২৬/১১ মুম্বাই সন্ত্রাসী হামলার প্রেক্ষাপটে নির্মিত বলিউডের আসন্ন ছবি ভারত ভাগ্য বিধাতা। কামা হাসপাতালের নার্স তথা সেবিকা ‘বীরাঙ্গনা’ অঞ্জলি কুলথের বীরত্বের গল্প থেকেই অনুপ্রাণিত হয়েই গল্প বুনেছেন পরিচালক মনোজ তাপাডিয়া। আর সেই অঞ্জলির ভূমিকায় অভিনয় করছেন বলিউডের ‘ক্যুইন’ কঙ্গনা রানাউত (Kangna Ranaut )। আগামী ১২ জুন ছবি মুক্তির আগে সিনেমার প্রচারে ব্যস্ত অভিনেত্রী। দীর্ঘ ফিল্মি কেরিয়ারে ভিন্ন ধারার চরিত্রে অভিনয় করেছেন। নার্সের ভূমিকায় অভিনয়ের অভিজ্ঞতা কেমন?
চরিত্র নিয়ে গর্বিত কিন্তু, হাসপাতালের নার্সদের পোশাক নিয়ে ভ্রূ কুঁচকেছেন অভিনেত্রী। তাঁর মতে, এখনও সেবিকাদের পোশাকে ব্রিটিশ ছাপ রয়েছে, যা ভারতীয়করণ করা আবশ্যিক। এই ছবিতে অভিনয় করতে গিয়ে আরও একটি বিষয় উপলব্ধি করেছেন, সমাজে যাঁরা জরুরিকালীন পরিবেশা প্রদান করেন তাঁরা তাঁদের প্রাপ্য সম্মানটুকু পান না। সেই তালিকায় নার্স থেকে প্রহরী, ওয়ার্ডবয় প্রত্যেকের কথাই উল্লেখ করেছেন।
আরও পড়ুন:

কঙ্গনার মতে, “সারাবছরই নার্সদের একই ইউনিফর্মে দেখা যায়। যদি নিজেরা মনে করেন পোশাকে পরিবর্তন প্রয়োজন তাহলে ভবিষ্যতে তাঁদের চাহিদা ও পছন্দ অনুযায়ী সংস্কার আনা যেতে পারে। সেটাই হবে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন।”
ছবি নিয়ে আলোচনার সময় নার্সিং পেশা সম্পর্কে নিজের ভাবনা ব্যক্ত করেন কঙ্গনা। তাঁর দৃষ্টিভঙ্গিতে, “এই পেশা নিয়ে মানুষের ভাবনায় পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। তাঁরা সারাদিন অনেক পরিশ্রম করেন কিন্তু, যথাযথ পারিশ্রমিক থেকে বঞ্চিত থাকেন। নার্সরা তাঁদের প্রাপ্য সম্মানটুকুও পান না। উলটে হ্যালোইনের সময় নার্সের পোশাক পরে বিদঘুটে সেজে রসিকতা করা হয়। আমার তো মনে হয়, এটা পেশাটি বাকি সব পেশার তুলনায় অনেক বেশি যৌন আবেদনের ছোঁয়া থাকে। যার নেপথ্যে বিরাট ভূমিকা পালন করে সেবিকাদের পোশাক।”

সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কঙ্গনার যুক্তি, “নার্সদের পোশাকে ব্রিটিশ প্রভাব স্পষ্টভাবে বিদ্যমান। তাঁদের নিজস্ব পছন্দ ও স্বাচ্ছন্দ্যের ভিত্তিতে এটিকে ভারতীয়করণ করা উচিত। নার্সদের পোশাকবিধি নিয়ে দৃষ্টিবঙ্গি বদলানো উচিত। ইউনিফর্মের ওপর পিন, ক্যাপ বা বেল্ট পরার বিষয়টি মার্কিন নৌবাহিনীর প্রভাব যেন আজও বহন করে চলেছে। প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যেমন ছিল এখনও সেই ধারাবাহিকতাই বজায় রয়ে গিয়েছে। চিকিৎসকদের মতো নার্সদেরও নির্ধারিত নির্দেশিকার মধ্যে নিজেদের সুবিধামতো পোশাক পরার সুযোগ থাকা উচিত। যেটা অবশ্যই হবে বিদেশি ছাপ মুক্ত।”

তিনি আরও বলেন, “সারাবছরই নার্সদের একই ইউনিফর্মে দেখা যায়। যদি নিজেরা মনে করেন পোশাকে পরিবর্তন প্রয়োজন তাহলে ভবিষ্যতে তাঁদের চাহিদা ও পছন্দ অনুযায়ী সংস্কার আনা যেতে পারে। সেটাই হবে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন। এটা আমার ব্যক্তিগত মতামত। এই ছবিতে আমরা সততা ও মর্যাদার সঙ্গে কাজ করেছি। ইউনিফর্মের আকার বা ধরন গুরুত্বপূর্ণ নয় আপনার কর্তব্যই আসল পরিচয়।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
ফের ভূমিকম্পে কেঁপে উঠছে মাটি, আতঙ্কের গ্রাসে দার্জিলিং-সহ উত্তর
-
টাকি পুরসভার ‘বিদ্রোহী’ তৃণমূল কাউন্সিলরের পদত্যাগ, জোর জল্পনা
-
অরূপ-স্বরূপের ‘রহস্যময় ঘরে’ তল্লাশি পুলিশের, উদ্ধার মোবাইল-আইপ্যাড, প্রচুর নথি!
-
কুলটিতে ‘ভয় আউট, ভরসা ইন’, মন্ত্রীর জনতার দরবারে ৫ বছরের সমস্যার সমাধান ২৪ ঘণ্টায়!
-
আলিপুরদুয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউনিয়ন রুমে কন্ডোম, নেশার সামগ্রী! শোরগোল শিক্ষাঙ্গনে