবীণ অভিনেতা রাজা মুরাদ। এই আইন প্রত্যাহারের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে আবেদন করেছেন মুরাদ। সম্প্রতি ভোপালে এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, ‘আইন সবার জন্য এক হওয়া উচিত। সংবিধান অনুযায়ী, প্রত্যেক নাগরিক সমানাধিকারের যোগ্য। কিন্তু আমার বক্তব্য হল, এই আইন ধর্মীয় বিভাজন করছে। হিন্দু, পার্সি, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ, জৈনরা এই আইনের সুবিধা পাবে আর মুসলিমরা বঞ্চিত হবে। এটা অসাংবিধানিক।’

এরপরই তিনি বোমা ফাটিয়েছেন আদনান সামির নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলে। পাক সংগীতশিল্পী আদনান সামি ভারতীয় নাগরিকত্ব পাওয়ায় মুরাদের কটাক্ষ, ‘আদনান সামিকে নাগরিকত্ব দেওয়া হয়েছে কি হয়নি? সেকি মুসলিম নয়, নাকি অন্য ধর্মের? পাকিস্তানের মুসলিম আদনানকে কীভাবে নাগরিকত্ব দেওয়া হল তাহলে? ওঁর বাবা পাক বায়ুসেনায় ছিল এবং ১৯৬৫ সালের যুদ্ধে ভারতের উপর বোমা ফেলেছিল। আমার আদনানের নাগরিকত্ব নিয়ে কোনও আপত্তি নেই। কিন্তু অন্যদের সঙ্গে সরকার দ্বিচারিতা করছে কেন? একটা সম্প্রদায়কে একঘরে করে দেওয়ার ছক কষা হচ্ছে। সর্বধর্ম নির্বিশেষে নাগরিকত্ব দেওয়া উচিত সরকারের।’

Advertisement

[আরও পড়ুন: এক্সপ্রেসওয়েতে বেপরোয়া গতি, শাবানা আজমির গাড়িচালকের বিরুদ্ধে দায়ের এফআইআর]

রাজা মুরাদ সরকারের কাছে আবেদন করেছেন দেশব্যাপী বিক্ষোভ-প্রতিবাদ দেখে চোখ খুলুক কেন্দ্র। অবিলম্বে এই আইন প্রত্যাহার করুক। এখন শুধুমাত্র মুসলিমরা নয়, দেশের সব ধর্মের মানুষ এই প্রতিবাদে শামিল হচ্ছেন বলে দাবি মুরাদের। তিনি বলেছেন, ‘অনেক অমুসলিম হিন্দু, শিখ ভাই-বোনরা এই আইনের প্রতিবাদ করছেন। বাজেটে কোনও জিনিসের দাম বাড়ানোর পর সাধারণ মানুষের কথা ভেবে অনেক সময় সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা হয়েছে। সেক্ষেত্রে এই আইনও তো সাধারণের জন্যই। তাঁদের সমস্যার কথা ভেবে অন্তত সরকার পুনর্বিবেচনা করুক।’

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.