Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Brahmastra

‘৬০০ কোটি টাকা পুড়িয়ে দিল করণ!’, ‘ব্রহ্মাস্ত্র’ ছবির সমালোচনায় কঙ্গনা রানাউত

পরিচালক অয়ন মুখোপাধ্যায়কেও একহাত নিয়েছেন কঙ্গনা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১০, ২০২২, ০৯:৫০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১০, ২০২২, ০৯:৫০

options
link
‘৬০০ কোটি টাকা পুড়িয়ে দিল করণ!’, ‘ব্রহ্মাস্ত্র’ ছবির সমালোচনায় কঙ্গনা রানাউত zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের মুখ খুললেন কঙ্গনা রানাউত। ফের একহাত নিলেন বলিউড ছবিকে। এবার কঙ্গনার কটাক্ষের মুখে পড়ল রণবীর-আলিয়ার ‘ব্রহ্মাস্ত্র’ (Brahmastra)। কঙ্গনা তাঁর ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে ‘ব্রহ্মাস্ত্র’ ছবির নিন্দা করে করণ জোহরকে কটাক্ষ করলেন। তাঁর কথায়, হিন্দুত্ববাদকে ভর করে, দক্ষিণী ছবির নকল করেছেন করণ।

কঙ্গনা তাঁর ইনস্টাগ্রামে লিখলেন, ”করণের জোহরের মতো মানুষদের আগে ব্যবহার ঠিক করা উচিত। তারপর সিনেমা তৈরি করুক। লোকের যৌনজীবনের প্রতি বেশি আকর্ষণ করণের। রিভিউ কিনে, স্টার কিনলে কি আর ছবি ভাল হয়। দক্ষিণী ছবির নকল করতে নেমেছে এখন করণ। ৬০০ টাকা একেবারে আগুনে পুড়িয়ে দিল করণ।”

Advertisement

তবে শুধু করণ নয়, পরিচালক অয়ন মুখোপাধ্যায়কে একহাত নিলেন কঙ্গনা। কঙ্গনা স্পষ্ট লিখলেন, যাঁদের অয়নকে দারুণ পরিচালক মনে হয়, তাঁদের জেল হওয়া উচিত!

[আরও পড়ুন: বিবাহবিচ্ছেদ হানি সিংয়ের, মোটা টাকা খোরপোষে হল রফা]

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সেন্ট্রাল ভিস্তা অ্যাভিনিউ প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। এই অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন দেশের একাধিক নেতা ও তারকারা। এই অনুষ্ঠানে নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর মূর্তি উন্মোচন করেন মোদি। এই অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউতও। অনুষ্ঠান শুরুর আগেই সংবাদ মাধ্যমের কাছে বোমা ফাটালেন কঙ্গনা রানাউত (Kangana Ranaut)।

সংবাদমাধ্যমকে এদিন কঙ্গনা জানান, ‘আমরা যে স্বাধীনতা পেয়েছি তা নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু এবং বীর সাভারকরের মতো বিপ্লবীদের কারণে। এই স্বাধীনতা আমরা ভিক্ষা করে পাইনি, স্বাধীনতা পেয়েছি নিজেদের অধিকারে, এর জন্য লড়াই করতে হয়েছে আমাদের’। এই প্রসঙ্গে কঙ্গনা আরও বলেন, ‘আমি নেতা সুভাষচন্দ্রের অনুগামী, আমি একেবারেই গান্ধীবাদী নই। এটা হয়তো অনেক লোককে বিরক্ত করবে যে আমি এই ধরনের কথা বলছি। তবে প্রত্যেকেরই একটা নিজস্ব এবং পছন্দের আদর্শ রয়েছে। আমি বিশ্বাস করি যে, নেতাজি এবং সাভারকরের মধ্যে লড়াইয়ের আগুন লুকিয়ে আছে।’ কঙ্গনার কথায়, নেতাজি সুভাষচন্দ্র ক্ষমতার জন্য ক্ষুধার্ত ছিলেন না, স্বাধীনতার জন্য ক্ষুধার্ত ছিলেন।

কঙ্গনার এই মন্তব্যে স্বভাবতই সমালোচনার ঝড় বয়ে গিয়েছে। অনেকেই কঙ্গনাকে কটাক্ষ করেছেন। নেটিজেনদের মতে, গান্ধীজিকে সমালোচনা করে কঙ্গনা ঠিক কাজ করেননি।

প্রসঙ্গত, কঙ্গনা রানাউত যেখানে, বিতর্ক সেখানে। অন্তত, গত কয়েক বছরে কঙ্গনা যা ইমেজ বানিয়েছেন, তাতে কঙ্গনা বিতর্ক খুঁজে বেড়ান না, বরং বিতর্ক কঙ্গনাকে ঠিক খুঁজে পেয়ে যায়।

[আরও পড়ুন: গল্পকে ছাপিয়ে গেল দুরন্ত গ্রাফিক্স, বলিউডের অ্যাভেঞ্জার্স হয়ে উঠবে ‘ব্রহ্মাস্ত্র’? পড়ুন রিভিউ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.