Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Iman Chakraborty

কান ধরে দাঁড়ানো মানে গল্প করার সুবর্ণ সুযোগ: ইমন চক্রবর্তী

পড়াশোনায় নাকি ফাঁকিবাজ ছিলেন ইমন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৩, ২০২৩, ১৭:২২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৩, ২০২৩, ১৭:২২

options
link
কান ধরে দাঁড়ানো মানে গল্প করার সুবর্ণ সুযোগ: ইমন চক্রবর্তী zoom

স্কুলের দিনগুলো খুবই মনে পড়ে। আর যেহেতু লিলুয়ার সঙ্গে আমার গভীর যোগ, এখনও স্কুলের স্মৃতি খুব স্পষ্ট। আমি পড়তাম বেলুড় গার্লস হাই স্কুল-এ। তৃতীয় শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত ওখানেই পড়েছি। প্রথমেই মনে পড়ে বন্ধুবান্ধবদের কথা। ওরা অসাধারণ ছিল। আমার প্রিয় বন্ধু ছিল রিয়া, থ্রি থেকে ওর সঙ্গে আলাপ। শুরুতে আমি অন‌্য স্কুল থেকে বেলুড় গার্লস-এ পড়তে গিয়েছিলাম, ফলে তখন আউটসাইডার ছিলাম। রিয়া-ই প্রথমদিন থেকে আমাকে বন্ধু হিসাবে আপন করে নিয়েছিল। আজও সে আমার বন্ধু রয়ে গিয়েছে। পড়াশোনায় আমি ফাঁকিবাজ ছিলাম। কিন্তু কোনওদিন খারাপ রেজাল্ট করিনি। আমি যতটুকু পড়তাম খুব মন দিয়ে পড়তাম। স্কুলের দিভাইরা আমার কো-কারিকুলার দিকটায় খুব গুরুত্ব দিতেন। ওঁরা বুঝতে পারতেন আমার আগ্রহ কোনদিকে এবং শাইন করলেও করতে পারি। অনেক ছোট থেকে বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠান করায় স্কুলে আমি ‘লিড’ করতাম। ধরুন, অঙ্কে একশোয় পঁচিশ পেয়েছি, মাথা নিচু করে কাঁদছি কিন্তু দিভাইরা এসে ঠিক উৎসাহ দিয়ে যেতেন আগামী দিনের জন‌্য। কস্তুরীদি যেমন, খুব মনে পড়ে তাঁর কথা। উনি বলতেন, “অঙ্কে কম পেয়েছিস তো কী হয়েছে, তুই তো আর অঙ্ক নিয়ে পরবর্তীকালে পড়াশোনা করবি না, তুই গান নিয়েই পড়াশোনা করবি। দু’কলি গান শোনা তো।”

[আরও পড়ুন: গ্রেটার নয়ডার শপিংমলে বিধ্বংসী আগুন, বাঁচতে জানলায় ঝুলে মানুষ, প্রকাশ্যে ঝাঁপ দেওয়ার ভিডিও]

আমাকে ‘চিত্রাঙ্গদা’ পরিচালনা করতে দিতেন দিভাইরা। বছরে একবার ওই ‘অ‌্যানুয়াল ফাংশন’-এর জন‌্য অপেক্ষা করে থাকতাম। স্কুল থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরেও আমি এই অনুষ্ঠান করিয়ে এসেছি। মিউজিক ছাড়া আমি ভালবাসতাম হিস্ট্রি আর লিটারেচার। খানিকটা পছন্দ ছিল ভূগোল। সায়েন্স গ্রুপ জীবন থেকে বাদ দিতে পারলে খুশি হতাম। পড়াশোনায় ফঁাকি দিলেও, আমার পরীক্ষা-ভীতি ছিল না কোনওদিন। যে বিষয়ে কাঁচা ছিলাম, জানতাম, পারব না। আর যে বিষয়ে কঁাচা ছিলাম না– জানতাম সব পারব। তাই নিয়ে খুব আত্মবশ্বাসী ছিলাম ছোটবেলাতেও। স্কুলে রবীন্দ্রজয়ন্তীতে অনুষ্ঠান পরিচালনা করার দায়িত্ব পড়ত আমার ওপর। সেটা আমি সবচেয়ে বেশি উপভোগ করতাম। তবে স্কুলে শাস্তি পাইনি তা নয়, পড়া না পারার কারণে, বাইরে কান ধরে দাঁড়িয়েও থেকেছি। কিন্তু মজার বিষয় হল, ওটা আমার কাছে ছিল গল্প করার সুবর্ণ সুযোগ। আর খুব মনে পড়ে সরস্বতী পুজোয় প্রত্য়েক ক্লাসে আলপনার কম্পিটিশন হত, এগজিবিশন হত। সেগুলোও দারুণ এক্সাইটিং ছিল। আরেকটা জিনিস বলি, স্কুলের দিভাইদের সঙ্গে আমার যোগাযোগ রয়ে গেছে। একজন দিভাই এখন আমার কাছে গান শেখেন। ওঁকে আমি কী শেখাব! এই শর্মিষ্ঠাদি স্কুলে পড়ার সময়ে মিউজিক বিষয়ে আমাকে খুব এনকারেজ করতেন। সময় চলে গেলেও সব কথাই স্পষ্ট মনে আছে।

Advertisement

অনুলিখন: শম্পালী মৌলিক

[আরও পড়ুন: ‘ব্যালট খাওয়া’ বুথে বাতিল ভোটগ্রহণ! হাবড়া-সহ একাধিক বুথে পুনর্নির্বাচনের সম্ভাবনা]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.